উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
অর্থ পাচারের মামলায় গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর রাম বিগ্রহ নির্মাণের উদ্যোক্তা হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে চার দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
সোমবার (তারিখ) ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে রিমান্ড শেষে তাকে হাজির করা হয়। এ সময় সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের তদন্ত কর্মকর্তা ইনস্পেক্টর কেএম রাকিবুল হুদা তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
সিআইডির আবেদনে বলা হয়, জিজ্ঞাসাবাদে হরিদাসের ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) হিসাবের মাধ্যমে অর্থ লেনদেনের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। কারা, কী উদ্দেশ্যে অর্থ জমা দিয়েছেন এবং ওই অর্থ কোথায় ও কীভাবে ব্যবহার বা হস্তান্তর করা হয়েছে—এসব বিষয় যাচাই করা হচ্ছে।
তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে রাখা প্রয়োজন বলে আদালতকে জানায় সিআইডি। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী শ্যামল কুমার রায় জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে গত ১২ জুলাই ৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা অর্থ পাচারের অভিযোগে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা দায়ের করে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট। একই দিন রাতে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের মধ্য রামচন্দ্রপুর গ্রামের রাধা গোবিন্দ ও কালীমন্দির এলাকা থেকে হরিদাসকে গ্রেফতার করা হয়।
পরদিন আদালত তাকে চার দিনের রিমান্ডে পাঠান।
সিআইডির প্রাথমিক অনুসন্ধান অনুযায়ী, হরিদাস একজন সাধারণ ব্যবসায়ী হলেও তার বিরুদ্ধে ব্যবসার আড়ালে দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচার ও হুন্ডি কার্যক্রমে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, তার নামে থাকা ৯টি ব্যাংক হিসাব ও সংশ্লিষ্ট নথি বিশ্লেষণ করে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিভিন্ন সময়ে ব্যবসার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বিপুল পরিমাণ অর্থ জমার তথ্য পাওয়া গেছে। এসব লেনদেনের উৎস ও গন্তব্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে।