শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
আপডেট : সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬

টঙ্গিবাড়ীতে মালদ্বীপের রাষ্ট্রদূত, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় ও সোনারং জোড়া মঠ পরিদর্শন

টঙ্গিবাড়ীতে মালদ্বীপের রাষ্ট্রদূত, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় ও সোনারং জোড়া মঠ পরিদর্শন

দিল্লিতে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে অনুমতি, তীব্র ক্ষোভ জানাল বাংলাদেশ সরকার

দিল্লিতে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে অনুমতি, তীব্র ক্ষোভ জানাল বাংলাদেশ সরকার

ভিআইপি-সিআইপিসহ সবার জন্য বাধ্যতামূলক নিরাপত্তা তল্লাশি: বিমানমন্ত্রী

ভিআইপি-সিআইপিসহ সবার জন্য বাধ্যতামূলক নিরাপত্তা তল্লাশি: বিমানমন্ত্রী

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী, বৃহস্পতিবার থেকে সবার জন্য উন্মুক্ত

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী, বৃহস্পতিবার থেকে সবার জন্য উন্মুক্ত

ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

গুমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার পাবে ক্ষতিপূরণ, অনুমোদন পেল ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়া

গুমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার পাবে ক্ষতিপূরণ, অনুমোদন পেল ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়া

গণমাধ্যমের ওপর সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ নেই: মির্জা ফখরুল

গণমাধ্যমের ওপর সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ নেই: মির্জা ফখরুল

২০২৬ সালের অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা ও মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি বাতিল

২০২৬ সালের অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা ও মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি বাতিল

টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: গবেষণা প্রতিবেদনের পর বৈজ্ঞানিক যাচাইয়ে নেমেছে বিএসটিআই

প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৩:১৯ পিএম
টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: গবেষণা প্রতিবেদনের পর বৈজ্ঞানিক যাচাইয়ে নেমেছে বিএসটিআই
টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: গবেষণা প্রতিবেদনের পর বৈজ্ঞানিক যাচাইয়ে নেমেছে বিএসটিআই
0:00 / 0:00
1x

বাংলাদেশে বাজারজাত বিভিন্ন টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত একটি গবেষণা প্রতিবেদনের পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে বৈজ্ঞানিক যাচাই কার্যক্রম শুরু করেছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএসটিআই জানায়, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ইএসডিও) এক গবেষণায় পরীক্ষা করা ৩৪টি টুথপেস্টের মধ্যে ২৬টিতে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতির দাবি করা হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট গবেষণার পূর্ণাঙ্গ তথ্য, পরীক্ষাপদ্ধতি ও কাঁচা তথ্য (Raw Data) চাওয়া হয়েছে।

বিএসটিআই জানায়, মাইক্রোপ্লাস্টিক হলো ৫ মিলিমিটার বা তার চেয়ে ছোট আকারের প্লাস্টিক কণা, যা সাধারণত খালি চোখে দেখা যায় না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, এটি একটি উদীয়মান পরিবেশগত ও স্বাস্থ্যগত উদ্বেগের বিষয়। তবে মানবস্বাস্থ্যের ওপর এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে এখনো আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গবেষণা চলছে।

সংস্থাটি জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ২০১৫ সালে Microbead-Free Waters Act প্রণয়নের মাধ্যমে টুথপেস্টসহ বিভিন্ন কসমেটিকসে ইচ্ছাকৃতভাবে মাইক্রোপ্লাস্টিক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। অন্যদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে ২০২৭ সালের ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত সময় দিয়েছে এ ধরনের উপাদান ব্যবহার বন্ধ করতে।

বিএসটিআইর তথ্যমতে, বর্তমানে টুথপেস্টের জন্য BDS 1216:2012 Specification for Toothpaste নামে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড কার্যকর রয়েছে। এ মান অনুযায়ী রাসায়নিক, মাইক্রোবায়োলজিক্যাল ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিভিন্ন পরীক্ষা সম্পন্ন করে লাইসেন্স গ্রহণ বাধ্যতামূলক।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএসটিআইর মানদণ্ডে টুথপেস্ট তৈরিতে অনুমোদিত ৮১টি উপাদানের তালিকা রয়েছে, যেখানে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উল্লেখ নেই। ফলে লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃতভাবে মাইক্রোপ্লাস্টিক ব্যবহারের সুযোগ নেই বলে সংস্থাটির দাবি।

তবে বিএসটিআই সতর্ক করে জানায়, কোনো পরীক্ষায় প্লাস্টিকজাত কণা পাওয়া গেলেই সেটি ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যবহার করা হয়েছে বা তা মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক নয়। এজন্য কণার উৎস, ধরন, পরিমাণ ও সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ প্রয়োজন।

এ লক্ষ্যে বিএসটিআই ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট উৎপাদনকারী ও আমদানিকারকদের কাছ থেকে কাঁচামাল, উপাদান এবং উৎপাদনসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছে। পাশাপাশি বাজার ও কারখানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করে দেশি বা বিদেশি স্বীকৃত পরীক্ষাগারে স্বাধীনভাবে পুনঃপরীক্ষার (Independent Confirmatory Testing) উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পরীক্ষায় যদি প্রমাণিত হয় কোনো প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড লঙ্ঘন করেছে বা অনুমোদনহীন উপাদান ব্যবহার করেছে, তাহলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

একই সঙ্গে বিএসটিআই জানিয়েছে, বিশেষজ্ঞ, গবেষক, পরিবেশ অধিদপ্তর, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর, দন্ত চিকিৎসক, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও ভোক্তা প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে টুথপেস্টের বিদ্যমান বাংলাদেশ মান পর্যালোচনার কাজ শুরু হয়েছে। প্রয়োজনীয় বৈজ্ঞানিক প্রমাণ পাওয়া গেলে টুথপেস্টে ইচ্ছাকৃতভাবে প্লাস্টিক মাইক্রোবিড ব্যবহারের বিষয়ে নতুন বিধান ও পরীক্ষাপদ্ধতি সংযোজন করে মান হালনাগাদ করা হবে।

জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিএসটিআই বলেছে, গুজব বা আতঙ্কে বিভ্রান্ত না হয়ে নিয়মিত মুখের স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করুন, টুথপেস্ট গিলে ফেলা থেকে বিরত থাকুন এবং নির্ভরযোগ্য তথ্যের ওপর আস্থা রাখুন।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, বৈজ্ঞানিক সত্যনিষ্ঠা এবং ভোক্তার স্বার্থরক্ষায় বিএসটিআই প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ অব্যাহত রাখবে।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
BD-24,.COM

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬


টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: গবেষণা প্রতিবেদনের পর বৈজ্ঞানিক যাচাইয়ে নেমেছে বিএসটিআই

প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশে বাজারজাত বিভিন্ন টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত একটি গবেষণা প্রতিবেদনের পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে বৈজ্ঞানিক যাচাই কার্যক্রম শুরু করেছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএসটিআই জানায়, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ইএসডিও) এক গবেষণায় পরীক্ষা করা ৩৪টি টুথপেস্টের মধ্যে ২৬টিতে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতির দাবি করা হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট গবেষণার পূর্ণাঙ্গ তথ্য, পরীক্ষাপদ্ধতি ও কাঁচা তথ্য (Raw Data) চাওয়া হয়েছে।

বিএসটিআই জানায়, মাইক্রোপ্লাস্টিক হলো ৫ মিলিমিটার বা তার চেয়ে ছোট আকারের প্লাস্টিক কণা, যা সাধারণত খালি চোখে দেখা যায় না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, এটি একটি উদীয়মান পরিবেশগত ও স্বাস্থ্যগত উদ্বেগের বিষয়। তবে মানবস্বাস্থ্যের ওপর এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে এখনো আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গবেষণা চলছে।

সংস্থাটি জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ২০১৫ সালে Microbead-Free Waters Act প্রণয়নের মাধ্যমে টুথপেস্টসহ বিভিন্ন কসমেটিকসে ইচ্ছাকৃতভাবে মাইক্রোপ্লাস্টিক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। অন্যদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে ২০২৭ সালের ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত সময় দিয়েছে এ ধরনের উপাদান ব্যবহার বন্ধ করতে।

বিএসটিআইর তথ্যমতে, বর্তমানে টুথপেস্টের জন্য BDS 1216:2012 Specification for Toothpaste নামে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড কার্যকর রয়েছে। এ মান অনুযায়ী রাসায়নিক, মাইক্রোবায়োলজিক্যাল ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিভিন্ন পরীক্ষা সম্পন্ন করে লাইসেন্স গ্রহণ বাধ্যতামূলক।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএসটিআইর মানদণ্ডে টুথপেস্ট তৈরিতে অনুমোদিত ৮১টি উপাদানের তালিকা রয়েছে, যেখানে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উল্লেখ নেই। ফলে লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃতভাবে মাইক্রোপ্লাস্টিক ব্যবহারের সুযোগ নেই বলে সংস্থাটির দাবি।

তবে বিএসটিআই সতর্ক করে জানায়, কোনো পরীক্ষায় প্লাস্টিকজাত কণা পাওয়া গেলেই সেটি ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যবহার করা হয়েছে বা তা মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক নয়। এজন্য কণার উৎস, ধরন, পরিমাণ ও সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ প্রয়োজন।

এ লক্ষ্যে বিএসটিআই ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট উৎপাদনকারী ও আমদানিকারকদের কাছ থেকে কাঁচামাল, উপাদান এবং উৎপাদনসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছে। পাশাপাশি বাজার ও কারখানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করে দেশি বা বিদেশি স্বীকৃত পরীক্ষাগারে স্বাধীনভাবে পুনঃপরীক্ষার (Independent Confirmatory Testing) উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পরীক্ষায় যদি প্রমাণিত হয় কোনো প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড লঙ্ঘন করেছে বা অনুমোদনহীন উপাদান ব্যবহার করেছে, তাহলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

একই সঙ্গে বিএসটিআই জানিয়েছে, বিশেষজ্ঞ, গবেষক, পরিবেশ অধিদপ্তর, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর, দন্ত চিকিৎসক, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও ভোক্তা প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে টুথপেস্টের বিদ্যমান বাংলাদেশ মান পর্যালোচনার কাজ শুরু হয়েছে। প্রয়োজনীয় বৈজ্ঞানিক প্রমাণ পাওয়া গেলে টুথপেস্টে ইচ্ছাকৃতভাবে প্লাস্টিক মাইক্রোবিড ব্যবহারের বিষয়ে নতুন বিধান ও পরীক্ষাপদ্ধতি সংযোজন করে মান হালনাগাদ করা হবে।

জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিএসটিআই বলেছে, গুজব বা আতঙ্কে বিভ্রান্ত না হয়ে নিয়মিত মুখের স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করুন, টুথপেস্ট গিলে ফেলা থেকে বিরত থাকুন এবং নির্ভরযোগ্য তথ্যের ওপর আস্থা রাখুন।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, বৈজ্ঞানিক সত্যনিষ্ঠা এবং ভোক্তার স্বার্থরক্ষায় বিএসটিআই প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ অব্যাহত রাখবে।


BD-24,.COM

সম্পাদক ও প্রকাশক
মিরাজ হোসেন সুজন
মোবাইল: ০১৭৪৭২৪৩৬৩৭

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।