উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার তফিকল বাজারসহ বিভিন্ন কাঁচাবাজারে এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বিশেষ করে কাঁচা মরিচ ও বেগুনের দাম বৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, ভালো মানের গোল বেগুন কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। কাঁচা মরিচের দামও বেড়ে কেজিপ্রতি ২৬০ থেকে ২৮০ টাকায় পৌঁছেছে।
এ ছাড়া মুলা বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, ঝিঙা, ধুন্দল ও শসা কেজিপ্রতি ৮০ টাকা, ঢেঁড়স, পটল ও কাকরোলও ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে কেজিপ্রতি ৩০ থেকে ৪০ টাকা, লাউ ও কুমড়া প্রতিটি ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং কচুর লতি ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে পেঁয়াজের দাম ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং রসুন ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
ক্রেতারা জানান, সবজির দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় সংসারের খরচ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। বাধ্য হয়ে প্রয়োজনের তুলনায় কম পরিমাণে সবজি কিনতে হচ্ছে।
বাজারের বিক্রেতাদের দাবি, টানা বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে বিভিন্ন এলাকার সবজির ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে উৎপাদন কমে যাওয়ায় পাইকারি বাজারে দাম বেড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারেও।
একাধিক বিক্রেতা বলেন, পাইকারি বাজার থেকেই বেশি দামে সবজি কিনতে হচ্ছে। তাই বাধ্য হয়ে খুচরা পর্যায়েও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। দাম বেশি হওয়ায় অনেক ক্রেতা সবজি না কিনেই ফিরে যাচ্ছেন।
এ বিষয়ে কাউনিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানিয়া আক্তার বলেন, বৃষ্টিপাত কমে আবহাওয়া অনুকূলে এলে নতুন সবজির সরবরাহ বাড়বে। তখন বাজারে সবজির দাম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক পর্যায়ে নেমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, সবজির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব বাজারের অন্যান্য নিত্যপণ্যের ওপরও পড়েছে। তবে আগামী এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।