শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
আপডেট : সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬

মায়ের কোলে থাকা দুই বছরের শিশুকে নিয়ে উধাও বাবা, থানায় অভিযোগ

মায়ের কোলে থাকা দুই বছরের শিশুকে নিয়ে উধাও বাবা, থানায় অভিযোগ

কেশরহাট পৌর যুবদলের নেতা রাকিবুল ইসলাম তুষারকে ঘিরে তৃণমূলে আলোচনা

কেশরহাট পৌর যুবদলের নেতা রাকিবুল ইসলাম তুষারকে ঘিরে তৃণমূলে আলোচনা

লৌহজংয়ে পুলিশের পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

লৌহজংয়ে পুলিশের পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপরে, নীলফামারীর নিম্নাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপরে, নীলফামারীর নিম্নাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা

সিংড়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি পালিত, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

সিংড়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি পালিত, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

লৌহজংয়ের কুমারভোগে বিএনপির বিজয় র‍্যালি, শতাধিক নেতাকর্মীর অংশগ্রহণ

লৌহজংয়ের কুমারভোগে বিএনপির বিজয় র‍্যালি, শতাধিক নেতাকর্মীর অংশগ্রহণ

সিরাজদিখানে অভির বিরুদ্ধে ফের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ

সিরাজদিখানে অভির বিরুদ্ধে ফের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ

জুলাই অভ্যুত্থানের ২য় বার্ষিকী উপলক্ষে মুন্সীগঞ্জে ছাত্রশিবিরের সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত

জুলাই অভ্যুত্থানের ২য় বার্ষিকী উপলক্ষে মুন্সীগঞ্জে ছাত্রশিবিরের সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত

দালালচক্র ও চুরি-ছিনতাইয়ে জিম্মি মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের রোগী-স্বজন

প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৩:১৮ পিএম
দালালচক্র ও চুরি-ছিনতাইয়ে জিম্মি মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের রোগী-স্বজন
দালালচক্র ও চুরি-ছিনতাইয়ে জিম্মি মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের রোগী-স্বজন
0:00 / 0:00
1x

চিকিৎসাসেবা নিতে এসে রোগী ও তাদের স্বজনদের এখন নতুন করে লড়তে হচ্ছে দালালচক্র, চুরি ও ছিনতাইয়ের আতঙ্কের সঙ্গে। মুন্সীগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে প্রতিদিনই দালালদের উৎপাত, মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ চুরির অভিযোগ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা নিয়ে বাড়ছে অসন্তোষ। অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতালের প্রবেশমুখ থেকে শুরু করে বহির্বিভাগ, জরুরি বিভাগ ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের আশপাশে দালালদের অবাধ বিচরণ থাকলেও তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা চোখে পড়ছে না। ফলে চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ মানুষ ভোগান্তি ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের অভিযোগ, মূল ফটক থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিভাগের সামনে দালালরা রোগী ও স্বজনদের ঘিরে ধরে। দ্রুত চিকিৎসা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা কিংবা বেডের ব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তারা বিভিন্ন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এতে সাধারণ মানুষ যেমন হয়রানির শিকার হচ্ছেন, তেমনি অনেকেই প্রতারণারও শিকার হচ্ছেন।

এদিকে হাসপাতাল চত্বরে চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনাও বেড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন রোগীর স্বজনরা। তাদের দাবি, গত কয়েক দিনে অন্তত কয়েকজনের মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ খোয়া গেছে। হাসপাতালের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলেও চুরি বা ছিনতাইয়ের ঘটনার পর অভিযোগ জানিয়ে কাঙ্ক্ষিত সহযোগিতা মিলছে না।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, কর্তৃপক্ষ অনেক ক্ষেত্রেই সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনায় প্রয়োজনীয় গুরুত্ব দেয় না। ফলে অপরাধীরা শনাক্ত না হওয়ায় একই ধরনের ঘটনা বারবার ঘটছে বলে দাবি তাদের।

রোগী নিয়ে সদর উপজেলার মিরকাদিম থেকে আসা আব্দুল কাদের বলেন, "হাসপাতালে ঢোকার পরপরই কয়েকজন লোক আমাদের ঘিরে ধরে। তারা বাইরে পরীক্ষা করাতে চাপ দিতে থাকে। আমরা রাজি না হওয়ায় বিরক্তি প্রকাশ করে। পরে ভিড়ের মধ্যে আমার পকেট থেকে মানিব্যাগ হারিয়ে যায়। অভিযোগ করলেও কোনো সহযোগিতা পাইনি।"

ইসলামপুর এলাকার বাসিন্দা রুবিনা আক্তার বলেন, "গত কয়েকদিন আগে মাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে গিয়েছিলাম। হঠাৎ দেখি আমার মোবাইলটি ব্যাগে নেই। বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানালেও সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখার বিষয়ে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নিতে দেখিনি।"

মহাকালী ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, "হাসপাতালে রোগী নিয়ে এলেই দালালরা পিছু নেয়। কে কোথায় যাবে, কোন পরীক্ষা করবে—সবকিছুতেই তারা হস্তক্ষেপ করে। এর সঙ্গে চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনাও বাড়ছে। এতে রোগীর স্বজনরা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন।"

আরেক স্বজন নাসরিন বেগম বলেন, "হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে যদি নিজের মোবাইল বা টাকা-পয়সার নিরাপত্তা নিয়েই চিন্তা করতে হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে? প্রশাসনের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।"

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, হাসপাতালজুড়ে দীর্ঘদিন ধরেই দালালচক্র সক্রিয় থাকলেও তাদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো অভিযান বা কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। একই সঙ্গে চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনায়ও কার্যকর পদক্ষেপের অভাব রয়েছে। ফলে প্রতিদিন শত শত রোগী ও স্বজন আতঙ্ক ও ভোগান্তির মধ্যে চিকিৎসাসেবা নিতে বাধ্য হচ্ছেন।

হাসপাতালে প্রতিদিন জেলার বিভিন্ন উপজেলা ছাড়াও আশপাশের এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ চিকিৎসা নিতে আসেন। কিন্তু নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত না হওয়ায় সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। তাদের দাবি, দালালচক্রের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার এবং চুরি-ছিনতাইয়ের প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা নিলে এ ধরনের ভোগান্তি অনেকাংশে কমে আসবে।

এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আরিফুর রহমান বলেন, "দালালদের বিষয়টি এবং ভুক্তভোগীদের মোবাইল ও মানিব্যাগ হারানোর অভিযোগ কয়েক দিন ধরেই শুনছি। আমাদের লোকজন সিভিল পোশাকে তাদের ওপর নজর রাখছে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত সভায় বিষয়টি উপস্থাপন করা হবে। দালাল নির্মূলে সচেষ্ট ভূমিকা পালন করা হবে।"

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
BD-24,.COM

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬


দালালচক্র ও চুরি-ছিনতাইয়ে জিম্মি মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের রোগী-স্বজন

প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

চিকিৎসাসেবা নিতে এসে রোগী ও তাদের স্বজনদের এখন নতুন করে লড়তে হচ্ছে দালালচক্র, চুরি ও ছিনতাইয়ের আতঙ্কের সঙ্গে। মুন্সীগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে প্রতিদিনই দালালদের উৎপাত, মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ চুরির অভিযোগ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা নিয়ে বাড়ছে অসন্তোষ। অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতালের প্রবেশমুখ থেকে শুরু করে বহির্বিভাগ, জরুরি বিভাগ ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের আশপাশে দালালদের অবাধ বিচরণ থাকলেও তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা চোখে পড়ছে না। ফলে চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ মানুষ ভোগান্তি ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের অভিযোগ, মূল ফটক থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিভাগের সামনে দালালরা রোগী ও স্বজনদের ঘিরে ধরে। দ্রুত চিকিৎসা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা কিংবা বেডের ব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তারা বিভিন্ন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এতে সাধারণ মানুষ যেমন হয়রানির শিকার হচ্ছেন, তেমনি অনেকেই প্রতারণারও শিকার হচ্ছেন।

