শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
আপডেট : সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬

মায়ের কোলে থাকা দুই বছরের শিশুকে নিয়ে উধাও বাবা, থানায় অভিযোগ

মায়ের কোলে থাকা দুই বছরের শিশুকে নিয়ে উধাও বাবা, থানায় অভিযোগ

কেশরহাট পৌর যুবদলের নেতা রাকিবুল ইসলাম তুষারকে ঘিরে তৃণমূলে আলোচনা

কেশরহাট পৌর যুবদলের নেতা রাকিবুল ইসলাম তুষারকে ঘিরে তৃণমূলে আলোচনা

লৌহজংয়ে পুলিশের পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

লৌহজংয়ে পুলিশের পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপরে, নীলফামারীর নিম্নাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপরে, নীলফামারীর নিম্নাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা

সিংড়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি পালিত, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

সিংড়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি পালিত, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

লৌহজংয়ের কুমারভোগে বিএনপির বিজয় র‍্যালি, শতাধিক নেতাকর্মীর অংশগ্রহণ

লৌহজংয়ের কুমারভোগে বিএনপির বিজয় র‍্যালি, শতাধিক নেতাকর্মীর অংশগ্রহণ

সিরাজদিখানে অভির বিরুদ্ধে ফের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ

সিরাজদিখানে অভির বিরুদ্ধে ফের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ

জুলাই অভ্যুত্থানের ২য় বার্ষিকী উপলক্ষে মুন্সীগঞ্জে ছাত্রশিবিরের সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত

জুলাই অভ্যুত্থানের ২য় বার্ষিকী উপলক্ষে মুন্সীগঞ্জে ছাত্রশিবিরের সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত

দীর্ঘদিনের নদীভাঙন ও কৃষিজমি রক্ষায় প্রশাসনিক তৎপরতা এবং এমপি কামরুজ্জামান রতনের ভূমিকা নিয়ে আলোচনায় স্থানীয়রা

প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৩:১৮ পিএম
দীর্ঘদিনের নদীভাঙন ও কৃষিজমি রক্ষায় প্রশাসনিক তৎপরতা এবং এমপি কামরুজ্জামান রতনের ভূমিকা নিয়ে আলোচনায় স্থানীয়রা
দীর্ঘদিনের নদীভাঙন ও কৃষিজমি রক্ষায় প্রশাসনিক তৎপরতা এবং এমপি কামরুজ্জামান রতনের ভূমিকা নিয়ে আলোচনায় স্থানীয়রা
0:00 / 0:00
1x

বাংলাদেশে নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশ, কৃষি ও জনজীবনের জন্য অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। পদ্মা, মেঘনা, যমুনাসহ বিভিন্ন নদীতে অবৈধ ড্রেজিংয়ের কারণে নদীভাঙন, ফসলি জমি হারিয়ে যাওয়া এবং বসতি হুমকির মুখে পড়ার ঘটনা নিয়মিতই আলোচনায় এসেছে।

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মেঘনা নদীর চরাঞ্চলেও দীর্ঘদিন ধরে একই চিত্র দেখা গেছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সরেজমিন পরিদর্শন, স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলা এবং প্রশাসনের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ বলে স্থানীয়রা দাবি করছেন।

চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের ভাষ্য, গত কয়েক দশক ধরে অবৈধ ড্রেজিংয়ের কারণে নদীর গতিপথ পরিবর্তিত হয়েছে এবং বহু তিন ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। অনেক কৃষক জমি হারিয়ে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

বাংলাবাজার এলাকার বাসিন্দা জসীম  বলেন, "আগে প্রায়ই নদীতে ড্রেজারের শব্দ শোনা যেত। এখন পরিস্থিতি অনেক শান্ত। আমরা চাই, এই অবস্থা স্থায়ী হোক।"

বকচর এলাকার বাসিন্দা মো. আউয়াল বলেন, "এবার অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ না হলে আমাদের এলাকার আরও অনেক জমি নদীতে চলে যেত। এখন মানুষ স্বস্তি অনুভব করছে।"

স্থানীয়দের অনেকেই দাবি করেন, মুন্সীগঞ্জ সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন নির্বাচনের আগে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের অঙ্গীকার করেছিলেন। তাঁদের মতে, প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে এমপি মো. কামরুজ্জামান রতন বলেন, "যে কাজ কেউ পারেনি, সে কাজ আমরা করে দেখিয়েছি। মুন্সীগঞ্জে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করেছি।"

