উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার লতব্দী গ্রামের বাসিন্দা আরমান হোসেন অভি (২১)-এর বিরুদ্ধে এলাকায় নতুন করে বিভিন্ন অপরাধমূলক ও উচ্ছৃঙ্খল কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কারামুক্তির পর অভি আবারও নেশাসংক্রান্ত কর্মকাণ্ড, সামাজিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক তৎপরতায় জড়িয়ে পড়েছেন। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম হায়দার আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী নূর হোসেন এবং লতব্দী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব ওসমান হারুন ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, অভির বিরুদ্ধে এর আগেও বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর, মারধর, চাঁদা দাবি, প্রাণনাশের হুমকি ও অস্ত্র দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মতো অভিযোগ উঠেছিল।
অভিযোগকারীরা জানান, ২০২২ সালে মোহাম্মদ আবিরের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনা ঘটে। একই সময়ে আরমান শেখের বাড়িতে হামলার অভিযোগও ওঠে। এ ছাড়া খিদিরপুর এলাকার মুক্তারের বাড়িতে থাই গ্লাস ভাঙচুর এবং সাগর খানকে অস্ত্র দেখিয়ে মারধরের অভিযোগ রয়েছে।
এ ছাড়া মো. সিজান খানের বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়ে নগদ অর্থ ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করেছেন স্থানীয়রা।
অন্যদিকে মোহাম্মদ নাসিম খান, মো. আশরাফুল শেখ, আপন খান, মো. আলম খান, জবিউল খান ও মো. মজিদ শেখ পৃথক অভিযোগে দাবি করেন, বিভিন্ন সময়ে তারা অভির হাতে মারধর, হুমকি, গালিগালাজ ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুরের শিকার হয়েছেন।
অভিযোগকারীদের দাবি, এসব ঘটনার কারণে এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ২৭ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে আরমান হোসেন অভির বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ১৪৩/৪৪৭/৪৪৮/৩২৩/৪২৭/৩৮০/৫০৬/৩৪ ধারায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আরমান হোসেন অভির বক্তব্য পাওয়া যায়নি।