এদিকে হাসপাতাল চত্বরে চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনাও বেড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন রোগীর স্বজনরা। তাদের দাবি, গত কয়েক দিনে অন্তত কয়েকজনের মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ খোয়া গেছে। হাসপাতালের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলেও চুরি বা ছিনতাইয়ের ঘটনার পর অভিযোগ জানিয়ে কাঙ্ক্ষিত সহযোগিতা মিলছে না।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, কর্তৃপক্ষ অনেক ক্ষেত্রেই সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনায় প্রয়োজনীয় গুরুত্ব দেয় না। ফলে অপরাধীরা শনাক্ত না হওয়ায় একই ধরনের ঘটনা বারবার ঘটছে বলে দাবি তাদের।

রোগী নিয়ে সদর উপজেলার মিরকাদিম থেকে আসা আব্দুল কাদের বলেন, "হাসপাতালে ঢোকার পরপরই কয়েকজন লোক আমাদের ঘিরে ধরে। তারা বাইরে পরীক্ষা করাতে চাপ দিতে থাকে। আমরা রাজি না হওয়ায় বিরক্তি প্রকাশ করে। পরে ভিড়ের মধ্যে আমার পকেট থেকে মানিব্যাগ হারিয়ে যায়। অভিযোগ করলেও কোনো সহযোগিতা পাইনি।"

ইসলামপুর এলাকার বাসিন্দা রুবিনা আক্তার বলেন, "গত কয়েকদিন আগে মাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে গিয়েছিলাম। হঠাৎ দেখি আমার মোবাইলটি ব্যাগে নেই। বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানালেও সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখার বিষয়ে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নিতে দেখিনি।"

মহাকালী ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, "হাসপাতালে রোগী নিয়ে এলেই দালালরা পিছু নেয়। কে কোথায় যাবে, কোন পরীক্ষা করবে—সবকিছুতেই তারা হস্তক্ষেপ করে। এর সঙ্গে চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনাও বাড়ছে। এতে রোগীর স্বজনরা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন।"

আরেক স্বজন নাসরিন বেগম বলেন, "হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে যদি নিজের মোবাইল বা টাকা-পয়সার নিরাপত্তা নিয়েই চিন্তা করতে হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে? প্রশাসনের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।"

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, হাসপাতালজুড়ে দীর্ঘদিন ধরেই দালালচক্র সক্রিয় থাকলেও তাদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো অভিযান বা কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। একই সঙ্গে চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনায়ও কার্যকর পদক্ষেপের অভাব রয়েছে। ফলে প্রতিদিন শত শত রোগী ও স্বজন আতঙ্ক ও ভোগান্তির মধ্যে চিকিৎসাসেবা নিতে বাধ্য হচ্ছেন।

হাসপাতালে প্রতিদিন জেলার বিভিন্ন উপজেলা ছাড়াও আশপাশের এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ চিকিৎসা নিতে আসেন। কিন্তু নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত না হওয়ায় সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। তাদের দাবি, দালালচক্রের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার এবং চুরি-ছিনতাইয়ের প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা নিলে এ ধরনের ভোগান্তি অনেকাংশে কমে আসবে।

এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আরিফুর রহমান বলেন, "দালালদের বিষয়টি এবং ভুক্তভোগীদের মোবাইল ও মানিব্যাগ হারানোর অভিযোগ কয়েক দিন ধরেই শুনছি। আমাদের লোকজন সিভিল পোশাকে তাদের ওপর নজর রাখছে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত সভায় বিষয়টি উপস্থাপন করা হবে। দালাল নির্মূলে সচেষ্ট ভূমিকা পালন করা হবে।"


BD-24,.COM

সম্পাদক ও প্রকাশক
মিরাজ হোসেন সুজন
মোবাইল: ০১৭৪৭২৪৩৬৩৭

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।