উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
পদত্যাগের বিষয়ে করা প্রশ্নকে ‘বিব্রতকর’ বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সন্ধ্যায় একটি জাতীয় দৈনিকের সঙ্গে টেলিফোন আলাপচারিতায় তিনি পদত্যাগের গুঞ্জন এবং ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ নিয়ে কথা বলেন।
সন্ধ্যা ৬টার দিকে প্রায় দুই মিনিটের ওই ফোনালাপে পদত্যাগ করবেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রপতি বলেন, “দেখতে পাবেন... প্রশ্নটা বিব্রতকর।”
সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করতে চাইলে জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিতে হয়। বর্তমানে স্পিকার দেশের বাইরে রয়েছেন—এমন তথ্য জানানো হলে রাষ্ট্রপতি বলেন, “আমার জানা নেই স্পিকার দেশে আছেন কিনা। এটা আমার জানার কথা না।”
এদিকে লন্ডনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেখ হাসিনার সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, “এটা পুরোপুরি ভিত্তিহীন। কারও যদি মাথা খারাপ হয়, সে এ ধরনের কথা বলতে পারে।”
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, “আমি তখন মৃতপ্রায়, চিকিৎসাধীন ছিলাম। এটা একেবারে ভিত্তিহীন ও বানানো কথা।”
এরপর ধন্যবাদ জানিয়ে ফোনালাপ শেষ করেন রাষ্ট্রপতি।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে কয়েকটি গণমাধ্যমে রাষ্ট্রপতি শিগগিরই পদত্যাগ করতে পারেন বলে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, চলতি বছরের মে মাসে চিকিৎসার জন্য লন্ডন সফরের সময় রাষ্ট্রপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রাষ্ট্রপতি।
এদিকে সম্ভাব্য পদত্যাগের বিষয়ে বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, রাষ্ট্রপতি সাংবিধানিক বা স্বাস্থ্যগত কারণে পদত্যাগ করতে চাইলে তার সুযোগ রয়েছে।
শেখ হাসিনার সঙ্গে রাষ্ট্রপতির কথোপকথনের বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তিনি চিকিৎসার জন্য বিদেশে গিয়েছিলেন। সেখানে গিয়ে শেখ হাসিনার সঙ্গে কোনো আলাপ করেছেন কি না, তা তিনি জানেন না।
তিনি আরও বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে পদত্যাগের বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করতে চাইলে স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিতে হবে। সূত্র: দা ডেইলি স্টার