উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) জন্মতারিখ সংশোধনের প্রক্রিয়া সহজ করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এখন থেকে নির্ধারিত শিক্ষাগত সনদের ভিত্তিতে স্থানীয় পর্যায়ের কর্মকর্তারাই এনআইডির জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন নিষ্পত্তি করতে পারবেন।
রোববার (২ আগস্ট) এ সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়। এর আগে গত ২১ জুলাই নির্বাচন কমিশনের ১২তম সভা শেষে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
ইসি সচিব বলেন, এনআইডি সংক্রান্ত সেবা আরও সহজ ও দ্রুত করতে একাধিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ভোটার এলাকা পরিবর্তন (মাইগ্রেশন) প্রক্রিয়া পুরোপুরি অনলাইনে করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ সেবার জন্য নির্ধারিত ফি রাখা হবে, যা নতুন বিধিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
বর্তমানে এনআইডির জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন কেন্দ্রীয়ভাবে নিষ্পত্তি করা হয়। নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে পাবলিক পরীক্ষার সনদ—যেমন জেএসসি, এসএসসি, এইচএসসি বা সমমানের সনদে থাকা জন্মতারিখের ভিত্তিতে স্থানীয় নির্বাচন কর্মকর্তারাই সংশোধনের আবেদন অনুমোদন করতে পারবেন।
আখতার আহমেদ জানান, এনআইডি সেবা সহজ করার অংশ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে নাগরিকদের সময় ও ভোগান্তি কমবে।
ইসি সচিব জানান, আইন অনুযায়ী প্রতি ১৫ বছর পর এনআইডি নবায়নের বিধান রয়েছে। এ জন্য নির্ধারিত ফরম চালু করা হবে। নবায়নের সময় আবেদনকারীকে পারিবারিক তথ্য (ফ্যামিলি ট্রি) দিতে হবে, যা তথ্য যাচাই প্রক্রিয়াকে সহজ করবে।
এনআইডি নবায়নের ক্ষেত্রেও নির্ধারিত ফি রাখা হবে বলে জানান তিনি।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়া আরও সহজ করার উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
বর্তমানে প্রবাসীদের আবেদন ও বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহের পর তা দেশে পাঠানো হয়। এরপর তদন্ত শেষে অনুমোদন দেওয়া হয়।
নতুন ব্যবস্থায় বায়োমেট্রিক তথ্য সরাসরি আপলোড করা হবে। তদন্তে তথ্য সঠিক পাওয়া গেলে কেন্দ্র থেকেই নিবন্ধন অনুমোদন করা যাবে। এতে নিবন্ধন প্রক্রিয়ার একটি ধাপ কমে যাবে।