উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় এক বিএনপি নেতাকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের এক স্থানীয় নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগীর নাম শহিদুল ইসলাম (সোনা মিয়া)। তিনি কামারপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।
অভিযোগ অনুযায়ী, হামলায় দামোদরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা আব্দুল খালেক ও তার সহযোগীরা জড়িত ছিলেন।
রোববার (২৮ জুন) দুপুরে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে আহতদের অবস্থা সম্পর্কে জানা যায়। শহিদুল ইসলাম নিজেই তার ওপর হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শহিদুল ইসলাম তার পুকুর খননের মাটি দিয়ে একটি নির্মাণাধীন সড়কের কাজের জন্য ট্রাক্টরে পরিবহন করছিলেন। এ সময় দামোদরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা আব্দুল খালেক ও তার লোকজন সেখানে উপস্থিত হয়ে তার কাছে চাঁদা দাবি করেন।
অভিযোগে বলা হয়, আব্দুল খালেকের সঙ্গে নান্নু মিয়া, লাজু মিয়া, সিরাজুল ইসলামসহ আরও কয়েকজন ছিলেন।
শহিদুল ইসলাম চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ করা হয়। হামলায় তার মাথা ফেটে যায় এবং তার পক্ষের আরও কয়েকজন আহত হন। পরে আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শহিদুল ইসলাম বলেন, পুকুরের মাটি পরিবহনের সময় তার কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করা হয়। তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার ওপর হামলা চালানো হয়। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।
এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম হাবিবুর রহমান বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে অভিযুক্ত আব্দুল খালেকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি ।