শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
আপডেট : সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬

টঙ্গিবাড়ীতে মালদ্বীপের রাষ্ট্রদূত, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় ও সোনারং জোড়া মঠ পরিদর্শন

টঙ্গিবাড়ীতে মালদ্বীপের রাষ্ট্রদূত, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় ও সোনারং জোড়া মঠ পরিদর্শন

দিল্লিতে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে অনুমতি, তীব্র ক্ষোভ জানাল বাংলাদেশ সরকার

দিল্লিতে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে অনুমতি, তীব্র ক্ষোভ জানাল বাংলাদেশ সরকার

ভিআইপি-সিআইপিসহ সবার জন্য বাধ্যতামূলক নিরাপত্তা তল্লাশি: বিমানমন্ত্রী

ভিআইপি-সিআইপিসহ সবার জন্য বাধ্যতামূলক নিরাপত্তা তল্লাশি: বিমানমন্ত্রী

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী, বৃহস্পতিবার থেকে সবার জন্য উন্মুক্ত

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী, বৃহস্পতিবার থেকে সবার জন্য উন্মুক্ত

ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

গুমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার পাবে ক্ষতিপূরণ, অনুমোদন পেল ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়া

গুমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার পাবে ক্ষতিপূরণ, অনুমোদন পেল ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়া

গণমাধ্যমের ওপর সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ নেই: মির্জা ফখরুল

গণমাধ্যমের ওপর সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ নেই: মির্জা ফখরুল

২০২৬ সালের অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা ও মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি বাতিল

২০২৬ সালের অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা ও মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি বাতিল

ভিআইপি-সিআইপিসহ সবার জন্য বাধ্যতামূলক নিরাপত্তা তল্লাশি: বিমানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৩:১৯ পিএম
ভিআইপি-সিআইপিসহ সবার জন্য বাধ্যতামূলক নিরাপত্তা তল্লাশি: বিমানমন্ত্রী
ভিআইপি-সিআইপিসহ সবার জন্য বাধ্যতামূলক নিরাপত্তা তল্লাশি: বিমানমন্ত্রী
0:00 / 0:00
1x

 দেশের সব বিমানবন্দরে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো ধরনের বৈষম্য রাখা হবে না বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম। তিনি বলেছেন, ভিআইপি বা সিআইপি পরিচয় থাকলেও নিরাপত্তা তল্লাশি এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকবে না। সবার ক্ষেত্রেই একই নিরাপত্তা বিধি কার্যকর করতে হবে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (ক্যাব) সদর দপ্তরে পুনর্গঠিত জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কমিটির (এনসিএসসি) প্রথম সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব নির্দেশনা দেন।

মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা (আইসিএও)-এর আসন্ন নিরাপত্তা নিরীক্ষা বাংলাদেশের ভাবমূর্তির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই যেসব বিষয়ে পর্যবেক্ষণ আসার সম্ভাবনা রয়েছে, সেগুলোতে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড শতভাগ অনুসরণ নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে এনসিএসসির ১৩তম সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

আফরোজা খানম আরও বলেন, যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। বিশেষ করে বিদেশগামী ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের সেবা সহজ ও উন্নত করতে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের সমন্বিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন।

সভায় বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, বিমানবন্দর এলাকায় অননুমোদিত ড্রোনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকার অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তি স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি বলেন, দীর্ঘ প্রায় তিন বছর পর জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ায় এখন গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, নিরাপত্তা কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন রাখতে প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত স্ক্যানার ও অন্যান্য নিরাপত্তা সরঞ্জাম সংরক্ষণ করা উচিত। পাশাপাশি বিমান নিরাপত্তা-সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সভায় দেশের বিমান নিরাপত্তা আরও জোরদারের লক্ষ্যে বিভিন্ন সুপারিশ পর্যালোচনা করা হয়। এর মধ্যে ছিল গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় বৃদ্ধি, জাতীয় বিমান নিরাপত্তা কর্মসূচির কার্যকর বাস্তবায়ন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ।

