উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
গোল, পেনাল্টি মিস, আবার গোল—ঘটনার ঘনঘটায় প্রথম ১৫ মিনিটেই উত্তেজনা ছড়ায় ইরান-মিশর ম্যাচে। তবে শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তা ম্যাচটিকে নিয়ে যায় ভিন্ন উচ্চতায়।
বাংলাদেশ সময় শনিবার (২৭ জুন) সিয়াটলে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের ‘জি’ গ্রুপের ম্যাচে যোগ করা সময়ে গোল করে জয় উদযাপন শুরু করেছিল ইরান। কিন্তু ভিএআর জানায়, শোজা খালিলজাদেহ অফসাইডে ছিলেন। অল্প ব্যবধানেই ভেস্তে যায় তাদের নকআউটে যাওয়ার স্বপ্ন।
অটোমেটেড রিপ্লেতে দেখা যায়, তার শরীরের হাত ও পায়ের সামান্য অংশ অফসাইডে ছিল—মাত্র কয়েক মিলিমিটারের ব্যবধানে বাতিল হয় ঐতিহাসিক গোল।
এর আগে ম্যাচে আরও একাধিক নাটকীয়তা দেখা যায়। শুরুতেই পেনাল্টি মিস করে ইরান, পরে মেহদি তারেমির হেড ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলে ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাদের।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল ইরান। তবে প্রথম গোল পায় মিশর। পঞ্চম মিনিটে মোহামেদ সালাহর শট ফিরিয়ে দিলেও রিবাউন্ড থেকে মাহমুদ সবের গোল করেন।
অষ্টম মিনিটে পেনাল্টি পায় ইরান। কিন্তু তারেমির শট দারুণভাবে ঠেকিয়ে দেন মিশর গোলরক্ষক মোস্তাফা শুবি। কিছুক্ষণ পরেই মিলাদ মোহাম্মাদির শট থেকে রেজাইয়ান ট্যাপ-ইনে গোল করে ইরানকে সমতায় ফেরান।
পুরো ম্যাচজুড়েই ছিল উত্তেজনা, আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ এবং গোলের একের পর এক সুযোগ। তবে শেষ মুহূর্তে ভিএআরের সিদ্ধান্তে ইরানের জয় স্বপ্ন ভেঙে যায়।
এই ড্রয়ের ফলে তিন ম্যাচে তিন ড্র নিয়ে ৩ পয়েন্ট অর্জন করে ইরান। এখন তাদের অপেক্ষা সেরা তৃতীয় স্থানে থেকে নকআউটে ওঠার সম্ভাবনার ওপর।
একই গ্রুপের অন্য ম্যাচে নিউ জিল্যান্ডকে ৫-১ গোলে হারিয়ে গ্রুপ সেরা হয়েছে বেলজিয়াম। মিশর ৯২ বছর পর নকআউট নিশ্চিত করলেও ইরানের অপেক্ষা এখনো শেষ হয়নি।