প্রিন্ট এর তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
প্রেমিকাকে চার দিন আটকে রেখে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ, ফটোগ্রাফার নামিনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা
রাজধানীর আদাবরে প্রেমিকাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে চার দিন আটকে রেখে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে ফটোগ্রাফার নামিন আশরাফ মনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ জুলাই) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৫-এর বিচারক মো. মনিরুজ্জামানের আদালতে মামলাটি করেন ভুক্তভোগীর বড় বোন রাজিয়া সুলতানা।
বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালত অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার আসামিরা হলেন—ফটোগ্রাফার নামিন আশরাফ মনি, তার বাবা আশরাফউদ্দিন এবং মা শাহনাজ বেগম।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ভুক্তভোগী সাদিয়া ইয়াসফিয়া (২৪) একজন মেকআপ আর্টিস্ট ছিলেন। অপরদিকে নামিন আশরাফ (৩৭) পেশায় ফটোগ্রাফার। ২০২৪ সালে একটি অনুষ্ঠানের শুটিংয়ের সময় তাদের পরিচয় হয়। পরে বিভিন্ন কাজের সূত্রে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় এবং একপর্যায়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, সম্পর্কের একপর্যায়ে তারা বিয়ের বিষয়ে আলোচনা করেন। বিষয়টি দুই পরিবারের সদস্যরাও জানতেন। গত ৬ জুন সাদিয়ার পরিবারের সদস্যরা বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসামিদের গেন্ডারিয়ার ঢালকানগরের বাসায় গেলে নামিনের বাবা-মা সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার আবেদনে বলা হয়, গত ১০ জুন রাতে নামিন সাদিয়াকে আদাবরের শেখেরটেক এলাকার একটি ভবনের দ্বিতীয় তলায় তার ফটো স্টুডিও ফ্ল্যাটে নিয়ে যান। পরে তাকে পরিবারের কাছে বান্ধবীর বাসায় আছেন বলে জানাতে বাধ্য করা হয়।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ১০ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত ওই স্থানে সাদিয়াকে আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয় এবং ১৪ জুন তাকে হত্যা করা হয়। পরে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে প্রচার করার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ করেছেন বাদী।
বাদীর দাবি, পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদনে ভুক্তভোগীর শরীরে আঘাতের চিহ্ন এবং ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে।
আদালতের নির্দেশের পর মামলার অভিযোগ তদন্ত করছে ডিবি পুলিশ। অভিযোগের সত্যতা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।
প্রকাশক ও সম্পাদক: মিরাজ হোসেন সুজন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।