শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
আপডেট : সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ ইস্যুতে বিএনপির অবস্থান কী? রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা

প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৩:১৮ পিএম
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ ইস্যুতে বিএনপির অবস্থান কী? রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ ইস্যুতে বিএনপির অবস্থান কী? রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা
0:00 / 0:00
1x

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ ইস্যুতে বিএনপির অবস্থান নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তাপ তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও হেফাজতে ইসলামসহ বিভিন্ন দল আন্দোলনে থাকলেও বিএনপি শুরু থেকেই দল নিষিদ্ধের বদলে বিচারিক প্রক্রিয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছে।

তবে অন্তর্বর্তী সরকারের পরবর্তী সময়ে আইনি কাঠামো বহাল রেখে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছে সরকার ও সংশ্লিষ্ট মহল। এতে প্রশ্ন উঠেছে—আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধে আসলে বিএনপির প্রকৃত অবস্থান কী?

আইনি কাঠামোর মধ্যে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম

২০২৫ সালের ১১ মে ‘সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯’ সংশোধন করে অন্তর্বর্তী সরকার অধ্যাদেশ জারি করে। এর পরদিন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়, তবে দলটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিষিদ্ধ হয়নি।

পরবর্তীতে ২০২৬ সালের ৮ এপ্রিল ওই অধ্যাদেশ জাতীয় সংসদে বিল আকারে পাস হয়, যেখানে আগের বিধান বহাল রাখা হয়।

নির্বাচনের আগে বিএনপির অবস্থান

নির্বাচনের আগে বিএনপি বারবার বলেছে, তারা কোনো রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের পক্ষে নয়। বরং অপরাধের বিচার হওয়া উচিত আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।

দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ শীর্ষ নেতারা বলেন, রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত হওয়া উচিত ঐকমত্যের ভিত্তিতে।

সরকার গঠনের পর কঠোর অবস্থান

সরকার গঠনের পর বিএনপির কয়েকজন শীর্ষ নেতা আওয়ামী লীগ প্রশ্নে কঠোর অবস্থান নেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেন, আওয়ামী লীগ আর রাজনীতি করতে পারবে না এবং আইনি কাঠামোর মধ্যেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজনৈতিক ও বিশ্লেষকদের মত

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আওয়ামী লীগ ভবিষ্যতে পুনর্গঠিত হলে তা বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। তাই দীর্ঘমেয়াদে দলটির রাজনৈতিক অবস্থান দুর্বল রাখার কৌশল নেওয়া হতে পারে।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, বিএনপি মনে করে আওয়ামী লীগ ভবিষ্যতে তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারে, তাই রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে।

আইনি প্রক্রিয়ার ওপর জোর বিএনপির

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হওয়া উচিত। এতে ভবিষ্যতে কোনো আইনি বিতর্ক থাকবে না।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
BD-24,.COM

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬


আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ ইস্যুতে বিএনপির অবস্থান কী? রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা

প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ ইস্যুতে বিএনপির অবস্থান নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তাপ তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও হেফাজতে ইসলামসহ বিভিন্ন দল আন্দোলনে থাকলেও বিএনপি শুরু থেকেই দল নিষিদ্ধের বদলে বিচারিক প্রক্রিয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছে।

তবে অন্তর্বর্তী সরকারের পরবর্তী সময়ে আইনি কাঠামো বহাল রেখে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছে সরকার ও সংশ্লিষ্ট মহল। এতে প্রশ্ন উঠেছে—আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধে আসলে বিএনপির প্রকৃত অবস্থান কী?

আইনি কাঠামোর মধ্যে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম

২০২৫ সালের ১১ মে ‘সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯’ সংশোধন করে অন্তর্বর্তী সরকার অধ্যাদেশ জারি করে। এর পরদিন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়, তবে দলটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিষিদ্ধ হয়নি।

পরবর্তীতে ২০২৬ সালের ৮ এপ্রিল ওই অধ্যাদেশ জাতীয় সংসদে বিল আকারে পাস হয়, যেখানে আগের বিধান বহাল রাখা হয়।

নির্বাচনের আগে বিএনপির অবস্থান

নির্বাচনের আগে বিএনপি বারবার বলেছে, তারা কোনো রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের পক্ষে নয়। বরং অপরাধের বিচার হওয়া উচিত আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।

দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ শীর্ষ নেতারা বলেন, রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত হওয়া উচিত ঐকমত্যের ভিত্তিতে।

সরকার গঠনের পর কঠোর অবস্থান

সরকার গঠনের পর বিএনপির কয়েকজন শীর্ষ নেতা আওয়ামী লীগ প্রশ্নে কঠোর অবস্থান নেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেন, আওয়ামী লীগ আর রাজনীতি করতে পারবে না এবং আইনি কাঠামোর মধ্যেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজনৈতিক ও বিশ্লেষকদের মত

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আওয়ামী লীগ ভবিষ্যতে পুনর্গঠিত হলে তা বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। তাই দীর্ঘমেয়াদে দলটির রাজনৈতিক অবস্থান দুর্বল রাখার কৌশল নেওয়া হতে পারে।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, বিএনপি মনে করে আওয়ামী লীগ ভবিষ্যতে তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারে, তাই রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে।

আইনি প্রক্রিয়ার ওপর জোর বিএনপির

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হওয়া উচিত। এতে ভবিষ্যতে কোনো আইনি বিতর্ক থাকবে না।


BD-24,.COM

সম্পাদক ও প্রকাশক
মিরাজ হোসেন সুজন
মোবাইল: ০১৭৪৭২৪৩৬৩৭

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।