উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষিত গাজা উপত্যকার নিরস্ত্রীকরণ চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে সৌদি আরব। দেশটি এই চুক্তিকে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেছে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে ট্রাম্পের নেতৃত্ব ও এই চুক্তি বাস্তবায়নে তার ভূমিকার প্রশংসা করে। একই সঙ্গে মিসর, কাতার, তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্র, পিস কাউন্সিল এবং সংশ্লিষ্ট সব অংশীদারের প্রচেষ্টার প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।
বিবৃতিতে সৌদি আরব জানায়, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ২৮০৩ নম্বর প্রস্তাবে অনুমোদিত সমন্বিত শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তারা পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী পরিকল্পনার সব ধাপ বিশ্বাসযোগ্য, চূড়ান্ত এবং অপরিবর্তনীয়ভাবে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
সৌদি আরব গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার, একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন, এবং ফিলিস্তিনিদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন মানবিক সহায়তা ও পুনর্গঠন কার্যক্রম নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।
এ ছাড়া বিবৃতিতে বলা হয়, জাতিসংঘের প্রস্তাব অনুযায়ী ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের (প্যালেস্টিনিয়ান অথরিটি) গাজায় ফিরে আসা এবং অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের ঐক্য বজায় রাখা শান্তি পরিকল্পনা সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য অপরিহার্য।
সৌদি আরব আরও বলেছে, এই চুক্তি একটি বিস্তৃত রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার সূচনা হওয়া উচিত, যা ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার এবং স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করবে। পাশাপাশি পারস্পরিক স্বীকৃতির ভিত্তিতে ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।
বিবৃতির শেষাংশে সৌদি আরব পুনর্ব্যক্ত করে, দীর্ঘমেয়াদি ও ন্যায়ভিত্তিক শান্তি কেবল একটি সমগ্র রাজনৈতিক সমাধানের মাধ্যমেই সম্ভব, যা সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে পুরো অঞ্চলে নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও যৌথ সমৃদ্ধির ভিত্তি গড়ে তুলবে।