শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
আপডেট : সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬

ভারতের ‘রাষ্ট্রীয় অতিথি’ শেখ হাসিনা: দিল্লির জন্য তৈরি হওয়া নতুন সংকট

প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৩:১৮ পিএম
ভারতের ‘রাষ্ট্রীয় অতিথি’ শেখ হাসিনা: দিল্লির জন্য তৈরি হওয়া নতুন সংকট
ভারতের ‘রাষ্ট্রীয় অতিথি’ শেখ হাসিনা: দিল্লির জন্য তৈরি হওয়া নতুন সংকট
0:00 / 0:00
1x

শেখ হাসিনাকে ঘিরে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের অস্বস্তি; ‘স্থিতিশীলতার’ যুক্তি দিয়ে সংকট ঢেকে রাখা কঠিন

শেখ হাসিনাকে ঘিরে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের বর্তমান টানাপোড়েন এবং এর কূটনৈতিক প্রভাব নিয়ে এই বিশ্লেষণে লেখক তাঁর নিজস্ব মতামত তুলে ধরেছেন।


বিশ্বের ‘বৃহত্তম গণতন্ত্র’ হিসেবে পরিচিত একটি দেশের কাছ থেকে যে ধরনের দ্বৈত আচরণ আশা করা যায় না, দিল্লি গত দুই বছর ধরে ঠিক সেই প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছে—এমন দাবি করেছেন লেখক এএম হুসাইন।

তাঁর মতে, শেখ হাসিনাকে ঘিরে ভারতের অবস্থান এখন শুধু দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয় নয়; এটি বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতি, আঞ্চলিক কূটনীতি এবং ভারতের গণতান্ত্রিক ভাবমূর্তির সঙ্গেও জড়িয়ে গেছে।

লেখকের দাবি, মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাজাপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। তাঁর মতে, ভারত তাঁকে আশ্রয় দেওয়ার মাধ্যমে এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করেছে, যা দুই দেশের সম্পর্কে নতুন অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রবন্ধে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে রাষ্ট্রীয় অতিথি হিসেবে অবস্থান করছেন। লেখকের মতে, একজন প্রতিবেশী দেশের সাবেক সরকারপ্রধানের এমন অবস্থান, যাঁর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে, তা বাংলাদেশের জনগণের একটি অংশের কাছে নেতিবাচক বার্তা দিচ্ছে।

দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক

লেখক উল্লেখ করেন, শেখ হাসিনার সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নতুন নয়। তাঁর দাবি, ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সময়ে দিল্লি শেখ হাসিনা সরকারের পাশে ছিল।

প্রবন্ধে ২০১৪ সালের নির্বাচন প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, ওই সময় ভারতের তৎকালীন পররাষ্ট্রসচিব সুজাতা সিং ঢাকায় এসে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন। লেখকের অভিযোগ, এর মাধ্যমে নির্বাচনকে বৈধতা দেওয়ার একটি প্রচেষ্টা হয়েছিল।

লেখকের মতে, ভারত শুধু শেখ হাসিনার সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখেনি; বরং তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানকে টিকিয়ে রাখতেও ভূমিকা রেখেছে।

জুলাই আন্দোলন ও ভারতের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

প্রবন্ধে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে। লেখক অভিযোগ করেন, আন্দোলনের সময় যখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে বহু মানুষ নিহত হন, তখন ভারত পরিস্থিতিকে ‘স্থিতিশীলতা’ ও ‘উন্নয়ন’-এর দৃষ্টিকোণ থেকে দেখেছে।

তিনি উল্লেখ করেন, জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়ের একটি প্রতিবেদনে ওই সময়ের সহিংসতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছিল এবং গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের কথা বলা হয়েছিল।

লেখকের মতে, এসব অভিযোগের পরও ভারতের অবস্থান বাংলাদেশের অনেক মানুষের কাছে অসন্তোষের কারণ হয়েছে।

পরিস্থিতি উল্টো হলে কী হতো?

