উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
আন্তর্জাতিক বাজারে অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হলে এলপিজির (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) পর পর্যায়ক্রমে অন্যান্য জ্বালানির দামও কমানো হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুরে যশোর সার্কিট হাউসে জেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ও বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (বাপবিবো) কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সরকার জ্বালানির মূল্য সমন্বয় করছে। সম্প্রতি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম কমানো হয়েছে, যা সাধারণ ভোক্তাদের কিছুটা স্বস্তি দেবে। ভবিষ্যতেও আন্তর্জাতিক বাজার অনুকূলে থাকলে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য জ্বালানির দাম কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি জানান, দেশে ব্যবহৃত এলপিজির প্রায় ৯৮ শতাংশ আমদানি করা হয় এবং এ খাত সম্পূর্ণ বেসরকারি খাতনির্ভর। মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বেড়েছে, যার প্রভাব দেশের বাজারেও পড়েছে।
ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল ও লোডশেডিংয়ের অভিযোগ প্রসঙ্গে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, গ্রীষ্ম মৌসুমে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ বিভাগ কাজ করছে।
তিনি জানান, বিদ্যুৎ বিলসংক্রান্ত অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য প্রতিটি বিদ্যুৎ অফিসে অভিযোগ কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দ্রুত অভিযোগ নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, জনগণকে সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আরও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সভায় যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেরুল হক সাবুসহ বিদ্যুৎ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।