শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
আপডেট : সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬

টঙ্গিবাড়ীতে মালদ্বীপের রাষ্ট্রদূত, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় ও সোনারং জোড়া মঠ পরিদর্শন

টঙ্গিবাড়ীতে মালদ্বীপের রাষ্ট্রদূত, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় ও সোনারং জোড়া মঠ পরিদর্শন

দিল্লিতে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে অনুমতি, তীব্র ক্ষোভ জানাল বাংলাদেশ সরকার

দিল্লিতে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে অনুমতি, তীব্র ক্ষোভ জানাল বাংলাদেশ সরকার

ভিআইপি-সিআইপিসহ সবার জন্য বাধ্যতামূলক নিরাপত্তা তল্লাশি: বিমানমন্ত্রী

ভিআইপি-সিআইপিসহ সবার জন্য বাধ্যতামূলক নিরাপত্তা তল্লাশি: বিমানমন্ত্রী

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী, বৃহস্পতিবার থেকে সবার জন্য উন্মুক্ত

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী, বৃহস্পতিবার থেকে সবার জন্য উন্মুক্ত

ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

গুমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার পাবে ক্ষতিপূরণ, অনুমোদন পেল ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়া

গুমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার পাবে ক্ষতিপূরণ, অনুমোদন পেল ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়া

গণমাধ্যমের ওপর সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ নেই: মির্জা ফখরুল

গণমাধ্যমের ওপর সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ নেই: মির্জা ফখরুল

২০২৬ সালের অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা ও মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি বাতিল

২০২৬ সালের অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা ও মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি বাতিল

গুমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার পাবে ক্ষতিপূরণ, অনুমোদন পেল ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়া

প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৩:১৯ পিএম
গুমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার পাবে ক্ষতিপূরণ, অনুমোদন পেল ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়া
গুমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার পাবে ক্ষতিপূরণ, অনুমোদন পেল ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়া
0:00 / 0:00
1x

গুমের ঘটনায় দণ্ডিত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে ভুক্তভোগীর পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিধান রেখে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। দণ্ডিত ব্যক্তির সম্পদ না থাকলে ক্ষতিপূরণ রাষ্ট্র বহন করবে।

সোমবার (৩ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১৫তম বৈঠকে আইনটির খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

প্রস্তাবিত আইনে গুমের ঘটনায় তদন্ত সর্বোচ্চ ১২০ দিনের মধ্যে এবং বিচারও ১২০ দিনের মধ্যে শেষ করার বিধান রাখা হয়েছে। গুমের অপরাধে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের প্রস্তাব রয়েছে।

এ ছাড়া গুমের কারণে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হলে, মরদেহ উদ্ধার হলে অথবা পাঁচ বছর অতিবাহিত হওয়ার পরও তাকে জীবিত বা মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব না হলে অভিযুক্তের জন্য মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গুমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য সরকারি আইনগত সহায়তা, চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং ক্ষতিপূরণ তহবিল গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। দণ্ডিত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় সম্ভব না হলে রাষ্ট্র ক্ষতিপূরণ প্রদান করবে।

খসড়া আইনে আরও রয়েছে—

  • আদালতের মাধ্যমে তল্লাশি পরোয়ানা জারির সুযোগ;
  • অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার;
  • ডিজিটাল সাক্ষ্য গ্রহণের বিধান;
  • সাক্ষী, অভিযোগকারী, তথ্য প্রকাশকারী ও ভুক্তভোগীর পরিচয় ও নিরাপত্তা সুরক্ষার ব্যবস্থা।

এ ছাড়া গুম হওয়া ব্যক্তির স্ত্রী ও নির্ভরশীল পরিবারের সদস্যদের ভরণপোষণের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সম্পত্তি ব্যবহারের অনুমতি, পাঁচ বছর পর উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টনের জন্য গুম সনদ প্রদান, কেন্দ্রীয় তথ্যভাণ্ডার সংরক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিধানও রাখা হয়েছে।

প্রস্তাবিত আইনে গুমকে একটি স্বতন্ত্র, আমলযোগ্য, জামিন-অযোগ্য ও আপস-অযোগ্য ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ভাষ্য অনুযায়ী, এই আইনের লক্ষ্য হলো গুম প্রতিরোধ, দায়ীদের বিচার নিশ্চিত করা, গুম হওয়া ব্যক্তিদের সন্ধান এবং ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের অধিকার, ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের জন্য একটি সমন্বিত আইনগত কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
BD-24,.COM

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬


গুমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার পাবে ক্ষতিপূরণ, অনুমোদন পেল ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়া

প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

গুমের ঘটনায় দণ্ডিত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে ভুক্তভোগীর পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিধান রেখে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। দণ্ডিত ব্যক্তির সম্পদ না থাকলে ক্ষতিপূরণ রাষ্ট্র বহন করবে।

সোমবার (৩ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১৫তম বৈঠকে আইনটির খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

প্রস্তাবিত আইনে গুমের ঘটনায় তদন্ত সর্বোচ্চ ১২০ দিনের মধ্যে এবং বিচারও ১২০ দিনের মধ্যে শেষ করার বিধান রাখা হয়েছে। গুমের অপরাধে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের প্রস্তাব রয়েছে।

এ ছাড়া গুমের কারণে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হলে, মরদেহ উদ্ধার হলে অথবা পাঁচ বছর অতিবাহিত হওয়ার পরও তাকে জীবিত বা মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব না হলে অভিযুক্তের জন্য মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গুমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য সরকারি আইনগত সহায়তা, চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং ক্ষতিপূরণ তহবিল গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। দণ্ডিত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় সম্ভব না হলে রাষ্ট্র ক্ষতিপূরণ প্রদান করবে।

খসড়া আইনে আরও রয়েছে—

  • আদালতের মাধ্যমে তল্লাশি পরোয়ানা জারির সুযোগ;
  • অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার;
  • ডিজিটাল সাক্ষ্য গ্রহণের বিধান;
  • সাক্ষী, অভিযোগকারী, তথ্য প্রকাশকারী ও ভুক্তভোগীর পরিচয় ও নিরাপত্তা সুরক্ষার ব্যবস্থা।

এ ছাড়া গুম হওয়া ব্যক্তির স্ত্রী ও নির্ভরশীল পরিবারের সদস্যদের ভরণপোষণের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সম্পত্তি ব্যবহারের অনুমতি, পাঁচ বছর পর উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টনের জন্য গুম সনদ প্রদান, কেন্দ্রীয় তথ্যভাণ্ডার সংরক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিধানও রাখা হয়েছে।

প্রস্তাবিত আইনে গুমকে একটি স্বতন্ত্র, আমলযোগ্য, জামিন-অযোগ্য ও আপস-অযোগ্য ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ভাষ্য অনুযায়ী, এই আইনের লক্ষ্য হলো গুম প্রতিরোধ, দায়ীদের বিচার নিশ্চিত করা, গুম হওয়া ব্যক্তিদের সন্ধান এবং ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের অধিকার, ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের জন্য একটি সমন্বিত আইনগত কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা।


BD-24,.COM

সম্পাদক ও প্রকাশক
মিরাজ হোসেন সুজন
মোবাইল: ০১৭৪৭২৪৩৬৩৭

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।