শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
আপডেট : সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬

সেউতা অভিবাসী সংকট: স্পেনকে শেনজেন থেকে বাদ দেওয়ার দাবি ইতালির প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৩:১৯ পিএম
সেউতা অভিবাসী সংকট: স্পেনকে শেনজেন থেকে বাদ দেওয়ার দাবি ইতালির প্রধানমন্ত্রীর
সেউতা অভিবাসী সংকট: স্পেনকে শেনজেন থেকে বাদ দেওয়ার দাবি ইতালির প্রধানমন্ত্রীর
0:00 / 0:00
1x

হাজারো অভিবাসীর প্রবেশ নিয়ে উদ্বেগ; মেলোনির অভিযোগ, অনিয়ন্ত্রিত অভিবাসন ইউরোপের নিরাপত্তার জন্য হুমকি

মরক্কো সীমান্তবর্তী স্পেনের ছিটমহল সেউতায় হাজার হাজার অভিবাসী প্রবেশের ঘটনায় স্পেনকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ভিসামুক্ত শেনজেন জোন থেকে সাময়িকভাবে বাদ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মেলোনি বলেন, পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর প্রয়োজন হলে ‘ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ’ হিসেবে স্পেনের সঙ্গে শেনজেন চুক্তি স্থগিতের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।

তিনি বলেন, সেউতায় অভিবাসীদের প্রবেশের দৃশ্য ছিল ‘ভয়াবহ’। শিশুসহ অনেক অভিবাসী সমুদ্রপথে সাঁতরে সেখানে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছেন।

স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সেউতায় প্রবেশের চেষ্টা করতে গিয়ে অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এর আগে ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানিও স্পেনের জন্য শেনজেন ব্যবস্থা স্থগিতের পক্ষে মত দেন। তিনি বলেন, অনিয়ন্ত্রিত অভিবাসন জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে।

তাজানি অভিযোগ করেন, অভিবাসন নীতিতে স্পেনের কিছু সিদ্ধান্ত মানব পাচারকে উৎসাহিত করছে। তবে তার এ মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন স্পেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসে লুইস আলবারেস।

আলবারেস বলেন, অভিবাসন ইস্যুকে রাজনৈতিক সুবিধার জন্য ব্যবহার করা উচিত নয়। তিনি ইউরোপীয় দেশগুলোর কাছ থেকে সংহতি আশা করেন, রাজনৈতিক বক্তব্য নয়।

উল্লেখ্য, শেনজেন জোন হলো ইউরোপের ২৯টি দেশের একটি উন্মুক্ত সীমান্ত ব্যবস্থা, যেখানে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সাধারণত নিয়মিত সীমান্ত তল্লাশি থাকে না।

সেউতা দীর্ঘদিন ধরে আফ্রিকা থেকে ইউরোপে প্রবেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে সেখানে অভিবাসী প্রবেশের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে নতুন করে অভিবাসন নীতি নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
BD-24,.COM

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬


সেউতা অভিবাসী সংকট: স্পেনকে শেনজেন থেকে বাদ দেওয়ার দাবি ইতালির প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

হাজারো অভিবাসীর প্রবেশ নিয়ে উদ্বেগ; মেলোনির অভিযোগ, অনিয়ন্ত্রিত অভিবাসন ইউরোপের নিরাপত্তার জন্য হুমকি

মরক্কো সীমান্তবর্তী স্পেনের ছিটমহল সেউতায় হাজার হাজার অভিবাসী প্রবেশের ঘটনায় স্পেনকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ভিসামুক্ত শেনজেন জোন থেকে সাময়িকভাবে বাদ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মেলোনি বলেন, পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর প্রয়োজন হলে ‘ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ’ হিসেবে স্পেনের সঙ্গে শেনজেন চুক্তি স্থগিতের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।

তিনি বলেন, সেউতায় অভিবাসীদের প্রবেশের দৃশ্য ছিল ‘ভয়াবহ’। শিশুসহ অনেক অভিবাসী সমুদ্রপথে সাঁতরে সেখানে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছেন।

স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সেউতায় প্রবেশের চেষ্টা করতে গিয়ে অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এর আগে ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানিও স্পেনের জন্য শেনজেন ব্যবস্থা স্থগিতের পক্ষে মত দেন। তিনি বলেন, অনিয়ন্ত্রিত অভিবাসন জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে।

তাজানি অভিযোগ করেন, অভিবাসন নীতিতে স্পেনের কিছু সিদ্ধান্ত মানব পাচারকে উৎসাহিত করছে। তবে তার এ মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন স্পেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসে লুইস আলবারেস।

আলবারেস বলেন, অভিবাসন ইস্যুকে রাজনৈতিক সুবিধার জন্য ব্যবহার করা উচিত নয়। তিনি ইউরোপীয় দেশগুলোর কাছ থেকে সংহতি আশা করেন, রাজনৈতিক বক্তব্য নয়।

উল্লেখ্য, শেনজেন জোন হলো ইউরোপের ২৯টি দেশের একটি উন্মুক্ত সীমান্ত ব্যবস্থা, যেখানে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সাধারণত নিয়মিত সীমান্ত তল্লাশি থাকে না।

সেউতা দীর্ঘদিন ধরে আফ্রিকা থেকে ইউরোপে প্রবেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে সেখানে অভিবাসী প্রবেশের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে নতুন করে অভিবাসন নীতি নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।


BD-24,.COM

সম্পাদক ও প্রকাশক
মিরাজ হোসেন সুজন
মোবাইল: ০১৭৪৭২৪৩৬৩৭

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।