শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
আপডেট : সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬

মায়ের কোলে থাকা দুই বছরের শিশুকে নিয়ে উধাও বাবা, থানায় অভিযোগ

মায়ের কোলে থাকা দুই বছরের শিশুকে নিয়ে উধাও বাবা, থানায় অভিযোগ

কেশরহাট পৌর যুবদলের নেতা রাকিবুল ইসলাম তুষারকে ঘিরে তৃণমূলে আলোচনা

কেশরহাট পৌর যুবদলের নেতা রাকিবুল ইসলাম তুষারকে ঘিরে তৃণমূলে আলোচনা

লৌহজংয়ে পুলিশের পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

লৌহজংয়ে পুলিশের পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপরে, নীলফামারীর নিম্নাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপরে, নীলফামারীর নিম্নাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা

সিংড়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি পালিত, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

সিংড়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি পালিত, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

লৌহজংয়ের কুমারভোগে বিএনপির বিজয় র‍্যালি, শতাধিক নেতাকর্মীর অংশগ্রহণ

লৌহজংয়ের কুমারভোগে বিএনপির বিজয় র‍্যালি, শতাধিক নেতাকর্মীর অংশগ্রহণ

সিরাজদিখানে অভির বিরুদ্ধে ফের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ

সিরাজদিখানে অভির বিরুদ্ধে ফের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ

জুলাই অভ্যুত্থানের ২য় বার্ষিকী উপলক্ষে মুন্সীগঞ্জে ছাত্রশিবিরের সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত

জুলাই অভ্যুত্থানের ২য় বার্ষিকী উপলক্ষে মুন্সীগঞ্জে ছাত্রশিবিরের সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত

খালেদা জিয়ার মামলার বাদীর ভাতিজা মুন্সীগঞ্জের পিপি, বিএনপির একাংশে ক্ষোভ

প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৩:১৯ পিএম
খালেদা জিয়ার মামলার বাদীর ভাতিজা মুন্সীগঞ্জের পিপি, বিএনপির একাংশে ক্ষোভ
খালেদা জিয়ার মামলার বাদীর ভাতিজা মুন্সীগঞ্জের পিপি, বিএনপির একাংশে ক্ষোভ
0:00 / 0:00
1x

মুন্সীগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতসহ জেলার বিভিন্ন আদালতের জন্য ২৭ সদস্যের নতুন সরকারি আইনজীবী প্যানেল ঘোষণা করেছে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগ (জিপি-পিপি শাখা) থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

নতুন প্যানেলে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (জিপি) হিসেবে অ্যাডভোকেট মো. তোতা মিয়া, পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হিসেবে অ্যাডভোকেট সুমন মিয়া সরদার এবং অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (এজিপি) হিসেবে অ্যাডভোকেট মো. জাকারিয়া মোল্লাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, শিশু আদালতসহ বিভিন্ন আদালতের জন্যও সরকারি আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে পূর্বে নিয়োগপ্রাপ্ত সরকারি আইনজীবীদের নিয়োগাদেশ বাতিলের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে, পিপি হিসেবে অ্যাডভোকেট সুমন মিয়া সরদারের নিয়োগকে কেন্দ্র করে জেলা বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

স্থানীয় বিএনপির একাধিক নেতা-কর্মীর দাবি, নবনিযুক্ত পিপি অ্যাডভোকেট সুমন মিয়া সরদার সাবেক জেলা পিপি অ্যাডভোকেট মো. মতিনের ভাতিজা। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, অ্যাডভোকেট মো. মতিন অতীতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি মামলার বাদী ছিলেন। এছাড়া বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের করা একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় তিনি ৫ নম্বর আসামি হিসেবেও নামভুক্ত রয়েছেন বলে তারা দাবি করেন। এ নিয়োগের পর জেলা বিএনপির একটি অংশের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, দলে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়, ত্যাগী ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের বাদ দিয়ে কেন এমন একজনের নিকটাত্মীয়কে পিপি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলো। তাদের মতে, এ সিদ্ধান্তে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছে। বিএনপির কয়েকজন নেতা-কর্মী বলেন, অতীতে রাজনৈতিক প্রতিকূলতা, মামলা-হামলা ও হুমকি-ধমকি উপেক্ষা করে ধানের শীষের প্রার্থীদের পক্ষে নির্বাচন পরিচালনা এবং দলীয় কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালনকারী অভিজ্ঞ ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের মধ্য থেকে কাউকে পিপি হিসেবে নিয়োগ দিলে তা অধিক গ্রহণযোগ্য হতো। এদিকে, একাধিক সূত্রের দাবি, বর্তমান সরকারি আইনজীবী প্যানেলের কয়েকজন সদস্য এই নিয়োগের প্রতিবাদে দায়িত্ব গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সাবেক জেলা পিপি অ্যাডভোকেট মো. মতিনের বিরুদ্ধে মামলা না হওয়ার বিষয়টি নিয়েও তৎকালীন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. মহিউদ্দিন সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন বলে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। তবে এসব দাবি ও সমালোচনার বিষয়ে নবনিযুক্ত পিপি অ্যাডভোকেট সুমন মিয়া সরদার, সাবেক পিপি অ্যাডভোকেট মো. মতিন কিংবা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।  

