প্রিন্ট এর তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
লৌহজংয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টা, আইনি সহায়তা চাইলেন বিধবা নারী
মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার কাজীর পাগলা এলাকায় এক মৃত স্বামী স্ত্রীর মালিকানাধীন জমি জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। আদালতের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও বিবাদীরা সেখানে নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জমির মালিক সাহিদা বেগম। তিনি ইতোমধ্যে পদ্মা সেতু উত্তর থ
থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন এবং আদালতে আইনি সহায়তা প্রার্থনা করেছেন।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সাহিদা বেগম এর স্বামী মৃত বাচ্চু শেখ ২৩/০২/২০২৩ এক মেয়ে এক ছেলে ও স্ত্রী রাখে মারা যান । কাজীর পাগলা মৌজার আর.এস খতিয়ান নং–২৯৩ /৩৭৩/২৯৫ ও দাগ নং–১০১৮/১০১৭/১০৫১ এর ৪৪.১৪ শতাংশ পৈতিক সূত্র দখল ও মালিকানা অর্জন করেন এবং সেখানে সবজি ও ফলজ গাছ রোপণ করে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখলে ছিলেন।
কিন্তু মৃত বাচ্চু শেখের বড় ভাই ইউসুফ শেখ, আসলাম শেখ, আফরোজা, সুফিয়া, মাকসুদা বেগম,সাইফুলসহ অজ্ঞাতনামা ১৫–২০ জন ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে উক্ত জমি দখলের পাঁয়তারা করে আসছে এবং একাধিকবার বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। গত ০১ মে ২০২৬ সালে বিবাদীরা দলবলসহ জমিতে প্রবেশ করে বাদীর রোপণকৃত ফলজ ও সবজি গাছ উপড়ে ফেলে এবং মাচা ভেঙে দেয়। এতে প্রায় ১৫ হাজার টাকার ক্ষতি হয়। বাধা দিতে গেলে বাদীকে অশালীন ভাষায় গালাগাল ও হামলার চেষ্টা করা হয়। স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে তারা সরে গেলেও পরবর্তীতে পুনরায় দখলের হুমকি দেয়।
ঘটনার পর বাদী ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারায় পিটিশন মামলা নং–২৩২/২০২৬দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশে পদ্মা সেতু উওরে থানা পুলিশ উক্ত সম্পত্তিতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করে।
সাহিদা জানান, তিনি বাধা দিলে বিবাদীরা কাজ চালিয়ে যায় এবং তাকে প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এতে এলাকায় পুনরায় সংঘর্ষ ও আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন ধরে একই জমি নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ চলে আসছে। তারা জানান, আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে কোনো পক্ষ নির্মাণ কাজ চালালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে পারে, তাই প্রশাসনের হস্তক্ষেপ জরুরি।এই বিষয়ে পদ্মা সেতু উত্তরে থানা উপ-পরিদর্শক এস আই বিল্লাল হোসেন বলেন, আদালত ইতোমধ্যে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। কেউ যদি আদালতের আদেশ অমান্য করে, তবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, এ প্রতিবেদনে উল্লিখিত অভিযোগগুলো অভিযোগকারী ও সংশ্লিষ্ট নথির ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে সংযুক্ত করা হবে।
প্রকাশক ও সম্পাদক: মিরাজ হোসেন সুজন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।