উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় জর্ডানে দুই মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন সেনা আহত হয়েছেন এবং একজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।
শনিবার (১৯ জুলাই) এক বিবৃতিতে সেন্টকম জানায়, শুক্রবার জর্ডানে অবস্থানরত মার্কিন ও মিত্র বাহিনী ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করার সময় ওই দুই সেনা নিহত হন।
মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন জানিয়েছে, হামলায় আহত চার সেনাকে জর্ডানের বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। চিকিৎসা শেষে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সামান্য আহত কয়েকজন সেনাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে পুনরায় দায়িত্বে ফেরানো হয়েছে।
সেন্টকম জানিয়েছে, নিহত সেনাদের পরিবারের সদস্যদের আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করার আগে তাদের পরিচয় প্রকাশ করা হবে না।
এদিকে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে বলেছেন, হামলা অব্যাহত থাকলে ওয়াশিংটনকে ‘অবিস্মরণীয় শিক্ষা’ দেওয়া হবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে খামেনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ উসকে দিয়ে এর পরিণতি ভোগ করার পথে এগোচ্ছে। তিনি দাবি করেন, ইরান ও তাদের মিত্রদের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কঠিন প্রতিক্রিয়া অপেক্ষা করছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানিয়েছিল, তারা টানা সপ্তম রাতের মতো ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা, নজরদারি কেন্দ্র, অস্ত্রভান্ডার ও নৌ সক্ষমতা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
জবাবে ইরান কুয়েত, ইরাক, বাহরাইন, জর্ডান ও সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। এসব হামলায় কুয়েতে একটি সমুদ্রের পানি বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্র ও একটি তেল স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান এই সংঘাত ঘিরে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি