শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
  • photo-stories ফটো স্টোরি

বিশ্বকাপ

ভিডিও সব ভিডিও

কোন ভিডিও নেই !

আর্কাইভআর্কাইভ

কোন পোস্ট নেই !

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৫২ এএম
বিশ্বকাপ ২০২৬ ট্রফি কোন দল জিতবে?

বিশ্বকাপ ২০২৬ ট্রফি কোন দল জিতবে?

  আর্জেন্টিনা
  ব্রাজিল
  ফ্রান্স
মোট ভোটদাতাঃ ১০ জন
১

বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে বাইরে যাওয়া স্বামীর বাড়িতে ঢুকে নারীকে ধর্ষণ

২

বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে বাইরে যাওয়া স্বামীর বাড়িতে ঢুকে নারীকে ধর্ষণ

৩

১১ দলীয় জোটে টানাপোড়েন, ৭ দলকে নিয়ে হেফাজতের নতুন উদ্যোগ

৪

১১ দলীয় জোটে টানাপোড়েন, ৭ দলকে নিয়ে হেফাজতের নতুন উদ্যোগ

৫

বিএনপি নেতাকর্মীদের ‘খাই খাই’ মানসিকতা বন্ধের আহ্বান এমপি রফিকুল ইসলাম জামালের

৬

‘নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কিছু করার মুরোদ নেই, বিদেশ থেকে শুধু উঁকি–ঝুঁকি দিচ্ছে’—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৭

ভূমধ্যসাগরে অভিবাসী পাচার চক্র ভেঙে দিল স্পেন, গ্রেপ্তার ৭৮

৮

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী, বৃহস্পতিবার থেকে সবার জন্য উন্মুক্ত

৯

এনসিপিকে রাশেদ খানের পরামর্শ, ‘নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে বাদ রেখে যান’

১০

কৃষকের বিক্রি করা পণ্য খুচরা বাজারে দ্বিগুণ দামে বিক্রি, বলছে সিপিডি গবেষণা

জনপ্রিয় সব খবর
১

বিএসএফআইসির কর্মশালা: দাপ্তরিক গতিশীলতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি

২

ইরান যুদ্ধে আটকে ট্রাম্প, বের হওয়ার পথ খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র

৩

মুন্সীগঞ্জের আড়িয়াল বিলের মাছেও প্লাস্টিক দূষণের ছাপ

৪

ইবি ছাত্রীকে হল থেকে সাময়িক বহিষ্কার, ব্যক্তিগত ছবি ছড়ানোর অভিযোগে তদন্ত কমিটি

৫

নারায়ণগঞ্জে গ্যাস লিকেজে বিস্ফোরণ, শিশুসহ একই পরিবারের ৩ জন দগ্ধ

৬

দুবাইয়ে ট্রেড লাইসেন্স জরিমানা কীভাবে চেক ও পরিশোধ করবেন

৭

মায়ের কোলে থাকা দুই বছরের শিশুকে নিয়ে উধাও বাবা, থানায় অভিযোগ

৮

গ্রিসে বাংলাদেশিসহ শতাধিক অভিবাসনপ্রত্যাশী উদ্ধার

৯

স্কুলছাত্রীকে লাথি মারার ভিডিও ভাইরাল, ভুক্তভোগীকেই টিসি দেওয়ার অভিযোগ

১০

সেউতা থেকে অভিবাসী শিশুদের স্পেনে নেওয়ার পরিকল্পনা, নিবন্ধিত ১,৩৪২ শিশু

সর্বশেষ সব খবর

আন্তর্জাতিক

ইরান যুদ্ধে আটকে ট্রাম্প, বের হওয়ার পথ খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরান যুদ্ধে আটকে ট্রাম্প, বের হওয়ার পথ খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও সংকট থেকে বের হওয়ার স্পষ্ট পথ খুঁজে পাচ্ছেন না যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুদ্ধের পরবর্তী ধাপ নিয়ে কূটনৈতিক সমঝোতা ও সামরিক চাপ—দুই বিকল্পের মাঝখানে কঠিন সিদ্ধান্তের মুখে পড়েছে ওয়াশিংটন। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প এখন এমন এক পরিস্থিতিতে রয়েছেন যেখানে যেকোনো সিদ্ধান্তই রাজনৈতিক ও কৌশলগত ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। একদিকে ইরান ও ওমানের মধ্যস্থতায় সম্ভাব্য একটি অন্তর্বর্তী চুক্তি, অন্যদিকে আরও সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি—দুই পথই যুক্তরাষ্ট্রের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। প্রস্তাবিত সমঝোতা হলে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক হতে পারে। তবে এতে ইরান ওই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে প্রভাব বাড়ানোর সুযোগ পেতে পারে বলে উদ্বেগ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এর আগে জোর দিয়ে বলেছিলেন, হরমুজ প্রণালী আন্তর্জাতিক নৌপথ হিসেবে উন্মুক্ত থাকতে হবে এবং কোনো একক দেশের নিয়ন্ত্রণে থাকা উচিত নয়। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার রাজনৈতিক চাপ বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ চলতে থাকলে যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক চাপ আরও বাড়তে পারে। সামনে মধ্যবর্তী নির্বাচন থাকায় জ্বালানির দাম বৃদ্ধি, জনসমর্থনের ঘাটতি এবং দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। একজন সাবেক মার্কিন মধ্যপ্রাচ্য আলোচক বলেন, ট্রাম্পের সামনে এখন একাধিক কঠিন বিকল্প রয়েছে, যার কোনোটিই সহজ সমাধান নয়। সামরিক লক্ষ্য পূরণ নিয়ে প্রশ্ন ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করে আসছে, ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করা হয়েছে এবং দেশটির নেতৃত্বের ওপর বড় আঘাত হানা হয়েছে। তবে অনেক বিশ্লেষকের মতে, যুদ্ধের ঘোষিত প্রধান লক্ষ্যগুলোর বেশিরভাগ এখনো পুরোপুরি অর্জিত হয়নি। ট্রাম্প সম্প্রতি বড় ধরনের নতুন হামলার পরিকল্পনা স্থগিত করার কথা জানান এবং কূটনীতিকে সুযোগ দেওয়ার ইঙ্গিত দেন। তবে একই সঙ্গে প্রয়োজন হলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন। হরমুজ প্রণালী নিয়ে উদ্বেগ বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালী নিয়ে সংকট পুরো অঞ্চলের অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলছে। ইরান এর আগে হুমকি দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র নতুন হামলা চালালে উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চীন, রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়াসহ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোও এই সংঘাত গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। তাদের কাছে এটি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা ও সীমাবদ্ধতা বোঝার একটি সুযোগ হতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতিতে ট্রাম্প প্রশাসনের সামনে বড় প্রশ্ন—যুদ্ধ অব্যাহত রাখা, নাকি কূটনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমে সংকট থেকে বের হওয়ার পথ খোঁজা।

ভূমধ্যসাগরে অভিবাসী পাচার চক্র ভেঙে দিল স্পেন, গ্রেপ্তার ৭৮

ভূমধ্যসাগরে অভিবাসী পাচার চক্র ভেঙে দিল স্পেন, গ্রেপ্তার ৭৮

স্পেনের নেতৃত্বে পরিচালিত এক অভিযানে পশ্চিম ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের অন্যতম বড় অভিবাসী পাচার, মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান চক্র ভেঙে দেওয়ার দাবি করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। অভিযানে ৭৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং জব্দ করা হয়েছে ১৮টি দ্রুতগতির নৌকা। স্পেনের সিভিল গার্ড, ন্যাশনাল পুলিশ, ইউরোপোল এবং ফ্রান্স, পর্তুগাল ও পোল্যান্ডের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ প্রচেষ্টায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। ইউরোপোল জানিয়েছে, ২০২৩ সালে শুরু হওয়া এই অভিযান গত ১৬ জুনের বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়। কর্তৃপক্ষের দাবি, চক্রটি অভিবাসীদের অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ উপায়ে ইউরোপে প্রবেশ করাত। অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই ছোট নৌকায় করে উত্তাল সমুদ্র পাড়ি দিতে বাধ্য করা হতো তাদের। অনেক সময় যাত্রীদের নিরাপত্তাহীন অবস্থায় নৌকায় রাখা হতো বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। স্পেনের সিভিল গার্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এটি ছিল ভূমধ্যসাগরে শনাক্ত হওয়া সবচেয়ে জটিল ও বিপজ্জনক আন্তঃদেশীয় অপরাধী নেটওয়ার্কগুলোর একটি। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে স্পেনে ৭৭ জন এবং আলজেরিয়ায় একজন রয়েছেন। তাদের মধ্যে তিনজনকে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অধিকাংশই আলজেরিয়ার নাগরিক এবং ফ্রান্স, বেলজিয়াম, পর্তুগাল, ইতালি ও পোল্যান্ডের অপরাধী গোষ্ঠীর সঙ্গে তাদের যোগাযোগ ছিল বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। অভিযানে স্পেনের আলিকান্তে, আলমেরিয়া, কার্টাজেনা ও মুরসিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় ১৭টি স্থানে তল্লাশি চালানো হয়। তদন্তকারীদের ভাষ্য, এই চক্রটি একটি ‘লজিস্টিক কোম্পানির’ মতো কাজ করত। তারা ইউরোপ ও আলজেরিয়ার মধ্যে দুই দিকের সমুদ্রপথ পরিচালনা করত—দক্ষিণে সিনথেটিক মাদক এবং উত্তরে স্পেনে অভিবাসী পাঠাত। কর্তৃপক্ষ জানায়, চক্রটি অন্তত ৬৪টি অভিবাসী পাচার অভিযান পরিচালনা করে দুই হাজারের বেশি মানুষকে স্পেনে নিয়ে এসেছে। এতে তাদের আয় হয়েছে প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ ইউরো। প্রতিটি অভিবাসীর কাছ থেকে সর্বোচ্চ ১২ হাজার ইউরো পর্যন্ত নেওয়া হতো বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া চক্রটি অন্যান্য অপরাধী সংগঠনকে নৌকা সংরক্ষণ, জ্বালানি সরবরাহ, নৌযান রক্ষণাবেক্ষণ, পরিবহন এবং নজরদারি এড়ানোর মতো সেবাও দিত বলে জানিয়েছে ইউরোপোল। সাম্প্রতিক সময়ে মরক্কো থেকে স্পেনের উত্তর আফ্রিকান অঞ্চল সেউতায় বিপুলসংখ্যক অভিবাসীর প্রবেশের ঘটনা আন্তর্জাতিক মনোযোগ কাড়ে। এর পরপরই এই পাচার চক্রের বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান চালানোর তথ্য সামনে এলো।

ওমানের সঙ্গে সমঝোতার পথে ইরান, তবুও খুলছে না হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি

ওমানের সঙ্গে সমঝোতার পথে ইরান, তবুও খুলছে না হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি

হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে ওমানের সঙ্গে নতুন একটি সমঝোতা চূড়ান্ত করার পথে রয়েছে ইরান। তবে তেহরান জানিয়েছে, শুধু ওমানের সঙ্গে চুক্তি হলেই বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে যাবে—বিষয়টি এমন নয়। ইরানের দাবি, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল নির্বিঘ্ন করতে হলে যুক্তরাষ্ট্রকে কয়েকটি পদক্ষেপ নিতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা, ইরানের বিরুদ্ধে নেওয়া কিছু পদক্ষেপ প্রত্যাহার এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি বলেন, ওয়াশিংটনকে এমন কিছু সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে হবে, যেগুলো তেহরানের দৃষ্টিতে পূর্ববর্তী সমঝোতার বিরোধী। ইরানের পক্ষ থেকে যেসব দাবির কথা বলা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে দেশটির বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত নৌসংক্রান্ত বাধা প্রত্যাহার, তেল খাতের নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা এবং জব্দ করা সম্পদ নিয়ে আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া। গারিবাবাদি বলেন, হরমুজ প্রণালি নিয়ে নতুন সমঝোতা আগের কোনো চুক্তির ধারাবাহিকতা নয়; বরং বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় একটি নতুন কাঠামো তৈরি করা হচ্ছে। তিনি জানান, নতুন ব্যবস্থায় হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের রুটেও পরিবর্তন আসতে পারে। বাণিজ্যিক জাহাজের একটি অংশ ইরানের জলসীমা এবং অন্য অংশ ওমানের জলসীমা ব্যবহার করতে পারে। তবে ইরান জানিয়েছে, শান্তিপূর্ণ সময়ে নিয়মিতভাবে হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখার কোনো নীতি তাদের নেই। তেহরানের মতে, নতুন ব্যবস্থা হবে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও নৌ চলাচলের ভারসাম্য বজায় রাখার একটি পদ্ধতি। বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি ইরানের জন্য শুধু একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক পথ নয়, বরং আঞ্চলিক রাজনীতি ও কূটনৈতিক আলোচনার ক্ষেত্রেও একটি বড় কৌশলগত হাতিয়ার। ফলে ওমানের সঙ্গে সমঝোতা হলেও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্কের অগ্রগতি ছাড়া এই নৌপথে পুরোপুরি স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরতে সময় লাগতে পারে।

ইউরোপজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ, ইতালিতে সর্বোচ্চ সতর্কতা—বিদ্যুৎ বাঁচাতে আলো বন্ধ

ইউরোপজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ, ইতালিতে সর্বোচ্চ সতর্কতা—বিদ্যুৎ বাঁচাতে আলো বন্ধ

তীব্র তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত ইউরোপের বিভিন্ন দেশ। ইতালিতে বৃহস্পতিবার দেশটির প্রধান শহরগুলোতে সর্বোচ্চ পর্যায়ের স্বাস্থ্য সতর্কতা জারি করা হয়েছে। অন্যদিকে বিদ্যুৎ সংকট ও অতিরিক্ত চাহিদার চাপ সামাল দিতে হাঙ্গেরির গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনায় রাতের আলোকসজ্জা বন্ধ করা হয়েছে। এদিকে দানিয়ুব নদীর পানির স্তর রেকর্ড পরিমাণ কমে যাওয়ায় হাঙ্গেরি ও রোমানিয়ার পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনেও প্রভাব পড়েছে। নদীর পানি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের শীতলীকরণ ব্যবস্থায় ব্যবহৃত হওয়ায় উৎপাদন কমিয়ে দিতে হয়েছে। ইউরোপ বর্তমানে তীব্র তাপপ্রবাহ, দাবানল ও খরার মতো একাধিক সমস্যার মুখোমুখি। চলতি গ্রীষ্মে ফ্রান্স ও স্পেনসহ কয়েকটি দেশে ভয়াবহ দাবানলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নও ভবিষ্যতে দাবানলের ঝুঁকি কমাতে সদস্য দেশগুলোকে আরও বেশি বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছে। ইতালিতে ৪০ ডিগ্রির ওপরে তাপমাত্রা ইতালিতে তাপপ্রবাহের তীব্রতা এতটাই বেড়েছে যে দক্ষিণের সিসিলি থেকে শুরু করে উত্তরের পার্বত্য অঞ্চল পর্যন্ত বিভিন্ন শহরে সর্বোচ্চ পর্যায়ের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দীর্ঘ সময় ধরে অতিরিক্ত তাপমাত্রা অব্যাহত থাকায় সাধারণ মানুষের জন্যও গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার উত্তরাঞ্চলের এমিলিয়া-রোমানিয়া অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়। রাভেন্নার কাছে বাগনাকাভালো এলাকায় তাপমাত্রা ৪২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়। তীব্র গরমের মধ্যেও ইতালির আসিসি শহরে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়ো হন। গরম থেকে স্বস্তি দিতে সেখানে পানি ছিটানোর ব্যবস্থা করা হয়। রোমে পর্যটকদের অনেকে ছাতা ব্যবহার করছেন এবং শহরের বিভিন্ন ফোয়ারার পানি দিয়ে সাময়িক স্বস্তি নেওয়ার চেষ্টা করছেন। বিদ্যুৎ বাঁচাতে স্থাপনায় আলো বন্ধ হাঙ্গেরিতে তীব্র গরমের কারণে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় হাঙ্গেরিতে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর অপ্রয়োজনীয় ও আলংকারিক আলো রাতে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বুদাপেস্টের পার্লামেন্ট ভবন, বুদা ক্যাসেলের বিভিন্ন অংশ এবং চেইন ব্রিজসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতেও রাতের আলোকসজ্জা কমানো হয়েছে। এর মধ্যে দানিয়ুব নদীর পানির স্তর রেকর্ড কমে যাওয়ায় দেশটির একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদনেও বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রটি শীতলীকরণের জন্য নদীর পানি ব্যবহার করে। রোমানিয়াতেও পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে শঙ্কা পার্শ্ববর্তী রোমানিয়াও একই ধরনের সংকটে পড়েছে। দেশটির একমাত্র সচল পারমাণবিক রিঅ্যাক্টরের জন্য দানিয়ুব নদী থেকে পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষ বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। রাজধানী বুখারেস্টে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য সড়কের বাতির তীব্রতা কমানো হয়েছে। পাশাপাশি রাতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ভবন ও জাদুঘরের আলোকসজ্জাও বন্ধ রাখা হচ্ছে। মলদোভাতেও তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়েছে। দেশটির সরকার নাগরিকদের বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। বিদ্যুৎ ঘাটতি মোকাবিলায় প্রয়োজন হলে পর্যায়ক্রমে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। রাইন নদীতেও পানির সংকট শুধু দানিয়ুব নয়, জার্মানির রাইন নদীর পানির স্তর কমে যাওয়ায় নৌপরিবহনেও সমস্যা দেখা দিয়েছে। পানির গভীরতা কম থাকায় অনেক জাহাজকে পূর্ণ সক্ষমতার তুলনায় কম পণ্য নিয়ে চলতে হচ্ছে। এতে পরিবহন ব্যয় বাড়ছে। ইউরোপের গুরুত্বপূর্ণ এই নদীপথ দিয়ে শস্য, খনিজ, কয়লা ও বিভিন্ন জ্বালানি পণ্য পরিবহন করা হয়। ১১ ডিগ্রি তাপমাত্রার গুহায় পর্যটকদের আশ্রয় তীব্র গরম থেকে বাঁচতে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনায় পর্যটকদের কেউ কেউ আশ্রয় নিচ্ছেন ভিয়েত্রেনিৎসা গুহায়। বাইরে তাপমাত্রা প্রায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলেও গুহাটির ভেতরের তাপমাত্রা সারা বছর প্রায় ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে। ইউনেস্কোর তালিকাভুক্ত এই গুহাটি জীববৈচিত্র্যের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। পরিবেশগত সংবেদনশীলতার কারণে সেখানে দর্শনার্থীর সংখ্যা সীমিত রাখা হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইউরোপে ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা ও চরম আবহাওয়ার ঘটনা জনস্বাস্থ্য, কৃষি, বিদ্যুৎ উৎপাদন, পরিবহন ও পরিবেশ—সব ক্ষেত্রেই বাড়তি চাপ তৈরি করছে।

জাতীয়

টঙ্গিবাড়ীতে মালদ্বীপের রাষ্ট্রদূত, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় ও সোনারং জোড়া মঠ পরিদর্শন

টঙ্গিবাড়ীতে মালদ্বীপের রাষ্ট্রদূত, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় ও সোনারং জোড়া মঠ পরিদর্শন

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার ঐতিহাসিক সোনারং জোড়া মঠ ও কাঠাদিয়া সার্ক হাই স্কুল পরিদর্শন করেছেন মালদ্বীপের রাষ্ট্রদূত এইচ.ই. শুইনীন রশীদ। শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে টঙ্গিবাড়ী সফরে এসে তিনি স্থানীয় শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। পরে উপজেলার অন্যতম ঐতিহাসিক স্থাপনা সোনারং জোড়া মঠ ঘুরে দেখেন। সকালে কাঠাদিয়া সার্ক হাই স্কুলে পৌঁছালে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা মালদ্বীপের রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান। পরে তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়ে অংশ নেন। মতবিনিময়কালে রাষ্ট্রদূত শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, স্বপ্ন ও আগ্রহের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন। শিক্ষার্থীরাও তাদের ভবিষ্যৎ লক্ষ্য ও প্রত্যাশার কথা রাষ্ট্রদূতের কাছে তুলে ধরে। এ সময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে রাষ্ট্রদূতের কথোপকথন ছিল প্রাণবন্ত ও আন্তরিক। সরাসরি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যেও উৎসাহ দেখা যায়। বিদ্যালয় পরিদর্শন শেষে দুপুর দেড়টার দিকে টঙ্গিবাড়ীর সোনারং এলাকায় অবস্থিত ঐতিহাসিক সোনারং জোড়া মঠ পরিদর্শনে যান তিনি। সেখানে রাষ্ট্রদূত মঠের স্থাপত্যশৈলী, নির্মাণকৌশল ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব সম্পর্কে অবগত হন। ঐতিহাসিক স্থাপনাটির বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখার পাশাপাশি স্থানীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সম্পর্কেও ধারণা নেন। সোনারং জোড়া মঠ মুন্সীগঞ্জের অন্যতম ঐতিহাসিক স্থাপনা হিসেবে পরিচিত। প্রাচীন স্থাপত্যের নিদর্শন হিসেবে মঠটি দীর্ঘদিন ধরে দেশি-বিদেশি দর্শনার্থীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু। মালদ্বীপের রাষ্ট্রদূতের এ পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে মুন্সীগঞ্জের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও পরিচিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। রাষ্ট্রদূতের টঙ্গিবাড়ী সফরকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যেও উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। একজন বিদেশি রাষ্ট্রদূতের ঐতিহাসিক স্থাপনা পরিদর্শন এবং স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়কে ইতিবাচকভাবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এ ধরনের আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সফর মুন্সীগঞ্জের ঐতিহাসিক স্থাপনা, প্রত্নসম্পদ, স্থানীয় সংস্কৃতি ও পর্যটন সম্ভাবনার প্রতি বিদেশিদের আগ্রহ বাড়াতে ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো সংরক্ষণ এবং দেশ-বিদেশে এর পরিচিতি তুলে ধরার ক্ষেত্রেও এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

১০ আগস্ট ২০২৬, ০৩:১৯ পিএম

খেলাধুলা

১১ দলীয় জোটে টানাপোড়েন, ৭ দলকে নিয়ে হেফাজতের নতুন উদ্যোগ

১১ দলীয় জোটে টানাপোড়েন, ৭ দলকে নিয়ে হেফাজতের নতুন উদ্যোগ

জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যে দেখা দিয়েছে নতুন সংশয়। জোটের কর্মসূচি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন। একই সময়ে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের উদ্যোগে কওমি ধারার সাতটি দলকে নিয়ে নতুন ঐক্যের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আসন সমঝোতা এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জামায়াতের একক অংশগ্রহণের গুঞ্জনে খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। জোটে অন্যান্য দলকে উপযুক্ত মূল্যায়ন না করার অভিযোগ তুলে দল দুটি আলাদাভাবে কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। তবে এখনই ১১-দলীয় ঐক্য আনুষ্ঠানিকভাবে ভেঙে যাচ্ছে না বলে দাবি করছে জামায়াতসহ সংশ্লিষ্ট দলগুলো। গত ১৬ জুলাই চট্টগ্রামে হেফাজতের আমিরের সভাপতিত্বে সাতটি ইসলামি দলের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। কওমি ধারার দলগুলোর পারস্পরিক বিভেদ কমিয়ে ভবিষ্যতে একসঙ্গে পথচলার বিষয়ে আগামী ৩ আগস্টের মধ্যে লিখিত প্রস্তাব চাওয়া হয়েছে। তবে হেফাজত ও সংশ্লিষ্ট দলগুলোর নেতারা জানান, এটি মূলত ধর্মীয় বিষয়ে এক থাকার উদ্যোগ, সরাসরি কোনো রাজনৈতিক জোট নয়। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও জোটের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ দাবি করেছেন, দল দুটি এখনও জোটে রয়েছে। কওমি ধারার সাত দলকে নিয়ে হেফাজতের এই উদ্যোগের পেছনে সরকারের ইন্ধন রয়েছে বলেও তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন। সব মিলিয়ে ১১-দলীয় ঐক্যের ভবিষ্যৎ ও ইসলামি দলগুলোর এই উদ্যোগ কোনো নতুন রাজনৈতিক রূপ নেয় কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

২৬ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৫ পিএম

অর্থনীতি

বিএসএফআইসির কর্মশালা: দাপ্তরিক গতিশীলতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি

বিএসএফআইসির কর্মশালা: দাপ্তরিক গতিশীলতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি

প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি, আইনগত বিষয় সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা এবং সরকারি বিধিবিধান পালনে কর্মকর্তাদের সচেতনতা বাড়াতে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের (বিএসএফআইসি) উদ্যোগে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘মামলা পরিচালনা, বার্ষিক গোপনীয় অনুবেদন (এসিআর) লিখন, সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ (সংশোধিত) এবং অফিস ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করা হয় গত ৩ সেপ্টেম্বর সকালে রাজধানীর দিলকুশায় চিনিশিল্প ভবনের নবম তলায়। দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিএসএফআইসির ৩০ জন কর্মকর্তা অংশ নেন। বিএসএফআইসির চেয়ারম্যান মো. শামছুজ্জামান সুরুজ কর্মশালার উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, প্রশাসনিক কাজে গতিশীলতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সরকারি ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থার কর্মকর্তাদের সার্ভিস রুলস, শৃঙ্খলা বিধি ও অফিস ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান থাকা জরুরি। বিশেষ করে বিধি অনুযায়ী মামলা পরিচালনা ও বার্ষিক গোপনীয় অনুবেদন (এসিআর) মূল্যায়ন প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান কর্মকর্তারা নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে কার্যকরভাবে প্রয়োগ করতে সক্ষম হবেন। কর্মশালায় বিশেষজ্ঞ প্রশিক্ষকরা সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ (সংশোধিত)-এর হালনাগাদ প্রয়োগ, সরকারি নথি ব্যবস্থাপনা এবং মামলা পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যবহারিক বিষয় তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্থার পরিচালক (ইক্ষু উন্নয়ন ও গবেষণা) ড. আব্দুল আলীম খান, পরিচালক (উৎপাদন ও প্রকৌশল) মোহাম্মদ সাঈদ-উর-রহমান, পরিচালক (অর্থ) তাহমিনা আক্তার, পরিচালক (বাণিজ্যিক) আজহারুল ইসলাম এবং সংস্থার সচিব মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান। এ ছাড়া বিভিন্ন বিভাগের প্রধান ও বিএসএফআইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডলারের বিপরীতে দক্ষিণ এশিয়ায় শক্ত অবস্থানে বাংলাদেশি টাকা

ডলারের বিপরীতে দক্ষিণ এশিয়ায় শক্ত অবস্থানে বাংলাদেশি টাকা

গত এক বছরে দক্ষিণ এশিয়া ও আশপাশের কয়েকটি দেশের মুদ্রার তুলনায় বাংলাদেশি টাকা বেশ স্থিতিশীল অবস্থান ধরে রেখেছে। ২০২৫ সালের মার্চ থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন হয়েছে মাত্র ০.৫৯ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের ত্রৈমাসিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, একই সময়ে বাংলাদেশের চেয়ে সামান্য ভালো অবস্থানে ছিল কম্বোডিয়া। দেশটির মুদ্রার অবমূল্যায়ন হয়েছে ০.৪৪ শতাংশ। অন্যদিকে, এ অঞ্চলের বড় অর্থনীতিগুলোর মধ্যে ভারতের রুপির অবমূল্যায়ন ছিল সবচেয়ে বেশি। এক বছরে মার্কিন ডলারের বিপরীতে ভারতীয় রুপির মান কমেছে ৮.৯৪ শতাংশ। এছাড়া শ্রীলঙ্কার রুপি ৫.১১ শতাংশ, ফিলিপাইনের পেসো ৩.৭০ শতাংশ এবং ইন্দোনেশিয়ার রুপিয়া ২.৬৭ শতাংশ অবমূল্যায়িত হয়েছে। তবে কয়েকটি দেশের মুদ্রা ডলারের বিপরীতে শক্তিশালী হয়েছে। এর মধ্যে চীনের ইউয়ানের মান বেড়েছে ৫.১৪ শতাংশ, যা আলোচিত দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি। পাকিস্তানি রুপির মানও বেড়েছে ০.৩৯ শতাংশ। বাজারভিত্তিক বিনিময় হার বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মতে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত অনুযায়ী ২০২৫ সালের মে মাসে বাজারভিত্তিক বিনিময় হার ব্যবস্থা চালু করা হয়। এরপর মুদ্রাবাজারের অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে বৈদেশিক মুদ্রা ও মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, রেমিট্যান্স প্রবাহ ও রপ্তানি আয় বাড়ায় বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে চাপ কিছুটা কমেছে। একই সঙ্গে এর ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও তুলনামূলক স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে, ৩০ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৩১.৬০ বিলিয়ন ডলার। এক বছর আগে একই সময়ে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২৪.৮৬ বিলিয়ন ডলার। ডলারের সঙ্গে টাকার অবস্থান গত এক বছরে মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার মূলত ১২২ থেকে ১২৩ টাকার মধ্যে ওঠানামা করেছে। এতে টাকার বিনিময় হারে তুলনামূলক স্থিতিশীলতার চিত্র পাওয়া যায়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে আমদানি ব্যয় মেটাতে বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা বাড়ায় ডলারের দাম কিছুটা বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ৪ আগস্ট আন্তঃব্যাংক বাজারে প্রতি মার্কিন ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২৩.৮১ টাকা। কয়েক দিন আগে এই হার ছিল ১২৩.৬৯ টাকা। অর্থনীতিবিদদের মতে, রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় ধারাবাহিকভাবে শক্তিশালী থাকা এবং বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে কার্যকর ব্যবস্থাপনা বজায় রাখা গেলে ভবিষ্যতেও টাকার বিনিময় হার তুলনামূলক স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হতে পারে।

বাংলাদেশি পিইটি ফিল্মের বিরুদ্ধে ভারতের অ্যান্টি–ডাম্পিং তদন্ত, শুনানি ৬ আগস্ট

বাংলাদেশ থেকে ভারতে রপ্তানি হওয়া পর বিরুদ্ধে অ্যান্টি–ডাম্পিং তদন্ত শুরু করেছে ভারত। খাদ্য, ওষুধ, প্রসাধনী ও শিল্পপণ্যের মোড়ক তৈরিতে ব্যবহৃত এই পণ্যের রপ্তানি নিয়ে ভারতীয় উৎপাদকদের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে দেশটির বাণিজ্য প্রতিকার মহাপরিদপ্তর (ডিজিটিআর)। তদন্তের অংশ হিসেবে আগামী ৬ আগস্ট ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে মৌখিক শুনানির আয়োজন করেছে ডিজিটিআর। বাংলাদেশের পাশাপাশি চীন ও থাইল্যান্ড থেকে ভারতে রপ্তানি হওয়া পিইটি ফিল্মও এই তদন্তের আওতায় রয়েছে। বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ডিজিটিআর গত ১৩ জুলাই এক চিঠির মাধ্যমে শুনানির বিষয়টি জানিয়েছে। ভারতীয় উৎপাদকদের অভিযোগ ভারতীয় উৎপাদকদের অভিযোগ, বাংলাদেশ, চীন ও থাইল্যান্ড থেকে ডাম্পিং মূল্যে পিইটি ফিল্ম ভারতে রপ্তানি হচ্ছে। এতে দেশটির স্থানীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে দাবি করে তারা এই পণ্যের ওপর অ্যান্টি–ডাম্পিং শুল্ক আরোপের আবেদন করেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য ও তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহের জন্য শুনানির আয়োজন করা হয়েছে। অ্যান্টি–ডাম্পিং শুল্ক কী? অ্যান্টি–ডাম্পিং শুল্ক হলো বিশেষ ধরনের অতিরিক্ত আমদানি শুল্ক। কোনো দেশ মনে করলে যে বিদেশি প্রতিষ্ঠান অস্বাভাবিক কম দামে পণ্য রপ্তানি করে স্থানীয় শিল্পকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে, তখন তদন্ত শেষে এ ধরনের শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। তবে শুধু অভিযোগের ভিত্তিতে নয়, তদন্তে ডাম্পিংয়ের প্রমাণ পাওয়া গেলেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শুনানিতে অংশ নেবে বাংলাদেশ তদন্ত প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের রপ্তানিকারক, ভারতীয় উৎপাদক, আমদানিকারক ও অন্যান্য অংশীজন নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরার সুযোগ পাবেন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের আকিজ বায়াক্স ফিল্মস লিমিটেড, নয়াদিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন এবং ভারতের আবেদনকারী প্রতিষ্ঠান চিরিপাল পলি ফিল্মস লিমিটেড, ইস্টার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ও ভ্যাকমেট ইন্ডিয়া লিমিটেডকে সংশ্লিষ্ট পক্ষ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। শুনানিতে অংশ নিতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে প্রতিষ্ঠানের নাম, দেশের নাম, যোগাযোগের তথ্য, অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তা বা আইনজীবীর পরিচয় জমা দিতে হবে। শুনানিতে দেওয়া বক্তব্য পরে লিখিত আকারেও জমা দিতে হবে। বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তদন্ত বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পিইটি ফিল্ম বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় রপ্তানি পণ্যগুলোর একটি। ভারত এই পণ্যের অন্যতম বড় বাজার হওয়ায় তদন্তটি বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে এখনো তদন্ত শেষ হয়নি এবং অভিযোগের বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। মৌখিক শুনানির পর লিখিত বক্তব্য, পাল্টা যুক্তি ও অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করবে ডিজিটিআর। এরপর তারা সুপারিশ দেবে। সেই সুপারিশের ভিত্তিতে ভারত সরকার প্রয়োজন মনে করলে অ্যান্টি–ডাম্পিং শুল্ক আরোপ করতে পারে। শুল্ক না দেওয়ার অনুরোধ করবে বাংলাদেশ বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশ পিইটি ফিল্মের বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করবে এবং ভারত সরকারকে অনুরোধ জানাবে, যাতে এ পণ্যের ওপর অ্যান্টি–ডাম্পিং শুল্ক আরোপ করা না হয়। তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে শিগগিরই ভারত সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে। ডাম্পিংয়ের অভিযোগ অস্বীকার আকিজের বাংলাদেশ থেকে ভারতে পিইটি ফিল্ম রপ্তানির অন্যতম প্রতিষ্ঠান আকিজ বায়াক্স ফিল্মস লিমিটেড। ময়মনসিংহের ত্রিশালে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটি ২০১৯ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, তারা বাজারভিত্তিক দামে পণ্য রপ্তানি করছে এবং কোনো ধরনের ডাম্পিংয়ের সঙ্গে জড়িত নয়। আকিজ বায়াক্স ফিল্মসের অন্যতম কর্ণধার শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, শুনানিতে তারা নিজেদের অবস্থান ও প্রয়োজনীয় তথ্য তুলে ধরবেন। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, বছরে প্রায় ১০ হাজার টন পিইটি ফিল্ম রপ্তানি করা হয়। দেশের বাজারেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পণ্য সরবরাহ করা হচ্ছে। আগেও বাংলাদেশি পণ্যে তদন্ত করেছে ভারত বাংলাদেশি পণ্যের বিরুদ্ধে ভারতের এটি প্রথম অ্যান্টি–ডাম্পিং তদন্ত নয়। ২০১৭ সাল থেকে বাংলাদেশের পাট ও পাটজাত পণ্যের ওপর অ্যান্টি–ডাম্পিং শুল্ক কার্যকর রয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হওয়া হাইড্রোজেন পারক্সাইডের ওপরও ভারতের অ্যান্টি–ডাম্পিং শুল্ক রয়েছে। এর আগে রহিমআফরোজের ব্যাটারি, ফ্লোট গ্লাস ও ফিশিং নেট নিয়েও ভারত অ্যান্টি–ডাম্পিং তদন্ত করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এমন তদন্ত স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ হলেও বাংলাদেশের রপ্তানি স্বার্থ রক্ষায় যথাযথ তথ্য-প্রমাণ ও কূটনৈতিক উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশি পিইটি ফিল্মের বিরুদ্ধে ভারতের অ্যান্টি–ডাম্পিং তদন্ত, শুনানি ৬ আগস্ট

বাংলাদেশি পিইটি ফিল্মের বিরুদ্ধে ভারতের অ্যান্টি–ডাম্পিং তদন্ত, শুনানি ৬ আগস্ট

বাংলাদেশ থেকে ভারতে রপ্তানি হওয়া পর বিরুদ্ধে অ্যান্টি–ডাম্পিং তদন্ত শুরু করেছে ভারত। খাদ্য, ওষুধ, প্রসাধনী ও শিল্পপণ্যের মোড়ক তৈরিতে ব্যবহৃত এই পণ্যের রপ্তানি নিয়ে ভারতীয় উৎপাদকদের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে দেশটির বাণিজ্য প্রতিকার মহাপরিদপ্তর (ডিজিটিআর)। তদন্তের অংশ হিসেবে আগামী ৬ আগস্ট ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে মৌখিক শুনানির আয়োজন করেছে ডিজিটিআর। বাংলাদেশের পাশাপাশি চীন ও থাইল্যান্ড থেকে ভারতে রপ্তানি হওয়া পিইটি ফিল্মও এই তদন্তের আওতায় রয়েছে। বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ডিজিটিআর গত ১৩ জুলাই এক চিঠির মাধ্যমে শুনানির বিষয়টি জানিয়েছে। ভারতীয় উৎপাদকদের অভিযোগ ভারতীয় উৎপাদকদের অভিযোগ, বাংলাদেশ, চীন ও থাইল্যান্ড থেকে ডাম্পিং মূল্যে পিইটি ফিল্ম ভারতে রপ্তানি হচ্ছে। এতে দেশটির স্থানীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে দাবি করে তারা এই পণ্যের ওপর অ্যান্টি–ডাম্পিং শুল্ক আরোপের আবেদন করেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য ও তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহের জন্য শুনানির আয়োজন করা হয়েছে। অ্যান্টি–ডাম্পিং শুল্ক কী? অ্যান্টি–ডাম্পিং শুল্ক হলো বিশেষ ধরনের অতিরিক্ত আমদানি শুল্ক। কোনো দেশ মনে করলে যে বিদেশি প্রতিষ্ঠান অস্বাভাবিক কম দামে পণ্য রপ্তানি করে স্থানীয় শিল্পকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে, তখন তদন্ত শেষে এ ধরনের শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। তবে শুধু অভিযোগের ভিত্তিতে নয়, তদন্তে ডাম্পিংয়ের প্রমাণ পাওয়া গেলেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শুনানিতে অংশ নেবে বাংলাদেশ তদন্ত প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের রপ্তানিকারক, ভারতীয় উৎপাদক, আমদানিকারক ও অন্যান্য অংশীজন নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরার সুযোগ পাবেন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের আকিজ বায়াক্স ফিল্মস লিমিটেড, নয়াদিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন এবং ভারতের আবেদনকারী প্রতিষ্ঠান চিরিপাল পলি ফিল্মস লিমিটেড, ইস্টার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ও ভ্যাকমেট ইন্ডিয়া লিমিটেডকে সংশ্লিষ্ট পক্ষ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। শুনানিতে অংশ নিতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে প্রতিষ্ঠানের নাম, দেশের নাম, যোগাযোগের তথ্য, অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তা বা আইনজীবীর পরিচয় জমা দিতে হবে। শুনানিতে দেওয়া বক্তব্য পরে লিখিত আকারেও জমা দিতে হবে। বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তদন্ত বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পিইটি ফিল্ম বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় রপ্তানি পণ্যগুলোর একটি। ভারত এই পণ্যের অন্যতম বড় বাজার হওয়ায় তদন্তটি বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে এখনো তদন্ত শেষ হয়নি এবং অভিযোগের বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। মৌখিক শুনানির পর লিখিত বক্তব্য, পাল্টা যুক্তি ও অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করবে ডিজিটিআর। এরপর তারা সুপারিশ দেবে। সেই সুপারিশের ভিত্তিতে ভারত সরকার প্রয়োজন মনে করলে অ্যান্টি–ডাম্পিং শুল্ক আরোপ করতে পারে। শুল্ক না দেওয়ার অনুরোধ করবে বাংলাদেশ বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশ পিইটি ফিল্মের বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করবে এবং ভারত সরকারকে অনুরোধ জানাবে, যাতে এ পণ্যের ওপর অ্যান্টি–ডাম্পিং শুল্ক আরোপ করা না হয়। তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে শিগগিরই ভারত সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে। ডাম্পিংয়ের অভিযোগ অস্বীকার আকিজের বাংলাদেশ থেকে ভারতে পিইটি ফিল্ম রপ্তানির অন্যতম প্রতিষ্ঠান আকিজ বায়াক্স ফিল্মস লিমিটেড। ময়মনসিংহের ত্রিশালে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটি ২০১৯ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, তারা বাজারভিত্তিক দামে পণ্য রপ্তানি করছে এবং কোনো ধরনের ডাম্পিংয়ের সঙ্গে জড়িত নয়। আকিজ বায়াক্স ফিল্মসের অন্যতম কর্ণধার শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, শুনানিতে তারা নিজেদের অবস্থান ও প্রয়োজনীয় তথ্য তুলে ধরবেন। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, বছরে প্রায় ১০ হাজার টন পিইটি ফিল্ম রপ্তানি করা হয়। দেশের বাজারেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পণ্য সরবরাহ করা হচ্ছে। আগেও বাংলাদেশি পণ্যে তদন্ত করেছে ভারত বাংলাদেশি পণ্যের বিরুদ্ধে ভারতের এটি প্রথম অ্যান্টি–ডাম্পিং তদন্ত নয়। ২০১৭ সাল থেকে বাংলাদেশের পাট ও পাটজাত পণ্যের ওপর অ্যান্টি–ডাম্পিং শুল্ক কার্যকর রয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হওয়া হাইড্রোজেন পারক্সাইডের ওপরও ভারতের অ্যান্টি–ডাম্পিং শুল্ক রয়েছে। এর আগে রহিমআফরোজের ব্যাটারি, ফ্লোট গ্লাস ও ফিশিং নেট নিয়েও ভারত অ্যান্টি–ডাম্পিং তদন্ত করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এমন তদন্ত স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ হলেও বাংলাদেশের রপ্তানি স্বার্থ রক্ষায় যথাযথ তথ্য-প্রমাণ ও কূটনৈতিক উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশি পিইটি ফিল্মের বিরুদ্ধে ভারতের অ্যান্টি–ডাম্পিং তদন্ত, শুনানি ৬ আগস্ট

কৃষকের বিক্রি করা পণ্য খুচরা বাজারে দ্বিগুণ দামে বিক্রি, বলছে সিপিডি গবেষণা

কৃষক যে দামে উৎপাদিত কৃষিপণ্য বিক্রি করেন, খুচরা বাজারে ভোক্তাকে অনেক ক্ষেত্রে সেই পণ্য প্রায় দ্বিগুণ দামে কিনতে হয়। বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) এক গবেষণায় দেশের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের মূল্যশৃঙ্খলে এমন চিত্র উঠে এসেছে। রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টার ইনে আয়োজিত ‘খাদ্যের মূল্যশৃঙ্খল: বাংলাদেশের বাজার ব্যবস্থা, মুনাফা ও মধ্যস্বত্বভোগী’ শীর্ষক সংলাপে গবেষণার ফলাফল তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। গবেষণায় দেখা যায়, কৃষক পর্যায়ে প্রতি কেজি মাঝারি চালের গড় বিক্রয় মূল্য ৩০ টাকা ৬৫ পয়সা হলেও বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে খুচরা বাজারে একই চাল বিক্রি হয় ৫৯ টাকা ৬৯ পয়সায়। অর্থাৎ কৃষক পর্যায়ের তুলনায় ভোক্তা পর্যায়ে চালের দাম প্রায় ১০০ শতাংশ বেড়ে যায়। সিপিডির বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সবচেয়ে বড় মূল্যবৃদ্ধি ঘটে ধান প্রক্রিয়াজাত হয়ে চালে রূপান্তরের পর্যায়ে। শুধু চাল নয়, অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় কৃষিপণ্যেও একই প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। গবেষণা অনুযায়ী, কৃষক থেকে ভোক্তা পর্যায়ে পৌঁছাতে ডালের দাম ৭৮ শতাংশ, দেশি পেঁয়াজ ৮৭ শতাংশ, আলু ৫০ শতাংশ এবং বেগুন ৭২ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়। সবচেয়ে বেশি মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে কাঁচামরিচে, যার দাম কৃষক পর্যায় থেকে খুচরা বাজারে পৌঁছাতে প্রায় ১১৬ শতাংশ বেড়েছে। সিপিডির গবেষণায় বলা হয়েছে, কোনো পণ্যের সরবরাহ শৃঙ্খল যত দীর্ঘ এবং মধ্যস্বত্বভোগীর সংখ্যা যত বেশি, ভোক্তা পর্যায়ে সেই পণ্যের মূল্যবৃদ্ধিও তত বেশি হয়। বিপরীতে ডিম, মাছ, মুরগি ও গরুর মাংসের মতো পণ্যে মধ্যস্বত্বভোগী তুলনামূলক কম থাকায় মূল্যবৃদ্ধি ১০ থেকে ২৫ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। গবেষণার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির জ্যেষ্ঠ গবেষণা সহযোগী ফখরুদ্দিন আল কবীর। তিনি বলেন, উৎপাদক ও খুচরা বিক্রেতার মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বাড়াতে হবে, কোল্ড-চেইন অবকাঠামো ও আধুনিক পরিবহন ব্যবস্থা উন্নত করতে হবে এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট, কারসাজি ও অবৈধ কমিশন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশের খাদ্য মূল্যস্ফীতি দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ পর্যায়ে থাকার অন্যতম কারণ লজিস্টিক ব্যয়। বিশ্বে যেখানে গড়ে জিডিপির প্রায় ১০ শতাংশ লজিস্টিক ব্যয় হিসেবে বিবেচিত হয়, সেখানে বাংলাদেশে তা প্রায় ১৬ শতাংশ। এই ব্যয় কমানো গেলে খাদ্যপণ্যের দামও উল্লেখযোগ্যভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে। তিনি আরও বলেন, বাজারে তথ্যের অসমতা কৃষকদের ক্ষতিগ্রস্ত করছে। কৃষিপণ্যের উৎপাদন থেকে ভোক্তা পর্যন্ত পুরো সরবরাহ শৃঙ্খলে ট্রেসেবিলিটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে কোনো পর্যায়ে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি বা অতিরিক্ত ব্যয় সহজেই শনাক্ত করা যায়। সংলাপে সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, খাদ্য মূল্যস্ফীতি সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলছে নিম্নআয়ের পরিবারগুলোর ওপর। কারণ তাদের আয়ের বড় অংশই খাদ্য কেনায় ব্যয় হয়। তাই উৎপাদন খরচ, সরবরাহ ব্যবস্থা, বাজার প্রতিযোগিতা ও মজুদদারিসহ সব দিক বিবেচনায় নিয়ে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

কৃষকের বিক্রি করা পণ্য খুচরা বাজারে দ্বিগুণ দামে বিক্রি, বলছে সিপিডি গবেষণা

আন্তর্জাতিক বাজারে কমেছে সয়াবিনের দাম, বৃষ্টির পূর্বাভাসে স্বস্তি

আন্তর্জাতিক বাজারে সয়াবিনের দাম কমেছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য-পশ্চিমাঞ্চলে (মিডওয়েস্ট) পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাসের কারণে শিকাগো বোর্ড অব ট্রেডে (সিবিওটি) সয়াবিনের বাজারদরে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও হেলেনিক শিপিং নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান উৎপাদন অঞ্চলগুলোতে চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। সয়াবিন গাছে শুঁটি ধরা ও ফলন বৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এ বৃষ্টি ফসলের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা। বুধবার সিবিওটিতে নভেম্বর মাসের সরবরাহ চুক্তিতে সয়াবিনের দাম বুশেলপ্রতি ২৭ দশমিক ২৫ সেন্ট কমে ১১ ডলার ৯২ সেন্টে নেমে আসে। এর আগে অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ (ইউএসডিএ) সয়াবিনের গুণগত মানের পূর্বাভাস কিছুটা কমিয়েছিল। তবে বৃষ্টির সম্ভাবনার খবরে বাজারে সেই নেতিবাচক প্রভাব অনেকটাই কমেছে। বিশ্ববাজারে সয়াবিনের চাহিদা শক্তিশালী থাকায় বড় ধরনের দরপতন ঠেকানো সম্ভব হয়েছে। সয়াবিন প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান বাঞ্জ গ্লোবালও চলতি বছরের মুনাফার পূর্বাভাস বাড়িয়েছে, যা বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এদিকে সয়াবিনের পাশাপাশি শিকাগো বাজারে ভুট্টার দামও কমেছে। ভুট্টার দাম বুশেলপ্রতি ৮ দশমিক ৭৫ সেন্ট কমে ৪ ডলার ৭১ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। গমের দামও কিছুটা কমে বুশেলপ্রতি ৬ ডলার ৬০ সেন্টে নেমেছে। বিশ্লেষকদের মতে, গমের বৈশ্বিক সরবরাহ ভালো থাকায় দাম বড় আকারে বাড়েনি। তবে কৃষ্ণ সাগর অঞ্চলের সামরিক উত্তেজনার কারণে সরবরাহ ব্যবস্থায় সম্ভাব্য বাধা নিয়ে বাজারে সতর্কতা রয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে কমেছে সয়াবিনের দাম, বৃষ্টির পূর্বাভাসে স্বস্তি

বিনোদন

সকল জেলার খবর

রাজনীতি

আর্কাইভ

শিক্ষাঙ্গন

১১ দলীয় জোটে টানাপোড়েন, ৭ দলকে নিয়ে হেফাজতের নতুন উদ্যোগ

১১ দলীয় জোটে টানাপোড়েন, ৭ দলকে নিয়ে হেফাজতের নতুন উদ্যোগ

জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যে দেখা দিয়েছে নতুন সংশয়। জোটের কর্মসূচি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন। একই সময়ে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের উদ্যোগে কওমি ধারার সাতটি দলকে নিয়ে নতুন ঐক্যের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আসন সমঝোতা এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জামায়াতের একক অংশগ্রহণের গুঞ্জনে খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। জোটে অন্যান্য দলকে উপযুক্ত মূল্যায়ন না করার অভিযোগ তুলে দল দুটি আলাদাভাবে কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। তবে এখনই ১১-দলীয় ঐক্য আনুষ্ঠানিকভাবে ভেঙে যাচ্ছে না বলে দাবি করছে জামায়াতসহ সংশ্লিষ্ট দলগুলো। গত ১৬ জুলাই চট্টগ্রামে হেফাজতের আমিরের সভাপতিত্বে সাতটি ইসলামি দলের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। কওমি ধারার দলগুলোর পারস্পরিক বিভেদ কমিয়ে ভবিষ্যতে একসঙ্গে পথচলার বিষয়ে আগামী ৩ আগস্টের মধ্যে লিখিত প্রস্তাব চাওয়া হয়েছে। তবে হেফাজত ও সংশ্লিষ্ট দলগুলোর নেতারা জানান, এটি মূলত ধর্মীয় বিষয়ে এক থাকার উদ্যোগ, সরাসরি কোনো রাজনৈতিক জোট নয়। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও জোটের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ দাবি করেছেন, দল দুটি এখনও জোটে রয়েছে। কওমি ধারার সাত দলকে নিয়ে হেফাজতের এই উদ্যোগের পেছনে সরকারের ইন্ধন রয়েছে বলেও তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন। সব মিলিয়ে ১১-দলীয় ঐক্যের ভবিষ্যৎ ও ইসলামি দলগুলোর এই উদ্যোগ কোনো নতুন রাজনৈতিক রূপ নেয় কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

ধর্ম

২০২৭ সালের হজ নিবন্ধন শুরু কাল, প্রাথমিক নিবন্ধনে লাগবে সাড়ে ৩ লাখ টাকা

২০২৭ সালের হজ নিবন্ধন শুরু কাল, প্রাথমিক নিবন্ধনে লাগবে সাড়ে ৩ লাখ টাকা

২০২৭ সালের হজে গমনেচ্ছুদের জন্য প্রাথমিক নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হচ্ছে আগামীকাল (২৭ জুলাই)। হজযাত্রীরা আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রাথমিক নিবন্ধনের কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবেন। সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত হজ কার্যক্রমের রোডম্যাপ অনুযায়ী এ সময়সূচি নির্ধারণ করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সরকারি ও বেসরকারি যেকোনো মাধ্যমে হজের প্রাথমিক নিবন্ধনের জন্য সাড়ে ৩ লাখ টাকা জমা দিতে হবে। তবে প্রাথমিক নিবন্ধনের আগে হজযাত্রীদের বাধ্যতামূলকভাবে ৩০ হাজার টাকা দিয়ে প্রাক-নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। প্রাথমিক নিবন্ধন সম্পন্নকারীদের আগামী ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে হজ প্যাকেজের বাকি অর্থ পরিশোধ করে চূড়ান্ত নিবন্ধন করতে হবে। যেভাবে নিবন্ধন করা যাবে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যেতে আগ্রহীরা ই-হজ সিস্টেম (hajj.gov.bd)-এ ইউজার তৈরি করে নিজেরাই নিবন্ধন করতে পারবেন। এছাড়া ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, জেলা ও উপজেলা মডেল মসজিদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম অফিস এবং ঢাকা হজ অফিস থেকেও নিবন্ধন করা যাবে। সরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীদের সোনালী ব্যাংকের যেকোনো শাখায় ভাউচারের মাধ্যমে টাকা জমা দিতে হবে। অন্যদিকে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যেতে আগ্রহীদের সংশ্লিষ্ট হজ এজেন্সির নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে অর্থ জমা দিতে হবে। যাদের জন্য হজে যাওয়া নিষেধ ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১৫ বছরের কম বয়সী কেউ হজে যেতে পারবেন না। এছাড়া হৃদযন্ত্র, ফুসফুস, লিভার বা কিডনি রোগ, স্নায়ুবিক বা মানসিক সমস্যা, ডিমেনশিয়া, কেমোথেরাপি, বায়োলজিক্যাল থেরাপি বা রেডিওথেরাপি গ্রহণকারী ক্যান্সার রোগী হজে যেতে পারবেন না। জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ সংক্রামক রোগ যেমন যক্ষ্মা ও হেমোরেজিক ফিভারে আক্রান্ত ব্যক্তিদেরও হজে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না। এছাড়া গর্ভাবস্থার শেষ দুই মাস এবং ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থায় থাকা নারীরা ফিটনেস সনদ পাবেন না। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও শর্ত প্রাথমিক নিবন্ধনের সময় হজযাত্রীদের হজের ধরন, প্যাকেজ নির্বাচন, প্রশিক্ষণ ও টিকা গ্রহণের জেলা নির্ধারণ করতে হবে। এছাড়া হজযাত্রীদের কাছে ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মেয়াদ থাকা পাসপোর্ট থাকতে হবে।

১০ আগস্ট ২০২৬, ০৩:১৯ পিএম

সম্পাদকীয়

১১ দলীয় জোটে টানাপোড়েন, ৭ দলকে নিয়ে হেফাজতের নতুন উদ্যোগ

১১ দলীয় জোটে টানাপোড়েন, ৭ দলকে নিয়ে হেফাজতের নতুন উদ্যোগ

জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যে দেখা দিয়েছে নতুন সংশয়। জোটের কর্মসূচি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন। একই সময়ে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের উদ্যোগে কওমি ধারার সাতটি দলকে নিয়ে নতুন ঐক্যের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আসন সমঝোতা এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জামায়াতের একক অংশগ্রহণের গুঞ্জনে খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। জোটে অন্যান্য দলকে উপযুক্ত মূল্যায়ন না করার অভিযোগ তুলে দল দুটি আলাদাভাবে কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। তবে এখনই ১১-দলীয় ঐক্য আনুষ্ঠানিকভাবে ভেঙে যাচ্ছে না বলে দাবি করছে জামায়াতসহ সংশ্লিষ্ট দলগুলো। গত ১৬ জুলাই চট্টগ্রামে হেফাজতের আমিরের সভাপতিত্বে সাতটি ইসলামি দলের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। কওমি ধারার দলগুলোর পারস্পরিক বিভেদ কমিয়ে ভবিষ্যতে একসঙ্গে পথচলার বিষয়ে আগামী ৩ আগস্টের মধ্যে লিখিত প্রস্তাব চাওয়া হয়েছে। তবে হেফাজত ও সংশ্লিষ্ট দলগুলোর নেতারা জানান, এটি মূলত ধর্মীয় বিষয়ে এক থাকার উদ্যোগ, সরাসরি কোনো রাজনৈতিক জোট নয়। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও জোটের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ দাবি করেছেন, দল দুটি এখনও জোটে রয়েছে। কওমি ধারার সাত দলকে নিয়ে হেফাজতের এই উদ্যোগের পেছনে সরকারের ইন্ধন রয়েছে বলেও তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন। সব মিলিয়ে ১১-দলীয় ঐক্যের ভবিষ্যৎ ও ইসলামি দলগুলোর এই উদ্যোগ কোনো নতুন রাজনৈতিক রূপ নেয় কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

১১ দলীয় জোটে টানাপোড়েন, ৭ দলকে নিয়ে হেফাজতের নতুন উদ্যোগ

১১ দলীয় জোটে টানাপোড়েন, ৭ দলকে নিয়ে হেফাজতের নতুন উদ্যোগ

জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যে দেখা দিয়েছে নতুন সংশয়। জোটের কর্মসূচি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন। একই সময়ে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের উদ্যোগে কওমি ধারার সাতটি দলকে নিয়ে নতুন ঐক্যের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আসন সমঝোতা এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জামায়াতের একক অংশগ্রহণের গুঞ্জনে খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। জোটে অন্যান্য দলকে উপযুক্ত মূল্যায়ন না করার অভিযোগ তুলে দল দুটি আলাদাভাবে কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। তবে এখনই ১১-দলীয় ঐক্য আনুষ্ঠানিকভাবে ভেঙে যাচ্ছে না বলে দাবি করছে জামায়াতসহ সংশ্লিষ্ট দলগুলো। গত ১৬ জুলাই চট্টগ্রামে হেফাজতের আমিরের সভাপতিত্বে সাতটি ইসলামি দলের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। কওমি ধারার দলগুলোর পারস্পরিক বিভেদ কমিয়ে ভবিষ্যতে একসঙ্গে পথচলার বিষয়ে আগামী ৩ আগস্টের মধ্যে লিখিত প্রস্তাব চাওয়া হয়েছে। তবে হেফাজত ও সংশ্লিষ্ট দলগুলোর নেতারা জানান, এটি মূলত ধর্মীয় বিষয়ে এক থাকার উদ্যোগ, সরাসরি কোনো রাজনৈতিক জোট নয়। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও জোটের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ দাবি করেছেন, দল দুটি এখনও জোটে রয়েছে। কওমি ধারার সাত দলকে নিয়ে হেফাজতের এই উদ্যোগের পেছনে সরকারের ইন্ধন রয়েছে বলেও তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন। সব মিলিয়ে ১১-দলীয় ঐক্যের ভবিষ্যৎ ও ইসলামি দলগুলোর এই উদ্যোগ কোনো নতুন রাজনৈতিক রূপ নেয় কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে বাইরে যাওয়া স্বামীর বাড়িতে ঢুকে নারীকে ধর্ষণ

গাইবান্ধার সাঘাটায় বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল দেখতে স্বামী বাইরে থাকার সুযোগে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আতিকুর রহমানের নামে সাঘাটা থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।গতমঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুরে সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুর রহমান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে সোমবার (২০ জুলাই) রাতে ভুক্তভোগীর মা মোছা. মনোয়ারা বেগম বাদী হয়ে সাঘাটা থানায় মামলাটি করেন। অভিযুক্ত আতিকুর রহমান মুক্তিনগর ইউনিয়নের বেলতলী গ্রামের বাসিন্দা।ভুক্তভোগী বলেন, আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলা দেখতে তার স্বামী রাতে বাড়ির বাইরে যান। এই সুযোগে অভিযুক্ত আতিকুর রহমান ঘরে ঢুকে তার মুখ চেপে ধরেন এবং ওড়না দিয়ে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ করেন।অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে আতিকুর রহমানের সঙ্গে সরাসরি ও ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।এ বিষয়ে বোনারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নাসিরুল স্বপন বলেন, ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে স্থানীয় ইউপি সদস্যের সঙ্গে কথা বলেছি, তিনি বিষয়টি সত্য বলে জানিয়েছেন। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক।

বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে বাইরে যাওয়া স্বামীর বাড়িতে ঢুকে নারীকে ধর্ষণ

বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে বাইরে যাওয়া স্বামীর বাড়িতে ঢুকে নারীকে ধর্ষণ

গাইবান্ধার সাঘাটায় বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল দেখতে স্বামী বাইরে থাকার সুযোগে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আতিকুর রহমানের নামে সাঘাটা থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।গতমঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুরে সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুর রহমান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে সোমবার (২০ জুলাই) রাতে ভুক্তভোগীর মা মোছা. মনোয়ারা বেগম বাদী হয়ে সাঘাটা থানায় মামলাটি করেন। অভিযুক্ত আতিকুর রহমান মুক্তিনগর ইউনিয়নের বেলতলী গ্রামের বাসিন্দা।ভুক্তভোগী বলেন, আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলা দেখতে তার স্বামী রাতে বাড়ির বাইরে যান। এই সুযোগে অভিযুক্ত আতিকুর রহমান ঘরে ঢুকে তার মুখ চেপে ধরেন এবং ওড়না দিয়ে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ করেন।অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে আতিকুর রহমানের সঙ্গে সরাসরি ও ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।এ বিষয়ে বোনারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নাসিরুল স্বপন বলেন, ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে স্থানীয় ইউপি সদস্যের সঙ্গে কথা বলেছি, তিনি বিষয়টি সত্য বলে জানিয়েছেন। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক।

বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে বাইরে যাওয়া স্বামীর বাড়িতে ঢুকে নারীকে ধর্ষণ
বিশ্বকাপ হাইলাইটস
কোন ছবি নেই !

সম্পাদকীয় স্পেশাল

সব দেখুন

মতামত

শান্ত হত্যা মামলার বিচার হলে কি নতুন অপরাধ ঠেকানো যেত?

শান্ত হত্যা মামলার বিচার হলে কি নতুন অপরাধ ঠেকানো যেত?

একটি হত্যাকাণ্ডের বিচার দীর্ঘদিন ঝুলে থাকলে কিংবা আইনি প্রক্রিয়া ধীরগতির হলে সমাজে ভুল বার্তা যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করা না গেলে ভুক্তভোগী পরিবার যেমন ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়, তেমনি আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার প্রতিও মানুষের আস্থা কমে যায়। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রাজু আহমেদ হত্যার ঘটনায় যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাদের দায় বা নির্দোষিতা নির্ধারণের দায়িত্ব আদালতের। তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগে কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা আইন ও ন্যায়বিচারের নীতির পরিপন্থী। তবে কোনো ব্যক্তি আগে থেকেই গুরুতর অপরাধের মামলায় অভিযুক্ত থাকলে এবং তার বিরুদ্ধে পুনরায় নতুন কোনো অভিযোগ ওঠে, তাহলে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে গুরুত্বের সঙ্গে তদন্তের দাবি রাখে। মুন্সীগঞ্জ জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবু ইলিয়াস শান্ত সরকার হত্যা মামলাসহ আলোচিত সব হত্যাকাণ্ডের বিচার যদি দ্রুত, স্বচ্ছ ও কার্যকরভাবে সম্পন্ন হয়, তাহলে সমাজে আইনের শাসনের প্রতি আস্থা বাড়বে। অনেকের মতে, বিচারপ্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা অপরাধীদের মধ্যে আইনের প্রতি ভয় কমিয়ে দিতে পারে। তাই অপরাধের অভিযোগে জড়িতদের ক্ষেত্রে দ্রুত তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করা জরুরি। বিচারহীনতার সংস্কৃতি কোনো সভ্য সমাজের জন্য কাম্য নয়। একটি হত্যাকাণ্ডের বিচার শুধু একটি পরিবারের ন্যায়বিচারের বিষয় নয়; এটি পুরো সমাজে নিরাপত্তা, আস্থা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই আলোচিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত, দ্রুত বিচার এবং অপরাধ প্রমাণিত হলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা সময়ের দাবি। একই সঙ্গে নিরপরাধ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই একটি নিরাপদ ও আস্থাশীল সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

১০ আগস্ট ২০২৬, ০৩:১৯ পিএম

লাইফস্টাইল

আজ বিশ্ব লিপস্টিক দিবস: সৌন্দর্য নয়, আত্মবিশ্বাস ও ব্যক্তিত্বেরও প্রতীক

আজ বিশ্ব লিপস্টিক দিবস: সৌন্দর্য নয়, আত্মবিশ্বাস ও ব্যক্তিত্বেরও প্রতীক

আজ ২৯ জুলাই বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে জাতীয় লিপস্টিক দিবস (National Lipstick Day)। এটি সরকারি কোনো ছুটির দিন না হলেও সৌন্দর্যপ্রেমী, প্রসাধনী ব্যবহারকারী এবং ফ্যাশনসচেতন মানুষের কাছে দিনটির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। দিনটি উপলক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন প্রসাধনী প্রতিষ্ঠান নতুন শেডের লিপস্টিক উন্মোচন, বিশেষ মূল্যছাড় এবং প্রচারণামূলক নানা আয়োজন করে থাকে। লিপস্টিক এখন আর শুধু একটি প্রসাধনী নয়; এটি আত্মবিশ্বাস, ব্যক্তিত্ব প্রকাশ এবং ফ্যাশনের গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ প্রতিদিন নিজেদের সাজে লিপস্টিক ব্যবহার করেন। কারও কাছে এটি দৈনন্দিন সৌন্দর্যচর্চার অংশ, আবার কারও কাছে এটি নিজের রুচি ও স্বকীয়তা প্রকাশের মাধ্যম। পাঁচ হাজার বছরের ইতিহাস লিপস্টিকের ইতিহাস প্রায় পাঁচ হাজার বছর পুরোনো। ইতিহাসবিদদের মতে, প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার মানুষ মূল্যবান পাথর গুঁড়ো করে ঠোঁটে রঙ ব্যবহার করতেন। পরে প্রাচীন মিসরে লাল ঠোঁট সৌন্দর্য, ক্ষমতা ও সামাজিক মর্যাদার প্রতীক হয়ে ওঠে। ইতিহাসে উল্লেখ রয়েছে, মিশরের রানি ক্লিওপেট্রা প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি ঠোঁটের প্রসাধনী ব্যবহার করতেন। প্রাচীন গ্রিস ও রোমেও ঠোঁট রাঙানোর প্রচলন ছিল। সময়ের সঙ্গে সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনের কারণে এর জনপ্রিয়তায় ওঠানামা দেখা গেলেও আধুনিক যুগে এটি আবার সৌন্দর্যচর্চার অন্যতম প্রধান উপকরণে পরিণত হয়। আধুনিক লিপস্টিকের যাত্রা আধুনিক লিপস্টিকের বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু হয় ১৮৮৪ সালে। প্রথমদিকে কাগজে মোড়ানো অবস্থায় এটি বাজারজাত করা হতো। পরে ধাতব টিউবের আবরণযুক্ত লিপস্টিক বাজারে এলে এর ব্যবহার আরও সহজ ও জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। চলচ্চিত্র, ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি এবং বিজ্ঞাপনের প্রভাবে লিপস্টিক দ্রুত বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা লাভ করে। বর্তমানে লাল লিপস্টিক সবচেয়ে জনপ্রিয় শেডগুলোর একটি। এটি আত্মবিশ্বাস, শক্তি ও আকর্ষণের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। পাশাপাশি গোলাপি, বাদামি, ন্যুড, বেগুনি, প্রবালসহ বিভিন্ন রঙের লিপস্টিকও ব্যাপক জনপ্রিয়। ব্যবহারে সতর্কতা সৌন্দর্য বিশেষজ্ঞদের মতে, লিপস্টিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে শুধু রঙ নয়, এর মানের দিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া উচিত। নিজের ত্বকের রঙের সঙ্গে মানানসই শেড নির্বাচন, ভালো মানের প্রসাধনী ব্যবহার, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য এড়িয়ে চলা এবং দিনের শেষে ঠোঁট পরিষ্কার রাখা প্রয়োজন। হাজার বছরের ইতিহাস পেরিয়ে লিপস্টিক আজ শুধু সাজসজ্জার সামগ্রী নয়; এটি ফ্যাশন, সংস্কৃতি, আত্মবিশ্বাস ও ব্যক্তিত্বের প্রতীক। তাই জাতীয় লিপস্টিক দিবস কেবল সৌন্দর্য উদযাপনের দিন নয়, বরং এই জনপ্রিয় প্রসাধনীর দীর্ঘ ইতিহাস ও বিবর্তনকে স্মরণ করারও একটি উপলক্ষ।

সিক্স-প্যাকের জন্য শুধু সিট-আপ নয়, কার্যকর ৫ ব্যায়াম

সিক্স-প্যাকের জন্য শুধু সিট-আপ নয়, কার্যকর ৫ ব্যায়াম

সিনেমা কিংবা টেলিভিশনে সিক্স-প্যাক শরীরের দৃশ্য দেখলে অনেকেরই ধারণা হয়, পেটের পেশি গঠনের জন্য সিট-আপই সবচেয়ে কার্যকর ব্যায়াম। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই প্রচলিত ধারণা পুরোপুরি সঠিক নয়। শুধু সিট-আপ করলেই শক্তিশালী অ্যাবস বা কোর তৈরি করা সম্ভব নয়। ইউনিভার্সিটি অব ইস্ট লন্ডনের স্ট্রেংথ অ্যান্ড কন্ডিশনিং বিশেষজ্ঞ ড. লি ব্রাউনের মতে, সিট-আপে পেটের পেশি কাজ করলেও এটি অ্যাবসকে আলাদা করে প্রশিক্ষণ দেওয়ার সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি নয়। কারণ এই ব্যায়ামে পেটের পেশির পাশাপাশি হিপ ফ্লেক্সর বা কোমরের সামনের দিকের পেশিও বড় ভূমিকা পালন করে। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন অতিরিক্ত সিট-আপ করলে কোমরের নিচের অংশে চাপ তৈরি হতে পারে এবং পেশির ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে। অতিরিক্ত সিট-আপে হতে পারে সমস্যা বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত সিট-আপ করার ফলে— কোমরের নিচের অংশে ব্যথা দেখা দিতে পারে; হিপ ফ্লেক্সর পেশি শক্ত ও টানটান হয়ে যেতে পারে; শরীরের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হয়ে কোমরের ওপর বাড়তি চাপ পড়তে পারে। তাই কেবল সিট-আপের ওপর নির্ভর না করে কোর পেশি শক্তিশালী করার জন্য বিভিন্ন কার্যকর ব্যায়াম করা প্রয়োজন। অ্যাবস ও কোর শক্তিশালী করার ৫ কার্যকর ব্যায়াম ১. প্ল্যাঙ্ক প্ল্যাঙ্ক হলো শরীর স্থির রেখে করা একটি কার্যকর কোর ব্যায়াম। এটি পেট, কোমর ও শরীরের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণকারী পেশি শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। ২. সাইড প্ল্যাঙ্ক এই ব্যায়াম পেটের পাশের পেশি ও শরীরের স্থিতিশীলতা বাড়াতে কার্যকর। ৩. ফার্মার্স ক্যারি দুই হাতে ভারী ওজন নিয়ে হাঁটার এই ব্যায়াম পুরো শরীরের কোর শক্তি বৃদ্ধি করে। এটি শরীরের ভারসাম্য ও শক্তি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। ৪. স্যুটকেস ক্যারি এক হাতে ওজন নিয়ে হাঁটার এই ব্যায়াম শরীরের ভারসাম্য ধরে রাখার ক্ষমতা বাড়ায় এবং কোর পেশিকে সক্রিয় করে। ৫. বার্ড ডগ চার হাত-পায়ে ভর দিয়ে বিপরীত হাত ও পা ওঠানোর এই ব্যায়াম কোমর ও কোরের নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে সহায়ক। প্ল্যাঙ্কে সফলতার উদাহরণ বিশেষজ্ঞ ড. লি ব্রাউন জানান, এক স্প্রিন্টার দীর্ঘদিন সিট-আপ করার পরও কোমরের সমস্যায় ভুগছিলেন। পরে তিনি প্ল্যাঙ্ক অনুশীলন শুরু করেন। ছয় সপ্তাহের মধ্যে তার প্ল্যাঙ্ক ধরে রাখার ক্ষমতা ৩০ সেকেন্ডের কম সময় থেকে বেড়ে প্রায় সাত মিনিটে পৌঁছায় এবং কোমরের ব্যথাও কমে যায়। সিক্স-প্যাকের জন্য প্রয়োজন নিয়মিত অনুশীলন বিশেষজ্ঞদের মতে, সিক্স-প্যাক বা দৃশ্যমান অ্যাবস তৈরি শুধু একটি ব্যায়ামের ওপর নির্ভর করে না। নিয়মিত ব্যায়াম, সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং শরীরের সামগ্রিক ফিটনেস বজায় রাখাই গুরুত্বপূর্ণ। সিট-আপ সম্পূর্ণ অকার্যকর নয়, তবে কোরের শক্তি, স্থায়িত্ব ও নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর জন্য প্ল্যাঙ্ক, ক্যারি এবং ব্যালান্সভিত্তিক ব্যায়ামগুলো অনেক ক্ষেত্রে বেশি কার্যকর হতে পারে। দ্য গার্ডিয়ান

প্রতিদিন এক মাস আদা খেলে শরীরে কী পরিবর্তন হতে পারে?

আদা শুধু রান্নার স্বাদ বাড়ানোর উপকরণ নয়, বহু বছর ধরে এটি ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসায়ও ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এতে থাকা বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদান শরীরের জন্য সম্ভাব্য কিছু উপকার বয়ে আনতে পারে বলে গবেষণায় উঠে এসেছে। আদার অন্যতম সক্রিয় উপাদান জিঞ্জেরল (Gingerol)। এটি বমিভাব কমাতে সহায়তা করতে পারে এবং শরীরের প্রদাহজনিত সমস্যা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণে আদা খেলে এক মাসের মধ্যে সম্ভাব্য কিছু পরিবর্তন দেখা যেতে পারে— বমিভাব কমাতে সহায়ক আদা বিশেষ করে ভ্রমণজনিত বমিভাব বা হালকা বমির অনুভূতি কমাতে সহায়ক হতে পারে।  প্রদাহ কমাতে ভূমিকা আদার প্রাকৃতিক উপাদান শরীরের প্রদাহ কমাতে সহায়তা করতে পারে, যা জয়েন্টের অস্বস্তির ক্ষেত্রে কিছু মানুষের উপকারে আসতে পারে।  হৃদ্‌স্বাস্থ্যে সম্ভাব্য উপকার কিছু গবেষণায় আদার সঙ্গে কোলেস্টেরল ও রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের সম্ভাব্য সম্পর্ক পাওয়া গেছে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় সহায়তা আদায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সমর্থন করতে পারে। মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যে ভূমিকা আদার কিছু যৌগ অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করতে পারে, যা মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আদা কোনো রোগের চিকিৎসার বিকল্প নয়। অতিরিক্ত পরিমাণে আদা খেলে কিছু মানুষের পেটে অস্বস্তি, বুকজ্বালা বা অন্যান্য সমস্যা হতে পারে। তাই নিয়মিত বেশি পরিমাণে খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

প্রতিদিন এক মাস আদা খেলে শরীরে কী পরিবর্তন হতে পারে?

