শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
আপডেট : সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬

অভিযোগের পর টাঙ্গাইল পাসপোর্ট কর্মকর্তা আবজাউল আলম বদলি

প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৩:১৮ পিএম
অভিযোগের পর টাঙ্গাইল পাসপোর্ট কর্মকর্তা আবজাউল আলম বদলি
অভিযোগের পর টাঙ্গাইল পাসপোর্ট কর্মকর্তা আবজাউল আলম বদলি
0:00 / 0:00
1x

পাসপোর্ট করতে আসা এক আবেদনকারীর সঙ্গে কথোপকথনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন টাঙ্গাইল আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক মো. আবজাউল আলম। পরে দুর্নীতি, ঘুষ, দালালচক্রের সঙ্গে যোগসাজশ এবং সেবাপ্রার্থীদের হয়রানির অভিযোগ নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের একদিনের মাথায় তাকে বদলি করা হয়েছে।

শনিবার (৪ জুলাই) সন্ধ্যায় ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের রুটিন দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত মহাপরিচালক এ টি এম আবু আসাদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই বদলির আদেশ জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মো. আবজাউল আলমকে টাঙ্গাইল আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস থেকে সিলেটের এম এ জি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিসা সেলে বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে ঢাকার উত্তরা পার্সোনালাইজেশন কমপ্লেক্সের বেসিক ক্লিয়ারেন্স শাখার সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে। আগামী ৫ জুলাইয়ের মধ্যে তাকে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বদলির নির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ না থাকলেও ‘জনস্বার্থে’ এ আদেশ জারি করা হয়েছে বলে জানানো হয়।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি এক পাসপোর্ট আবেদনকারী জুনাইদ হাসানের সঙ্গে তার কথোপকথনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে আবেদনকারীর মায়ের নামের ইংরেজি বানান নিয়ে আপত্তি ও হয়রানির অভিযোগ ওঠে, যা দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।

এরপর স্থানীয় একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে ঘুষ ছাড়া ফাইল গ্রহণ না করা, দালালের মাধ্যমে সেবা নিতে বাধ্য করা, সাধারণ সেবাপ্রার্থীদের হয়রানি এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ প্রকাশিত হয়। এছাড়া অতীতে একটি দুর্নীতি মামলার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগও উঠে আসে।

বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগীরা সংবাদ সম্মেলন করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। একই সঙ্গে পাসপোর্ট অফিসকে দালাল ও দুর্নীতিমুক্ত করার আহ্বান জানান তারা।

অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও জনমনে সমালোচনার পরই বদলির সিদ্ধান্ত আসে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

তবে ভুক্তভোগীদের দাবি, শুধু বদলি নয়—উঠে আসা সব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিশ্চিত করা উচিত।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
BD-24,.COM

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬


অভিযোগের পর টাঙ্গাইল পাসপোর্ট কর্মকর্তা আবজাউল আলম বদলি

প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

পাসপোর্ট করতে আসা এক আবেদনকারীর সঙ্গে কথোপকথনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন টাঙ্গাইল আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক মো. আবজাউল আলম। পরে দুর্নীতি, ঘুষ, দালালচক্রের সঙ্গে যোগসাজশ এবং সেবাপ্রার্থীদের হয়রানির অভিযোগ নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের একদিনের মাথায় তাকে বদলি করা হয়েছে।

শনিবার (৪ জুলাই) সন্ধ্যায় ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের রুটিন দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত মহাপরিচালক এ টি এম আবু আসাদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই বদলির আদেশ জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মো. আবজাউল আলমকে টাঙ্গাইল আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস থেকে সিলেটের এম এ জি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিসা সেলে বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে ঢাকার উত্তরা পার্সোনালাইজেশন কমপ্লেক্সের বেসিক ক্লিয়ারেন্স শাখার সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে। আগামী ৫ জুলাইয়ের মধ্যে তাকে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বদলির নির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ না থাকলেও ‘জনস্বার্থে’ এ আদেশ জারি করা হয়েছে বলে জানানো হয়।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি এক পাসপোর্ট আবেদনকারী জুনাইদ হাসানের সঙ্গে তার কথোপকথনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে আবেদনকারীর মায়ের নামের ইংরেজি বানান নিয়ে আপত্তি ও হয়রানির অভিযোগ ওঠে, যা দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।

এরপর স্থানীয় একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে ঘুষ ছাড়া ফাইল গ্রহণ না করা, দালালের মাধ্যমে সেবা নিতে বাধ্য করা, সাধারণ সেবাপ্রার্থীদের হয়রানি এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ প্রকাশিত হয়। এছাড়া অতীতে একটি দুর্নীতি মামলার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগও উঠে আসে।

বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগীরা সংবাদ সম্মেলন করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। একই সঙ্গে পাসপোর্ট অফিসকে দালাল ও দুর্নীতিমুক্ত করার আহ্বান জানান তারা।

অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও জনমনে সমালোচনার পরই বদলির সিদ্ধান্ত আসে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

তবে ভুক্তভোগীদের দাবি, শুধু বদলি নয়—উঠে আসা সব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিশ্চিত করা উচিত।


BD-24,.COM

সম্পাদক ও প্রকাশক
মিরাজ হোসেন সুজন
মোবাইল: ০১৭৪৭২৪৩৬৩৭

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।