উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে নির্ধারিত ৯০ মিনিটে কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। তবে অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধে স্পেনের আক্রমণের সামনে শেষ পর্যন্ত টিকতে পারেনি আর্জেন্টিনা।
ম্যাচের ১০৬তম মিনিটে ডান দিক থেকে পেদ্রো পোরোর ক্রস নিয়ন্ত্রণে নেন নিকো উইলিয়ামস। তার অসাধারণ নিয়ন্ত্রণের পর বল পেয়ে ডান পায়ের জোরালো ভলিতে আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে পরাস্ত করেন ফেরান তোরেস।
এই গোলেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্পেন এবং শেষ পর্যন্ত সেই ব্যবধান ধরে রেখে বিশ্বকাপ ট্রফি নিজেদের করে নেয়।
পুরো ম্যাচজুড়ে স্পেনের আক্রমণের সামনে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ।
৯৩ মিনিটে নিকো উইলিয়ামসের হেড, ৯৬ মিনিটে মিকেল মেরিনোর শটসহ একাধিক নিশ্চিত গোলের সুযোগ দুর্দান্ত দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত ফেরান তোরেসের দুর্দান্ত ভলির সামনে তার আর কিছু করার ছিল না।
নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে ৯০+৩ মিনিটে এনজো ফার্নান্দেজ লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। ফলে একজন কম নিয়ে অতিরিক্ত সময় শুরু করে আর্জেন্টিনা।
গোল হজমের পর লিওনেল মেসিকে সামনে রেখে সমতা ফেরানোর মরিয়া চেষ্টা চালায় আর্জেন্টিনা। ১১৫ মিনিটে মেসির কর্নার থেকে গোলের সুযোগ তৈরি হলেও তা কাজে লাগাতে পারেনি তারা।
১১৭ মিনিটে মেসির শক্তিশালী শট নিজের শরীর দিয়ে ঠেকিয়ে স্পেনকে রক্ষা করেন মিকেল মেরিনো।
শেষ পর্যন্ত আর গোল শোধ করতে পারেনি আর্জেন্টিনা। ফেরান তোরেসের একমাত্র গোলে বিশ্বকাপের মঞ্চে নতুন ইতিহাস লিখল স্পেন।