লেখক একটি কাল্পনিক উদাহরণ দিয়ে বলেন, যদি ভারতের কোনো অভিযুক্ত রাজনৈতিক নেতা বাংলাদেশে অবস্থান করতেন এবং সেখান থেকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাতেন, তাহলে ভারত সেটিকে সহজভাবে নিত না।

তাঁর মতে, ভারত তখন বিষয়টিকে অন্যভাবে ব্যাখ্যা করত এবং নিজের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক স্বার্থের প্রশ্ন তুলত।

লেখকের দাবি, বর্তমানে বাংলাদেশও একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করছে।

প্রত্যর্পণ ও সম্পর্কের ভবিষ্যৎ

প্রবন্ধে বলা হয়েছে, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে প্রত্যর্পণ চুক্তি রয়েছে। তাই শেখ হাসিনার অবস্থান নিয়ে একটি দীর্ঘমেয়াদি সমাধান প্রয়োজন।

লেখকের মতে, ভারত যদি কোনো কারণে তাঁকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করতে না চায়, তবে অন্তত তৃতীয় কোনো দেশে স্থানান্তরের বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া উচিত।

তিনি দাবি করেন, শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান বাংলাদেশের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর কাছে একটি বেদনাদায়ক বিষয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে হলে বাস্তবতা স্বীকার জরুরি

লেখকের মতে, শেখ হাসিনার বিষয়টি সমাধান না করে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ককে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া কঠিন হবে।

তিনি বলেন, একটি প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ। তবে সেই সম্পর্ক টেকসই করতে হলে জনগণের অনুভূতি ও রাজনৈতিক বাস্তবতাকে গুরুত্ব দিতে হবে।

বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার ঝুঁকি

প্রবন্ধে লেখক সতর্ক করে বলেন, ভারত যেন শেখ হাসিনা ইস্যুতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে কোনো ধরনের প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা না করে।

তাঁর মতে, কোনো প্রতিবেশী দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা দীর্ঘমেয়াদে উভয় দেশের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

ভারতের সমস্যা বাংলাদেশ নয়, শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ

প্রবন্ধের শেষাংশে লেখক বলেন, ভারতের মূল সমস্যা বাংলাদেশ নয়; বরং শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগকে ঘিরে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক সংকট।

তাঁর মতে, যতদিন ভারত এই বাস্তবতা স্বীকার না করবে, ততদিন দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে দেওয়া ‘বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক’-এর বক্তব্য অনেকের কাছেই বিশ্বাসযোগ্যতা হারাবে।

লেখক: এএম হুসাইন

সম্পাদকের নোট:
এই লেখাটি একটি মতামতধর্মী বিশ্লেষণ। এতে প্রকাশিত রাজনৈতিক মূল্যায়ন ও মন্তব্য লেখক এএম হুসাইনের নিজস্ব। দৈনিক টারমিগান কোনো বক্তব্যের দায়ভার গ্রহণ করছে না; পাঠকের জন্য আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষণের অংশ হিসেবে এটি প্রকাশ করা হলো।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
BD-24,.COM

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬


ভারতের ‘রাষ্ট্রীয় অতিথি’ শেখ হাসিনা: দিল্লির জন্য তৈরি হওয়া নতুন সংকট

প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

শেখ হাসিনাকে ঘিরে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের অস্বস্তি; ‘স্থিতিশীলতার’ যুক্তি দিয়ে সংকট ঢেকে রাখা কঠিন

শেখ হাসিনাকে ঘিরে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের বর্তমান টানাপোড়েন এবং এর কূটনৈতিক প্রভাব নিয়ে এই বিশ্লেষণে লেখক তাঁর নিজস্ব মতামত তুলে ধরেছেন।


বিশ্বের ‘বৃহত্তম গণতন্ত্র’ হিসেবে পরিচিত একটি দেশের কাছ থেকে যে ধরনের দ্বৈত আচরণ আশা করা যায় না, দিল্লি গত দুই বছর ধরে ঠিক সেই প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছে—এমন দাবি করেছেন লেখক এএম হুসাইন।

তাঁর মতে, শেখ হাসিনাকে ঘিরে ভারতের অবস্থান এখন শুধু দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয় নয়; এটি বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতি, আঞ্চলিক কূটনীতি এবং ভারতের গণতান্ত্রিক ভাবমূর্তির সঙ্গেও জড়িয়ে গেছে।

লেখকের দাবি, মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাজাপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। তাঁর মতে, ভারত তাঁকে আশ্রয় দেওয়ার মাধ্যমে এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করেছে, যা দুই দেশের সম্পর্কে নতুন অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রবন্ধে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে রাষ্ট্রীয় অতিথি হিসেবে অবস্থান করছেন। লেখকের মতে, একজন প্রতিবেশী দেশের সাবেক সরকারপ্রধানের এমন অবস্থান, যাঁর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে, তা বাংলাদেশের জনগণের একটি অংশের কাছে নেতিবাচক বার্তা দিচ্ছে।

দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক

লেখক উল্লেখ করেন, শেখ হাসিনার সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নতুন নয়। তাঁর দাবি, ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সময়ে দিল্লি শেখ হাসিনা সরকারের পাশে ছিল।