তিনি এ জন্য জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানান।

মুন্সীগঞ্জেও অতীতে বিভিন্ন সময়ে প্রভাবশালী ব্যক্তি ও রাজনৈতিকভাবে সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের বিরুদ্ধে বৈধ ইজারার সীমার বাইরে গিয়ে বালু উত্তোলন এবং ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগ উঠেছিল। তবে এসব অভিযোগের বিচারিক নিষ্পত্তি বা চূড়ান্ত প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মতে, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে সাময়িক অভিযান যথেষ্ট নয়। দীর্ঘমেয়াদে নদী রক্ষায় কার্যকর নজরদারি, ইজারা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা, আইন প্রয়োগ এবং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি।

সরেজমিনে দেখা যায়, চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে অন্তত বর্তমানে একটি স্বস্তির অনুভূতি কাজ করছে। তবে এই পরিস্থিতি কতটা দীর্ঘস্থায়ী হবে, তা নির্ভর করবে প্রশাসনের ধারাবাহিক নজরদারি এবং আইন প্রয়োগের ওপর।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
BD-24,.COM

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬


দীর্ঘদিনের নদীভাঙন ও কৃষিজমি রক্ষায় প্রশাসনিক তৎপরতা এবং এমপি কামরুজ্জামান রতনের ভূমিকা নিয়ে আলোচনায় স্থানীয়রা

প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশে নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশ, কৃষি ও জনজীবনের জন্য অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। পদ্মা, মেঘনা, যমুনাসহ বিভিন্ন নদীতে অবৈধ ড্রেজিংয়ের কারণে নদীভাঙন, ফসলি জমি হারিয়ে যাওয়া এবং বসতি হুমকির মুখে পড়ার ঘটনা নিয়মিতই আলোচনায় এসেছে।

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মেঘনা নদীর চরাঞ্চলেও দীর্ঘদিন ধরে একই চিত্র দেখা গেছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সরেজমিন পরিদর্শন, স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলা এবং প্রশাসনের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ বলে স্থানীয়রা দাবি করছেন।

চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের ভাষ্য, গত কয়েক দশক ধরে অবৈধ ড্রেজিংয়ের কারণে নদীর গতিপথ পরিবর্তিত হয়েছে এবং বহু তিন ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। অনেক কৃষক জমি হারিয়ে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

বাংলাবাজার এলাকার বাসিন্দা জসীম  বলেন, "আগে প্রায়ই নদীতে ড্রেজারের শব্দ শোনা যেত। এখন পরিস্থিতি অনেক শান্ত। আমরা চাই, এই অবস্থা স্থায়ী হোক।"

বকচর এলাকার বাসিন্দা মো. আউয়াল বলেন, "এবার অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ না হলে আমাদের এলাকার আরও অনেক জমি নদীতে চলে যেত। এখন মানুষ স্বস্তি অনুভব করছে।"

স্থানীয়দের অনেকেই দাবি করেন, মুন্সীগঞ্জ সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন নির্বাচনের আগে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের অঙ্গীকার করেছিলেন। তাঁদের মতে, প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে এমপি মো. কামরুজ্জামান রতন বলেন, "যে কাজ কেউ পারেনি, সে কাজ আমরা করে দেখিয়েছি। মুন্সীগঞ্জে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করেছি।"

তিনি এ জন্য জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানান।

মুন্সীগঞ্জেও অতীতে বিভিন্ন সময়ে প্রভাবশালী ব্যক্তি ও রাজনৈতিকভাবে সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের বিরুদ্ধে বৈধ ইজারার সীমার বাইরে গিয়ে বালু উত্তোলন এবং ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগ উঠেছিল। তবে এসব অভিযোগের বিচারিক নিষ্পত্তি বা চূড়ান্ত প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মতে, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে সাময়িক অভিযান যথেষ্ট নয়। দীর্ঘমেয়াদে নদী রক্ষায় কার্যকর নজরদারি, ইজারা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা, আইন প্রয়োগ এবং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি।

সরেজমিনে দেখা যায়, চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে অন্তত বর্তমানে একটি স্বস্তির অনুভূতি কাজ করছে। তবে এই পরিস্থিতি কতটা দীর্ঘস্থায়ী হবে, তা নির্ভর করবে প্রশাসনের ধারাবাহিক নজরদারি এবং আইন প্রয়োগের ওপর।


BD-24,.COM

সম্পাদক ও প্রকাশক
মিরাজ হোসেন সুজন
মোবাইল: ০১৭৪৭২৪৩৬৩৭

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।