উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে চাইলে শিক্ষকদের চাকরি থেকে পদত্যাগ করতে হবে।
তিনি বলেন, বিপুলসংখ্যক শিক্ষক নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এ কারণে নির্বাচন কমিশনের কঠোর নীতিমালা থাকা উচিত, যাতে শিক্ষকরা প্রার্থী হতে চাইলে আগে চাকরি ছেড়ে দেন।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর এডুকেশন (জিপিই) সিস্টেম ট্রান্সফরমেশন গ্রান্ট (এসটিজি) এবং মাল্টিপ্লায়ার গ্রান্ট’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, রাষ্ট্র শিক্ষকদের প্রশিক্ষণে বড় ধরনের বিনিয়োগ করছে। তাই তাদের দক্ষতা যেন দেশের মানসম্মত শিক্ষা উন্নয়নে যথাযথভাবে ব্যবহৃত হয়, সেটিই মূল লক্ষ্য।
তিনি জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগের আইনি জটিলতা কেটে গেছে। পাশাপাশি পদোন্নতির ফলে শূন্য হওয়া সহকারী শিক্ষক পদেও দ্রুত নিয়োগ দেওয়া হবে।
শিক্ষা খাতের চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, সাধারণ ধারায় প্রায় ৩৩ শতাংশ, কারিগরি শিক্ষায় ৫৪ শতাংশ এবং মাদ্রাসা শিক্ষায় ৪৪ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে, যা উদ্বেগজনক।
তিনি আরও জানান, শিক্ষা খাতে বরাদ্দ অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি করা হবে এবং কোনো ধরনের অপচয় সহ্য করা হবে না।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, শিক্ষা সচিব আবদুল খালেকসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা।
এছাড়া সচিবালয়ে পৃথক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন, আদালতের রায়ের পর ৩৬ হাজার ২৩৫টি প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগের পথ খুলেছে এবং সহকারী শিক্ষক পদেও নিয়োগ কার্যক্রম দ্রুত শুরু করা হবে।