প্রবন্ধে ২০১৪ সালের নির্বাচন প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, ওই সময় ভারতের তৎকালীন পররাষ্ট্রসচিব সুজাতা সিং ঢাকায় এসে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন। লেখকের অভিযোগ, এর মাধ্যমে নির্বাচনকে বৈধতা দেওয়ার একটি প্রচেষ্টা হয়েছিল।

লেখকের মতে, ভারত শুধু শেখ হাসিনার সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখেনি; বরং তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানকে টিকিয়ে রাখতেও ভূমিকা রেখেছে।

জুলাই আন্দোলন ও ভারতের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

প্রবন্ধে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে। লেখক অভিযোগ করেন, আন্দোলনের সময় যখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে বহু মানুষ নিহত হন, তখন ভারত পরিস্থিতিকে ‘স্থিতিশীলতা’ ও ‘উন্নয়ন’-এর দৃষ্টিকোণ থেকে দেখেছে।

তিনি উল্লেখ করেন, জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়ের একটি প্রতিবেদনে ওই সময়ের সহিংসতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছিল এবং গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের কথা বলা হয়েছিল।

লেখকের মতে, এসব অভিযোগের পরও ভারতের অবস্থান বাংলাদেশের অনেক মানুষের কাছে অসন্তোষের কারণ হয়েছে।

পরিস্থিতি উল্টো হলে কী হতো?

লেখক একটি কাল্পনিক উদাহরণ দিয়ে বলেন, যদি ভারতের কোনো অভিযুক্ত রাজনৈতিক নেতা বাংলাদেশে অবস্থান করতেন এবং সেখান থেকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাতেন, তাহলে ভারত সেটিকে সহজভাবে নিত না।

তাঁর মতে, ভারত তখন বিষয়টিকে অন্যভাবে ব্যাখ্যা করত এবং নিজের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক স্বার্থের প্রশ্ন তুলত।

লেখকের দাবি, বর্তমানে বাংলাদেশও একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করছে।

প্রত্যর্পণ ও সম্পর্কের ভবিষ্যৎ

প্রবন্ধে বলা হয়েছে, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে প্রত্যর্পণ চুক্তি রয়েছে। তাই শেখ হাসিনার অবস্থান নিয়ে একটি দীর্ঘমেয়াদি সমাধান প্রয়োজন।

লেখকের মতে, ভারত যদি কোনো কারণে তাঁকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করতে না চায়, তবে অন্তত তৃতীয় কোনো দেশে স্থানান্তরের বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া উচিত।

তিনি দাবি করেন, শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান বাংলাদেশের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর কাছে একটি বেদনাদায়ক বিষয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে হলে বাস্তবতা স্বীকার জরুরি

লেখকের মতে, শেখ হাসিনার বিষয়টি সমাধান না করে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ককে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া কঠিন হবে।

তিনি বলেন, একটি প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ। তবে সেই সম্পর্ক টেকসই করতে হলে জনগণের অনুভূতি ও রাজনৈতিক বাস্তবতাকে গুরুত্ব দিতে হবে।

বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার ঝুঁকি

প্রবন্ধে লেখক সতর্ক করে বলেন, ভারত যেন শেখ হাসিনা ইস্যুতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে কোনো ধরনের প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা না করে।

তাঁর মতে, কোনো প্রতিবেশী দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা দীর্ঘমেয়াদে উভয় দেশের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

ভারতের সমস্যা বাংলাদেশ নয়, শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ

প্রবন্ধের শেষাংশে লেখক বলেন, ভারতের মূল সমস্যা বাংলাদেশ নয়; বরং শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগকে ঘিরে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক সংকট।

তাঁর মতে, যতদিন ভারত এই বাস্তবতা স্বীকার না করবে, ততদিন দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে দেওয়া ‘বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক’-এর বক্তব্য অনেকের কাছেই বিশ্বাসযোগ্যতা হারাবে।

লেখক: এএম হুসাইন

সম্পাদকের নোট:
এই লেখাটি একটি মতামতধর্মী বিশ্লেষণ। এতে প্রকাশিত রাজনৈতিক মূল্যায়ন ও মন্তব্য লেখক এএম হুসাইনের নিজস্ব। দৈনিক টারমিগান কোনো বক্তব্যের দায়ভার গ্রহণ করছে না; পাঠকের জন্য আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষণের অংশ হিসেবে এটি প্রকাশ করা হলো।


BD-24,.COM

সম্পাদক ও প্রকাশক
মিরাজ হোসেন সুজন
মোবাইল: ০১৭৪৭২৪৩৬৩৭

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।