উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে সংক্রামক রোগী ব্যবস্থাপনায় অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে। হামে আক্রান্ত এক নারী রোগীকে নির্ধারিত আইসোলেশন ওয়ার্ডে না রেখে সাধারণ রোগীদের সঙ্গে একই ওয়ার্ডে ভর্তি রাখায় সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন রোগী ও স্বজনরা।
রোববার (১৯ জুলাই) দুপুরে হাসপাতালের পঞ্চম তলায় গিয়ে দেখা যায়, হামে আক্রান্ত সুবর্ণা আক্তার (২৫) নামে এক নারী রোগী সাধারণ রোগীদের পাশের বেডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি গত তিন দিন ধরে ওই ওয়ার্ডে ভর্তি আছেন বলে জানান তার স্বামী।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হামে আক্রান্ত রোগীদের জন্য পৃথক আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু রয়েছে। সেখানে শয্যাও খালি রয়েছে। এরপরও সুবর্ণা আক্তারকে সেখানে স্থানান্তর করা হয়নি।
দায়িত্বরত এক ওয়ার্ড বয় জানান, হামের জন্য নির্ধারিত ওয়ার্ডে মূলত শিশু রোগীদের রাখা হচ্ছে। রোগী নারী হওয়ায় তাকে সেখানে রাখা হয়নি।
তবে সংক্রামক রোগে আক্রান্ত একজন রোগীকে সাধারণ ওয়ার্ডে রাখার ঘটনায় একই কক্ষে থাকা অন্য রোগী ও তাদের স্বজনদের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের কার্যালয়ে গেলে সেটি তালাবদ্ধ পাওয়া যায়। পরে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
জেলা সিভিল সার্জন ডা. সাজেদা বেগম বলেন, “হামে আক্রান্ত সব রোগীর জন্য হাসপাতালে আলাদা ওয়ার্ড রয়েছে। এটি একটি সংক্রামক রোগ। একজনের কাছ থেকে অন্যজনের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই কোনোভাবেই হামে আক্রান্ত রোগীকে সাধারণ রোগীদের সঙ্গে রাখার সুযোগ নেই।”
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।