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
BD-24,.COM

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬


খালেদা জিয়ার মামলার বাদীর ভাতিজা মুন্সীগঞ্জের পিপি, বিএনপির একাংশে ক্ষোভ

প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

মুন্সীগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতসহ জেলার বিভিন্ন আদালতের জন্য ২৭ সদস্যের নতুন সরকারি আইনজীবী প্যানেল ঘোষণা করেছে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগ (জিপি-পিপি শাখা) থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

নতুন প্যানেলে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (জিপি) হিসেবে অ্যাডভোকেট মো. তোতা মিয়া, পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হিসেবে অ্যাডভোকেট সুমন মিয়া সরদার এবং অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (এজিপি) হিসেবে অ্যাডভোকেট মো. জাকারিয়া মোল্লাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, শিশু আদালতসহ বিভিন্ন আদালতের জন্যও সরকারি আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে পূর্বে নিয়োগপ্রাপ্ত সরকারি আইনজীবীদের নিয়োগাদেশ বাতিলের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে, পিপি হিসেবে অ্যাডভোকেট সুমন মিয়া সরদারের নিয়োগকে কেন্দ্র করে জেলা বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

স্থানীয় বিএনপির একাধিক নেতা-কর্মীর দাবি, নবনিযুক্ত পিপি অ্যাডভোকেট সুমন মিয়া সরদার সাবেক জেলা পিপি অ্যাডভোকেট মো. মতিনের ভাতিজা। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, অ্যাডভোকেট মো. মতিন অতীতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি মামলার বাদী ছিলেন। এছাড়া বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের করা একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় তিনি ৫ নম্বর আসামি হিসেবেও নামভুক্ত রয়েছেন বলে তারা দাবি করেন। এ নিয়োগের পর জেলা বিএনপির একটি অংশের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, দলে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়, ত্যাগী ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের বাদ দিয়ে কেন এমন একজনের নিকটাত্মীয়কে পিপি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলো। তাদের মতে, এ সিদ্ধান্তে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছে। বিএনপির কয়েকজন নেতা-কর্মী বলেন, অতীতে রাজনৈতিক প্রতিকূলতা, মামলা-হামলা ও হুমকি-ধমকি উপেক্ষা করে ধানের শীষের প্রার্থীদের পক্ষে নির্বাচন পরিচালনা এবং দলীয় কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালনকারী অভিজ্ঞ ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের মধ্য থেকে কাউকে পিপি হিসেবে নিয়োগ দিলে তা অধিক গ্রহণযোগ্য হতো। এদিকে, একাধিক সূত্রের দাবি, বর্তমান সরকারি আইনজীবী প্যানেলের কয়েকজন সদস্য এই নিয়োগের প্রতিবাদে দায়িত্ব গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সাবেক জেলা পিপি অ্যাডভোকেট মো. মতিনের বিরুদ্ধে মামলা না হওয়ার বিষয়টি নিয়েও তৎকালীন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. মহিউদ্দিন সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন বলে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। তবে এসব দাবি ও সমালোচনার বিষয়ে নবনিযুক্ত পিপি অ্যাডভোকেট সুমন মিয়া সরদার, সাবেক পিপি অ্যাডভোকেট মো. মতিন কিংবা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।  

BD-24,.COM

সম্পাদক ও প্রকাশক
মিরাজ হোসেন সুজন
মোবাইল: ০১৭৪৭২৪৩৬৩৭

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।