শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
আপডেট : সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬

বগুড়ায় ডিবি হেফাজতে আসামির মৃত্যু, পুলিশের দাবি আত্মহত্যা

প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৩:১৮ পিএম
বগুড়ায় ডিবি হেফাজতে আসামির মৃত্যু, পুলিশের দাবি আত্মহত্যা
বগুড়ায় ডিবি হেফাজতে আসামির মৃত্যু, পুলিশের দাবি আত্মহত্যা
0:00 / 0:00
1x
বগুড়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হেফাজতে হত্যা মামলার এক সন্দেহভাজন আসামির মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৯ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বগুড়া ডিবি কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম আসাদুজ্জামান আসাদ (২৫)। তিনি বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার জোড়গাছা মধ্য উত্তরপাড়া এলাকার বাসিন্দা। পুলিশের দাবি, ডিবি কার্যালয়ের টয়লেটের ভেন্টিলেটরের সঙ্গে নিজের লুঙ্গি পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন আসাদ। তিনি একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ছিনতাই ও চালক হত্যার মামলার সন্দেহভাজন আসামি ছিলেন।

যেভাবে ঘটে ঘটনা

বগুড়া ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার জানান, শনিবার দুপুর ১টার দিকে বগুড়া রেলস্টেশন থেকে আসাদকে গ্রেপ্তার করে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছিল। বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) হোসাইন মুহাম্মদ রায়হান জানান, গত ২৯ জুন সারিয়াকান্দি উপজেলার দড়িপাড়া এলাকায় সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক আব্দুল মান্নানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার অটোরিকশাটি পাওয়া যায়নি। পরে ১ জুলাই নিহতের স্ত্রী অজ্ঞাত তিনজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। পুলিশ কর্মকর্তা জানান, রোববার সকালে নাশতা করার পর আসাদ ডিবি কার্যালয়ের টয়লেটে যান। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি বের না হওয়ায় পুলিশ সদস্যরা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। পরে তাকে ভেন্টিলেটরের সঙ্গে লুঙ্গি পেঁচানো অবস্থায় দেখতে পান। উদ্ধার করে বগুড়ার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

চিকিৎসকের বক্তব্য

মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. রাশেদুল ইসলাম রনি জানান, নিহতের গলায় ফাঁসের দাগ ছিল। শরীরের অন্য কোথাও দৃশ্যমান আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

পুলিশের বক্তব্য

সারিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আ ফ ম আসাদুজ্জামান বলেন, আসাদ মামলার সন্দেহভাজন আসামি ছিলেন। ডিবি পুলিশ মামলাটির ছায়াতদন্ত করছিল এবং জিজ্ঞাসাবাদে তার সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া যায়। তিনি আরও বলেন, আসাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হচ্ছে। পরিবারের কারও বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। ওসি জানান, আসাদের পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল না। তিনি বিভিন্ন রেলস্টেশনে ঘোরাফেরা করতেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ঘটনাটি নিয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
BD-24,.COM

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬


বগুড়ায় ডিবি হেফাজতে আসামির মৃত্যু, পুলিশের দাবি আত্মহত্যা

প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬

featured Image
বগুড়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হেফাজতে হত্যা মামলার এক সন্দেহভাজন আসামির মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৯ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বগুড়া ডিবি কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম আসাদুজ্জামান আসাদ (২৫)। তিনি বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার জোড়গাছা মধ্য উত্তরপাড়া এলাকার বাসিন্দা। পুলিশের দাবি, ডিবি কার্যালয়ের টয়লেটের ভেন্টিলেটরের সঙ্গে নিজের লুঙ্গি পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন আসাদ। তিনি একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ছিনতাই ও চালক হত্যার মামলার সন্দেহভাজন আসামি ছিলেন।

যেভাবে ঘটে ঘটনা

বগুড়া ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার জানান, শনিবার দুপুর ১টার দিকে বগুড়া রেলস্টেশন থেকে আসাদকে গ্রেপ্তার করে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছিল। বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) হোসাইন মুহাম্মদ রায়হান জানান, গত ২৯ জুন সারিয়াকান্দি উপজেলার দড়িপাড়া এলাকায় সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক আব্দুল মান্নানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার অটোরিকশাটি পাওয়া যায়নি। পরে ১ জুলাই নিহতের স্ত্রী অজ্ঞাত তিনজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। পুলিশ কর্মকর্তা জানান, রোববার সকালে নাশতা করার পর আসাদ ডিবি কার্যালয়ের টয়লেটে যান। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি বের না হওয়ায় পুলিশ সদস্যরা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। পরে তাকে ভেন্টিলেটরের সঙ্গে লুঙ্গি পেঁচানো অবস্থায় দেখতে পান। উদ্ধার করে বগুড়ার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

চিকিৎসকের বক্তব্য

মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. রাশেদুল ইসলাম রনি জানান, নিহতের গলায় ফাঁসের দাগ ছিল। শরীরের অন্য কোথাও দৃশ্যমান আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

পুলিশের বক্তব্য

সারিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আ ফ ম আসাদুজ্জামান বলেন, আসাদ মামলার সন্দেহভাজন আসামি ছিলেন। ডিবি পুলিশ মামলাটির ছায়াতদন্ত করছিল এবং জিজ্ঞাসাবাদে তার সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া যায়। তিনি আরও বলেন, আসাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হচ্ছে। পরিবারের কারও বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। ওসি জানান, আসাদের পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল না। তিনি বিভিন্ন রেলস্টেশনে ঘোরাফেরা করতেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ঘটনাটি নিয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

BD-24,.COM

সম্পাদক ও প্রকাশক
মিরাজ হোসেন সুজন
মোবাইল: ০১৭৪৭২৪৩৬৩৭

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।