এ ছাড়া হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবেশপথে নিরাপত্তা জোরদার, আন্ডার ভেহিকল স্ক্যানিং সিস্টেম (ইউভিএসএস)-এর কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং দেশের সব বেসামরিক বিমানবন্দরে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সইয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বিমানবন্দরের ল্যান্ডসাইড এলাকায় যানজট, অননুমোদিত জনসমাগম, ভিক্ষাবৃত্তি এবং অবৈধভাবে লাগেজ মোড়ানোর কার্যক্রম বন্ধে ক্যাব, এপিবিএন, বাংলাদেশ পুলিশ, আনসার ও বিমানবন্দর ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে যাত্রীসেবার মান বৃদ্ধি, শৃঙ্খলা নিশ্চিত এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা জোরদারে প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও সভায় উল্লেখ করা হয়।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
BD-24,.COM

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬


ভিআইপি-সিআইপিসহ সবার জন্য বাধ্যতামূলক নিরাপত্তা তল্লাশি: বিমানমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

 দেশের সব বিমানবন্দরে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো ধরনের বৈষম্য রাখা হবে না বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম। তিনি বলেছেন, ভিআইপি বা সিআইপি পরিচয় থাকলেও নিরাপত্তা তল্লাশি এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকবে না। সবার ক্ষেত্রেই একই নিরাপত্তা বিধি কার্যকর করতে হবে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (ক্যাব) সদর দপ্তরে পুনর্গঠিত জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কমিটির (এনসিএসসি) প্রথম সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব নির্দেশনা দেন।

মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা (আইসিএও)-এর আসন্ন নিরাপত্তা নিরীক্ষা বাংলাদেশের ভাবমূর্তির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই যেসব বিষয়ে পর্যবেক্ষণ আসার সম্ভাবনা রয়েছে, সেগুলোতে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড শতভাগ অনুসরণ নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে এনসিএসসির ১৩তম সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

আফরোজা খানম আরও বলেন, যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। বিশেষ করে বিদেশগামী ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের সেবা সহজ ও উন্নত করতে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের সমন্বিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন।

সভায় বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, বিমানবন্দর এলাকায় অননুমোদিত ড্রোনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকার অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তি স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি বলেন, দীর্ঘ প্রায় তিন বছর পর জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ায় এখন গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, নিরাপত্তা কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন রাখতে প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত স্ক্যানার ও অন্যান্য নিরাপত্তা সরঞ্জাম সংরক্ষণ করা উচিত। পাশাপাশি বিমান নিরাপত্তা-সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সভায় দেশের বিমান নিরাপত্তা আরও জোরদারের লক্ষ্যে বিভিন্ন সুপারিশ পর্যালোচনা করা হয়। এর মধ্যে ছিল গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় বৃদ্ধি, জাতীয় বিমান নিরাপত্তা কর্মসূচির কার্যকর বাস্তবায়ন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ।

এ ছাড়া হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবেশপথে নিরাপত্তা জোরদার, আন্ডার ভেহিকল স্ক্যানিং সিস্টেম (ইউভিএসএস)-এর কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং দেশের সব বেসামরিক বিমানবন্দরে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সইয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বিমানবন্দরের ল্যান্ডসাইড এলাকায় যানজট, অননুমোদিত জনসমাগম, ভিক্ষাবৃত্তি এবং অবৈধভাবে লাগেজ মোড়ানোর কার্যক্রম বন্ধে ক্যাব, এপিবিএন, বাংলাদেশ পুলিশ, আনসার ও বিমানবন্দর ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে যাত্রীসেবার মান বৃদ্ধি, শৃঙ্খলা নিশ্চিত এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা জোরদারে প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও সভায় উল্লেখ করা হয়।

BD-24,.COM

সম্পাদক ও প্রকাশক
মিরাজ হোসেন সুজন
মোবাইল: ০১৭৪৭২৪৩৬৩৭

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।