উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
প্রায় চার বছর পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও ৩৭ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। রপ্তানি আয়, প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স), বৈদেশিক ঋণ ও বাজেট সহায়তা বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসায় রিজার্ভে এ ইতিবাচক প্রবণতা দেখা দিয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (২৯ জুন) দিন শেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিজস্ব (গ্রস) হিসাবে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৭ দশমিক ০৫৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩৭,০৫২ দশমিক ৯১ মিলিয়ন ডলার)।
অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে হিসাব করা ব্যবহারযোগ্য বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ৩২ দশমিক ৪৮০ বিলিয়ন ডলার (৩২,৪৭৯ দশমিক ৮৮ মিলিয়ন ডলার)।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এর আগে ২০২২ সালের ২০ সেপ্টেম্বর সর্বশেষ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৭ বিলিয়ন ডলারের ঘরে ছিল। তবে আমদানি ব্যয় পরিশোধে ডলার বিক্রির কারণে পরদিনই তা কমে ৩৬ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে।
সে সময় বিভিন্ন ব্যাংকের আমদানি বিল পরিশোধে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রায় ৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিক্রি করায় রিজার্ভে সাময়িক পতন ঘটে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্স প্রবাহের ধারাবাহিক বৃদ্ধি, বৈদেশিক ঋণ ও বাজেট সহায়তা পাওয়া এবং বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা বজায় থাকলে আগামী দিনেও রিজার্ভের ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকতে পারে।