উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
২০২৬ সালের অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা এবং ওষুধের মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি বাতিল করেছে সরকার। জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদের পরামর্শ ছাড়া নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছিল—এমন কারণ দেখিয়ে মন্ত্রিসভা এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন দিয়েছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নিরাপদ, কার্যকর, মানসম্মত ও সাশ্রয়ী মূল্যের ওষুধ জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩ অনুযায়ী অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা প্রণয়নের আগে জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদের মতামত নেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৬ সালের অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা প্রণয়নের ক্ষেত্রে ওই আইনি বিধান অনুসরণ করা হয়নি। এ কারণে চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রকাশিত তালিকা ও ওষুধের মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতির বৈধতা উচ্চ আদালতে চ্যালেঞ্জ করা হয়। বিষয়টি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।
এদিকে, গত ২৯ জুন ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩ অনুযায়ী জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে পরিষদে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবও মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছে।
সরকার জানিয়েছে, ২০২৬ সালের তালিকা ও মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি বাতিল হলেও ১৯৯৪ সালের আদেশে প্রণীত অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা এবং সরকারি মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে।
নতুন করে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা হালনাগাদ করা হবে। পাশাপাশি ওষুধের মূল্য নির্ধারণে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ না পড়ে এবং বাজারে সুস্থ প্রতিযোগিতা বজায় থাকে।