শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
আপডেট : সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬

কথা রেখেছেন কামরুজ্জামান রতন

প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৩:১৮ পিএম
কথা রেখেছেন কামরুজ্জামান রতন
কথা রেখেছেন কামরুজ্জামান রতন
0:00 / 0:00
1x
রাজনীতিতে প্রতিশ্রুতি দেওয়া সহজ, কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করাই একজন জনপ্রতিনিধির প্রকৃত পরীক্ষা। নির্বাচনের আগে আমরা অনেক প্রতিশ্রুতি শুনি, কিন্তু বাস্তবে তার খুব কমই পূরণ হতে দেখি। তাই যখন কোনো জনপ্রতিনিধি তাঁর দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নে দৃশ্যমান উদ্যোগ নেন, তখন সেটি স্বীকৃতি পাওয়ার দাবি রাখে। মুন্সীগঞ্জ সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন নির্বাচনের সময় অন্যতম একটি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন—মেঘনা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করবেন। বহু বছর ধরে এই অবৈধ কর্মকাণ্ডের কারণে চরাঞ্চলের মানুষ নদীভাঙন, কৃষিজমি হারানো এবং অনিশ্চিত জীবনের সঙ্গে লড়াই করেছেন। অসংখ্য পরিবার তাদের তিন ফসলি জমি হারিয়েছে, অনেক কৃষক সর্বস্বান্ত হয়েছেন। আজ চরাঞ্চলে গেলে অন্তত একটি পরিবর্তন চোখে পড়ে। বহু এলাকায় আগের মতো অবাধ ড্রেজিংয়ের দৃশ্য দেখা যায় না। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বললে তারা স্বস্তির কথা বলেন। তাঁদের বিশ্বাস, প্রশাসনের কঠোর অবস্থান এবং এমপি কামরুজ্জামান রতনের উদ্যোগ পরিস্থিতি বদলাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, “যে কাজ কেউ পারেনি, সে কাজ আমরা করে দেখিয়েছি। মুন্সীগঞ্জে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করেছি।” এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত হোন বা না হোন, বাস্তবে অবৈধ বালু উত্তোলন রোধে দৃশ্যমান তৎপরতা নিয়ে এখন আলোচনা হচ্ছে—এটিই গুরুত্বপূর্ণ। একজন জনপ্রতিনিধির সাফল্য কেবল রাস্তা, সেতু বা ভবন নির্মাণে নয়; মানুষের জমি, নদী ও জীবিকা রক্ষার মধ্যেও নিহিত। যদি সত্যিই অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের এই ধারা অব্যাহত থাকে, তবে এটি শুধু একটি প্রশাসনিক সাফল্য নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। তবে এখানেই থেমে গেলে চলবে না। অবৈধ বালু উত্তোলন যেন আর কখনও ফিরে না আসে, সে জন্য প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারি, আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছা অব্যাহত রাখতে হবে। কারণ নদী রক্ষা মানেই কৃষি রক্ষা, পরিবেশ রক্ষা এবং মানুষের জীবন-জীবিকা রক্ষা। আমার বিশ্বাস, জনগণ শেষ পর্যন্ত কথার চেয়ে কাজকেই মূল্যায়ন করে। আর সেই বিচারে যদি একজন জনপ্রতিনিধি তাঁর দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবে রূপ দিতে পারেন, তবে তাঁর সেই কাজ অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
BD-24,.COM

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬


কথা রেখেছেন কামরুজ্জামান রতন

প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬

featured Image
রাজনীতিতে প্রতিশ্রুতি দেওয়া সহজ, কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করাই একজন জনপ্রতিনিধির প্রকৃত পরীক্ষা। নির্বাচনের আগে আমরা অনেক প্রতিশ্রুতি শুনি, কিন্তু বাস্তবে তার খুব কমই পূরণ হতে দেখি। তাই যখন কোনো জনপ্রতিনিধি তাঁর দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নে দৃশ্যমান উদ্যোগ নেন, তখন সেটি স্বীকৃতি পাওয়ার দাবি রাখে। মুন্সীগঞ্জ সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন নির্বাচনের সময় অন্যতম একটি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন—মেঘনা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করবেন। বহু বছর ধরে এই অবৈধ কর্মকাণ্ডের কারণে চরাঞ্চলের মানুষ নদীভাঙন, কৃষিজমি হারানো এবং অনিশ্চিত জীবনের সঙ্গে লড়াই করেছেন। অসংখ্য পরিবার তাদের তিন ফসলি জমি হারিয়েছে, অনেক কৃষক সর্বস্বান্ত হয়েছেন। আজ চরাঞ্চলে গেলে অন্তত একটি পরিবর্তন চোখে পড়ে। বহু এলাকায় আগের মতো অবাধ ড্রেজিংয়ের দৃশ্য দেখা যায় না। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বললে তারা স্বস্তির কথা বলেন। তাঁদের বিশ্বাস, প্রশাসনের কঠোর অবস্থান এবং এমপি কামরুজ্জামান রতনের উদ্যোগ পরিস্থিতি বদলাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, “যে কাজ কেউ পারেনি, সে কাজ আমরা করে দেখিয়েছি। মুন্সীগঞ্জে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করেছি।” এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত হোন বা না হোন, বাস্তবে অবৈধ বালু উত্তোলন রোধে দৃশ্যমান তৎপরতা নিয়ে এখন আলোচনা হচ্ছে—এটিই গুরুত্বপূর্ণ। একজন জনপ্রতিনিধির সাফল্য কেবল রাস্তা, সেতু বা ভবন নির্মাণে নয়; মানুষের জমি, নদী ও জীবিকা রক্ষার মধ্যেও নিহিত। যদি সত্যিই অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের এই ধারা অব্যাহত থাকে, তবে এটি শুধু একটি প্রশাসনিক সাফল্য নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। তবে এখানেই থেমে গেলে চলবে না। অবৈধ বালু উত্তোলন যেন আর কখনও ফিরে না আসে, সে জন্য প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারি, আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছা অব্যাহত রাখতে হবে। কারণ নদী রক্ষা মানেই কৃষি রক্ষা, পরিবেশ রক্ষা এবং মানুষের জীবন-জীবিকা রক্ষা। আমার বিশ্বাস, জনগণ শেষ পর্যন্ত কথার চেয়ে কাজকেই মূল্যায়ন করে। আর সেই বিচারে যদি একজন জনপ্রতিনিধি তাঁর দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবে রূপ দিতে পারেন, তবে তাঁর সেই কাজ অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার।

BD-24,.COM

সম্পাদক ও প্রকাশক
মিরাজ হোসেন সুজন
মোবাইল: ০১৭৪৭২৪৩৬৩৭

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।