শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
আপডেট : সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬

কাফরুলে যুবদল কর্মী ইউসুফ হত্যা: ভাড়াটে খুনির টার্গেট ছিলেন অন্যজন, গ্রেপ্তার ৭

প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৩:১৯ পিএম
কাফরুলে যুবদল কর্মী ইউসুফ হত্যা: ভাড়াটে খুনির টার্গেট ছিলেন অন্যজন, গ্রেপ্তার ৭
কাফরুলে যুবদল কর্মী ইউসুফ হত্যা: ভাড়াটে খুনির টার্গেট ছিলেন অন্যজন, গ্রেপ্তার ৭
0:00 / 0:00
1x

রাজধানীর কাফরুল থানা এলাকায় যুবদল কর্মী মো. ইউসুফ হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা (ডিবি) বিভাগ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো. নাহিদ হাসান, শাফিন আহমেদ, জিয়ারুল মোল্লা, আলী হোসেন, জিহাদ মোল্লা, মাসুম বিল্লাহ ও আবির হাওলাদার।

ঢাকার মিরপুর, মাগুরা ও শরীয়তপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডিবির মিরপুর বিভাগ ও কাফরুল থানা পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।

সোমবার (২৭ জুলাই) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম।

তিনি জানান, গত শুক্রবার রাতে কাফরুল থানাধীন ওপেক্স গার্মেন্টসের দক্ষিণ পাশে লিংক রোডের মাথায় কয়েকজন অস্ত্রধারীর গুলিতে যুবদল কর্মী মো. ইউসুফ, সবজি বিক্রেতা নালাম সরদার ও মো. মনির হোসেন আহত হন।

পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ইউসুফকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত নালাম সরদার ও মনির হোসেন বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার জানান, ঘটনার পর পালানোর সময় স্থানীয় জনতা এক অস্ত্রধারীকে আটক করে পুলিশে দেয়। পরে তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও চার রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় নিহত ইউসুফের বড় ভাই বাদী হয়ে কাফরুল থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার পর ডিবি ও কাফরুল থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করে।

তদন্তের ধারাবাহিকতায় প্রথমে মিরপুর এলাকা থেকে নাহিদ হাসান ও শাফিন আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মাগুরার শালিখা থেকে জিয়ারুল মোল্লা এবং মিরপুর থেকে আলী হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এছাড়া কাফরুল থানা পুলিশ শরীয়তপুর থেকে জিহাদ মোল্লা, যশোরের বাঘারপাড়া থেকে মাসুম বিল্লাহ এবং স্থানীয়দের হাতে আটক আবির হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করে।

হত্যার মূল পরিকল্পনা ছিল অন্য ব্যক্তিকে ঘিরে: ডিবি

ডিবি জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা জানিয়েছে, মূল পরিকল্পনা ছিল হাফিজুল ইসলাম বাবুকে হত্যার। এ জন্য পেশাদার খুনি ভাড়া করা হয়েছিল।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, পরিকল্পনাকারী হাফিজুর রহমান হাফিজ ওরফে সিএনজি হাফিজের নির্দেশে কয়েকজন ব্যক্তি ঢাকায় এসে হত্যার পরিকল্পনা করে। তারা মিরপুর এলাকায় অবস্থান নিয়ে লক্ষ্য ব্যক্তির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে।

ডিবি আরও জানায়, পরবর্তী সময়ে আবার ঢাকায় এসে পরিকল্পনা অনুযায়ী অস্ত্র সংগ্রহ করা হয়। ঘটনার দিন রাতে লক্ষ্য ব্যক্তিকে হত্যার উদ্দেশ্যে তারা অবস্থান নেয়।

পুলিশের দাবি, সন্দেহজনক কয়েকজনকে দেখে হাফিজুল ইসলাম বাবু পরিচয় জানতে চাইলে এবং তল্লাশির চেষ্টা করলে একজন অস্ত্র বের করে গুলি চালায়। এ সময় যুবদল কর্মী মো. ইউসুফ গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন।

গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
BD-24,.COM

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬


কাফরুলে যুবদল কর্মী ইউসুফ হত্যা: ভাড়াটে খুনির টার্গেট ছিলেন অন্যজন, গ্রেপ্তার ৭

প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

রাজধানীর কাফরুল থানা এলাকায় যুবদল কর্মী মো. ইউসুফ হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা (ডিবি) বিভাগ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো. নাহিদ হাসান, শাফিন আহমেদ, জিয়ারুল মোল্লা, আলী হোসেন, জিহাদ মোল্লা, মাসুম বিল্লাহ ও আবির হাওলাদার।

ঢাকার মিরপুর, মাগুরা ও শরীয়তপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডিবির মিরপুর বিভাগ ও কাফরুল থানা পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।

সোমবার (২৭ জুলাই) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম।

তিনি জানান, গত শুক্রবার রাতে কাফরুল থানাধীন ওপেক্স গার্মেন্টসের দক্ষিণ পাশে লিংক রোডের মাথায় কয়েকজন অস্ত্রধারীর গুলিতে যুবদল কর্মী মো. ইউসুফ, সবজি বিক্রেতা নালাম সরদার ও মো. মনির হোসেন আহত হন।

পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ইউসুফকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত নালাম সরদার ও মনির হোসেন বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার জানান, ঘটনার পর পালানোর সময় স্থানীয় জনতা এক অস্ত্রধারীকে আটক করে পুলিশে দেয়। পরে তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও চার রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় নিহত ইউসুফের বড় ভাই বাদী হয়ে কাফরুল থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার পর ডিবি ও কাফরুল থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করে।

তদন্তের ধারাবাহিকতায় প্রথমে মিরপুর এলাকা থেকে নাহিদ হাসান ও শাফিন আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মাগুরার শালিখা থেকে জিয়ারুল মোল্লা এবং মিরপুর থেকে আলী হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এছাড়া কাফরুল থানা পুলিশ শরীয়তপুর থেকে জিহাদ মোল্লা, যশোরের বাঘারপাড়া থেকে মাসুম বিল্লাহ এবং স্থানীয়দের হাতে আটক আবির হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করে।

হত্যার মূল পরিকল্পনা ছিল অন্য ব্যক্তিকে ঘিরে: ডিবি

ডিবি জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা জানিয়েছে, মূল পরিকল্পনা ছিল হাফিজুল ইসলাম বাবুকে হত্যার। এ জন্য পেশাদার খুনি ভাড়া করা হয়েছিল।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, পরিকল্পনাকারী হাফিজুর রহমান হাফিজ ওরফে সিএনজি হাফিজের নির্দেশে কয়েকজন ব্যক্তি ঢাকায় এসে হত্যার পরিকল্পনা করে। তারা মিরপুর এলাকায় অবস্থান নিয়ে লক্ষ্য ব্যক্তির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে।

ডিবি আরও জানায়, পরবর্তী সময়ে আবার ঢাকায় এসে পরিকল্পনা অনুযায়ী অস্ত্র সংগ্রহ করা হয়। ঘটনার দিন রাতে লক্ষ্য ব্যক্তিকে হত্যার উদ্দেশ্যে তারা অবস্থান নেয়।

পুলিশের দাবি, সন্দেহজনক কয়েকজনকে দেখে হাফিজুল ইসলাম বাবু পরিচয় জানতে চাইলে এবং তল্লাশির চেষ্টা করলে একজন অস্ত্র বের করে গুলি চালায়। এ সময় যুবদল কর্মী মো. ইউসুফ গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন।

গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


BD-24,.COM

সম্পাদক ও প্রকাশক
মিরাজ হোসেন সুজন
মোবাইল: ০১৭৪৭২৪৩৬৩৭

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।