হোটেলের মতো সুস্বাদু মিশ্র সবজি রান্নার সহজ রেসিপি, জেনে নিন গোপন কৌশল

অনেকেই ভাবেন, নামিদামি হোটেলের সবজি এত সুস্বাদু হয় কীভাবে। একই উপকরণ ব্যবহার করেও ঘরে সেই স্বাদ পাওয়া যায় না। এর মূল রহস্য লুকিয়ে থাকে রান্নার কৌশল, মসলা কষানোর সঠিক ধাপ এবং শেষের বিশেষ তড়কায়। কয়েকটি সহজ কৌশল অনুসরণ করলেই ঘরেই তৈরি করা সম্ভব হোটেল-স্টাইল সুস্বাদু মিশ্র সবজি। প্রয়োজনীয় উপকরণ গাজর কাঁচা পেঁপে আলু ফুলকপি বরবটি মিষ্টি কুমড়া পেঁয়াজ আদা বাটা রসুন বাটা ধনিয়া গুঁড়ো জিরা গুঁড়ো হলুদ গুঁড়ো গোটা গরম মসলা বাদাম বাটা কাঁচা মরিচ তেল লবণ প্রস্তুত প্রণালি প্রথমে একটি হাঁড়িতে পানি ফুটিয়ে সামান্য লবণ দিন। এরপর গাজর, কাঁচা পেঁপে ও আলু দিয়ে ৩–৪ মিনিট সেদ্ধ করুন। পরে ফুলকপি, বরবটি এবং শেষে মিষ্টি কুমড়া দিয়ে সবজি প্রায় ৮০ শতাংশ সিদ্ধ হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন। সবজি তুলে রাখুন এবং সেদ্ধ করা পানি সংরক্ষণ করুন। এবার একটি কড়াইয়ে তেল গরম করে গোটা গরম মসলা ফোড়ন দিন। সুগন্ধ বের হলে কুচি করা পেঁয়াজ দিয়ে হালকা বাদামি হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। এরপর আদা ও রসুন বাটা দিয়ে ভালোভাবে কষিয়ে নিন। তারপর অল্প করে সবজি সেদ্ধ করা পানি যোগ করুন। ধনিয়া গুঁড়ো, জিরা গুঁড়ো, হলুদ গুঁড়ো ও লবণ দিয়ে মসলা ভালোভাবে কষাতে থাকুন। মসলা থেকে তেল আলাদা হয়ে এলে বাদাম বাটা ও কাঁচা মরিচ দিয়ে আরও কিছুক্ষণ রান্না করুন। এরপর সেদ্ধ সবজি যোগ করে আলতোভাবে মিশিয়ে ঢেকে ৫–৭ মিনিট রান্না করুন, যাতে সবজিগুলো মসলা ভালোভাবে শুষে নেয়। সবশেষে আলাদা একটি প্যানে সামান্য তেল গরম করে জিরা ও শুকনো মরিচের ফোড়ন দিন। এরপর কুচি করা পেঁয়াজ লালচে করে ভেজে সেই তড়কা সবজির ওপর ঢেলে দিন। পরিবেশন গরম ভাত, পোলাও, পরোটা কিংবা রুটির সঙ্গে পরিবেশন করুন সুস্বাদু হোটেল-স্টাইল মিশ্র সবজি।

হোটেলের মতো সুস্বাদু মিশ্র সবজি রান্নার সহজ রেসিপি, জেনে নিন গোপন কৌশল

১১ দলীয় জোটে টানাপোড়েন, ৭ দলকে নিয়ে হেফাজতের নতুন উদ্যোগ

জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যে দেখা দিয়েছে নতুন সংশয়। জোটের কর্মসূচি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন। একই সময়ে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের উদ্যোগে কওমি ধারার সাতটি দলকে নিয়ে নতুন ঐক্যের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আসন সমঝোতা এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জামায়াতের একক অংশগ্রহণের গুঞ্জনে খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। জোটে অন্যান্য দলকে উপযুক্ত মূল্যায়ন না করার অভিযোগ তুলে দল দুটি আলাদাভাবে কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। তবে এখনই ১১-দলীয় ঐক্য আনুষ্ঠানিকভাবে ভেঙে যাচ্ছে না বলে দাবি করছে জামায়াতসহ সংশ্লিষ্ট দলগুলো। গত ১৬ জুলাই চট্টগ্রামে হেফাজতের আমিরের সভাপতিত্বে সাতটি ইসলামি দলের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। কওমি ধারার দলগুলোর পারস্পরিক বিভেদ কমিয়ে ভবিষ্যতে একসঙ্গে পথচলার বিষয়ে আগামী ৩ আগস্টের মধ্যে লিখিত প্রস্তাব চাওয়া হয়েছে। তবে হেফাজত ও সংশ্লিষ্ট দলগুলোর নেতারা জানান, এটি মূলত ধর্মীয় বিষয়ে এক থাকার উদ্যোগ, সরাসরি কোনো রাজনৈতিক জোট নয়। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও জোটের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ দাবি করেছেন, দল দুটি এখনও জোটে রয়েছে। কওমি ধারার সাত দলকে নিয়ে হেফাজতের এই উদ্যোগের পেছনে সরকারের ইন্ধন রয়েছে বলেও তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন। সব মিলিয়ে ১১-দলীয় ঐক্যের ভবিষ্যৎ ও ইসলামি দলগুলোর এই উদ্যোগ কোনো নতুন রাজনৈতিক রূপ নেয় কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

১১ দলীয় জোটে টানাপোড়েন, ৭ দলকে নিয়ে হেফাজতের নতুন উদ্যোগ

১১ দলীয় জোটে টানাপোড়েন, ৭ দলকে নিয়ে হেফাজতের নতুন উদ্যোগ

জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যে দেখা দিয়েছে নতুন সংশয়। জোটের কর্মসূচি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন। একই সময়ে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের উদ্যোগে কওমি ধারার সাতটি দলকে নিয়ে নতুন ঐক্যের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আসন সমঝোতা এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জামায়াতের একক অংশগ্রহণের গুঞ্জনে খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। জোটে অন্যান্য দলকে উপযুক্ত মূল্যায়ন না করার অভিযোগ তুলে দল দুটি আলাদাভাবে কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। তবে এখনই ১১-দলীয় ঐক্য আনুষ্ঠানিকভাবে ভেঙে যাচ্ছে না বলে দাবি করছে জামায়াতসহ সংশ্লিষ্ট দলগুলো। গত ১৬ জুলাই চট্টগ্রামে হেফাজতের আমিরের সভাপতিত্বে সাতটি ইসলামি দলের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। কওমি ধারার দলগুলোর পারস্পরিক বিভেদ কমিয়ে ভবিষ্যতে একসঙ্গে পথচলার বিষয়ে আগামী ৩ আগস্টের মধ্যে লিখিত প্রস্তাব চাওয়া হয়েছে। তবে হেফাজত ও সংশ্লিষ্ট দলগুলোর নেতারা জানান, এটি মূলত ধর্মীয় বিষয়ে এক থাকার উদ্যোগ, সরাসরি কোনো রাজনৈতিক জোট নয়। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও জোটের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ দাবি করেছেন, দল দুটি এখনও জোটে রয়েছে। কওমি ধারার সাত দলকে নিয়ে হেফাজতের এই উদ্যোগের পেছনে সরকারের ইন্ধন রয়েছে বলেও তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন। সব মিলিয়ে ১১-দলীয় ঐক্যের ভবিষ্যৎ ও ইসলামি দলগুলোর এই উদ্যোগ কোনো নতুন রাজনৈতিক রূপ নেয় কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

১১ দলীয় জোটে টানাপোড়েন, ৭ দলকে নিয়ে হেফাজতের নতুন উদ্যোগ

জনপ্রিয় মতামত

সব মতামত
“
০১ জুলাই ২০২৬
শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারের ওপর আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু দেশের কয়েকটি গণমাধ্যম সম্প্রতি তার একটি সাক্ষাৎকার প্রচার করেছে। বিষয়টি সরকারের নজরে এসেছে। প্রাথমিকভাবে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমগুলোকে সতর্ক করা হবে এবং তথ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি জানানো হবে।
ডা. জাহেদ উর রহমান
ডা. জাহেদ উর রহমান
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা
“
০১ জুলাই ২০২৬
আওয়ামী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ধারাবাহিক আন্দোলনের সর্বোচ্চ বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে।
রুহুল কবির রিজভী
রুহুল কবির রিজভী
সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব
“
২৪ জুন ২০২৬
আমরা দেখেছি, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় বসুন্ধরার পুত্র সুবহান দেশে ঢুকার সাহস পায় নাই। আমরা দেখেছি, আনভির দেশে ঢুকার সাহস পায় নাই। কিন্তু এই সরকার নির্বাচিত হয়ে আসার পরে আমরা দেখেছি, সদর্পে এই সুবহানের পুত্র, এই ধর্ষক, দেশে ঢুকেছে।
হাসনাত আব্দুল্লাহ
হাসনাত আব্দুল্লাহ
সংসদ সদস্য, এনসিপি
“
২৪ জুন ২০২৬
দেশে বর্তমানে প্রায় ৮২ লাখ মানুষ কোনো না কোনো (অবৈধ) মাদক ব্যবহার করছে, যা মোট জনসংখ্যার ৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ।
সালাউদ্দিন আহমেদ
সালাউদ্দিন আহমেদ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
নামাজের সময়সূচি
—
সেহরি শেষ—
ইফতার—
সময়সূচি লোড হচ্ছে…
ফেসবুকে আমরা ফলো করুন
মতামত
১১ দলীয় জোটে টানাপোড়েন, ৭ দলকে নিয়ে হেফাজতের নতুন উদ্যোগ

১১ দলীয় জোটে টানাপোড়েন, ৭ দলকে নিয়ে হেফাজতের নতুন উদ্যোগ

জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যে দেখা দিয়েছে নতুন সংশয়। জোটের কর্মসূচি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে খেলাফত মজলিস ও …

১১ দলীয় জোটে টানাপোড়েন, ৭ দলকে নিয়ে হেফাজতের নতুন উদ্যোগ

১১ দলীয় জোটে টানাপোড়েন, ৭ দলকে নিয়ে হেফাজতের নতুন উদ্যোগ

জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যে দেখা দিয়েছে নতুন সংশয়। জোটের কর্মসূচি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে খেলাফত মজলিস ও …

বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে বাইরে যাওয়া স্বামীর বাড়িতে ঢুকে নারীকে ধর্ষণ

বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে বাইরে যাওয়া স্বামীর বাড়িতে ঢুকে নারীকে ধর্ষণ

গাইবান্ধার সাঘাটায় বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল দেখতে স্বামী বাইরে থাকার সুযোগে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আতিকু…

বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে বাইরে যাওয়া স্বামীর বাড়িতে ঢুকে নারীকে ধর্ষণ

বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে বাইরে যাওয়া স্বামীর বাড়িতে ঢুকে নারীকে ধর্ষণ

গাইবান্ধার সাঘাটায় বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল দেখতে স্বামী বাইরে থাকার সুযোগে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আতিকু…