শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
আপডেট : সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬

শাহজালাল (রহ.) মাজারের দান ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগ, ২৫ দিনে মিলল ৬৪ লাখ টাকা

প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৩:১৮ পিএম
শাহজালাল (রহ.) মাজারের দান ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগ, ২৫ দিনে মিলল ৬৪ লাখ টাকা
শাহজালাল (রহ.) মাজারের দান ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগ, ২৫ দিনে মিলল ৬৪ লাখ টাকা
0:00 / 0:00
1x

হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারকে ঘিরে দান সংগ্রহ ও অর্থ ব্যবস্থাপনায় নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে মাজারের দানবাক্স খুলে মাত্র ২৫ দিনে ৬৪ লাখ টাকার বেশি নগদ অর্থ, বিদেশি মুদ্রা, স্বর্ণালংকার ও মানতের পশুর তথ্য পাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

অভিযোগগুলোর বিষয়ে তদন্ত করতে ইতোমধ্যে একটি কমিটি গঠন করেছে সিলেট জেলা প্রশাসন। কমিটিকে এক মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে মাজারের দানবাক্স ও ডেকের অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ছিল। এ প্রেক্ষাপটে গত ১৮ জুন সিলেট জেলা প্রশাসন মাজারের তিনটি ডেক ও চারটি দানবাক্স সিলগালা করে দেয়।

পরবর্তীতে সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারিতে সর্বসাধারণের সামনে দানবাক্স খোলা হয়। ২২ জুন প্রথম দফায় চার দিনের সংগ্রহ হিসেবে পাওয়া যায় ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা। এরপর ১১ জুলাই দ্বিতীয় দফায় দানবাক্স খুলে পাওয়া যায় আরও ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা।

এ ছাড়া দানবাক্স থেকে ১২ দেশের মুদ্রা, স্বর্ণালংকার, বিভিন্ন চিঠি ও চিরকুট পাওয়া যায়। মাজারে মানতের ৬৫টি ছাগলসহ বিভিন্ন গবাদিপশু আসার তথ্যও সামনে এসেছে।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার সাইফুল ইসলাম বলেন, মাজারে দীর্ঘদিন ধরে টাকা-পয়সার সুনির্দিষ্ট হিসাব রাখার ব্যবস্থা ছিল না। অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতেই দানবাক্সগুলো সিলগালা করা হয়েছে।

এদিকে মাজারের দান ও সম্পদ ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ করেছেন দর্শনার্থী ও স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী মহল মাজারের আর্থিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে আসছে।

তবে মাজারের মোতাওয়াল্লি ফতেহ উল্লাহ আল আমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মাজারের শৃঙ্খলা রক্ষায় সংশ্লিষ্টরা দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সমস্যা থাকলে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) জানিয়েছে, কমিশনের অনুমোদন পাওয়া গেলে বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক অনুসন্ধান শুরু করা যেতে পারে।

সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, মাজারের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি প্রতিবেদন দেওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
BD-24,.COM

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬


শাহজালাল (রহ.) মাজারের দান ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগ, ২৫ দিনে মিলল ৬৪ লাখ টাকা

প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারকে ঘিরে দান সংগ্রহ ও অর্থ ব্যবস্থাপনায় নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে মাজারের দানবাক্স খুলে মাত্র ২৫ দিনে ৬৪ লাখ টাকার বেশি নগদ অর্থ, বিদেশি মুদ্রা, স্বর্ণালংকার ও মানতের পশুর তথ্য পাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

অভিযোগগুলোর বিষয়ে তদন্ত করতে ইতোমধ্যে একটি কমিটি গঠন করেছে সিলেট জেলা প্রশাসন। কমিটিকে এক মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে মাজারের দানবাক্স ও ডেকের অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ছিল। এ প্রেক্ষাপটে গত ১৮ জুন সিলেট জেলা প্রশাসন মাজারের তিনটি ডেক ও চারটি দানবাক্স সিলগালা করে দেয়।

পরবর্তীতে সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারিতে সর্বসাধারণের সামনে দানবাক্স খোলা হয়। ২২ জুন প্রথম দফায় চার দিনের সংগ্রহ হিসেবে পাওয়া যায় ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা। এরপর ১১ জুলাই দ্বিতীয় দফায় দানবাক্স খুলে পাওয়া যায় আরও ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা।

এ ছাড়া দানবাক্স থেকে ১২ দেশের মুদ্রা, স্বর্ণালংকার, বিভিন্ন চিঠি ও চিরকুট পাওয়া যায়। মাজারে মানতের ৬৫টি ছাগলসহ বিভিন্ন গবাদিপশু আসার তথ্যও সামনে এসেছে।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার সাইফুল ইসলাম বলেন, মাজারে দীর্ঘদিন ধরে টাকা-পয়সার সুনির্দিষ্ট হিসাব রাখার ব্যবস্থা ছিল না। অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতেই দানবাক্সগুলো সিলগালা করা হয়েছে।

এদিকে মাজারের দান ও সম্পদ ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ করেছেন দর্শনার্থী ও স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী মহল মাজারের আর্থিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে আসছে।

তবে মাজারের মোতাওয়াল্লি ফতেহ উল্লাহ আল আমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মাজারের শৃঙ্খলা রক্ষায় সংশ্লিষ্টরা দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সমস্যা থাকলে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) জানিয়েছে, কমিশনের অনুমোদন পাওয়া গেলে বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক অনুসন্ধান শুরু করা যেতে পারে।

সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, মাজারের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি প্রতিবেদন দেওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


BD-24,.COM

সম্পাদক ও প্রকাশক
মিরাজ হোসেন সুজন
মোবাইল: ০১৭৪৭২৪৩৬৩৭

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।